You are here: Homeরাজ্যItems filtered by date: Tuesday, 07 November 2017

ডেস্ক, ৭ নভেম্বর : গোটা রাজ্যের ন্যায় মালদা জেলাতেও  ডেঙ্গি প্রতিরোধে পুরোপুরি ব্যর্থ রাজ্য সরকার। তার  উপর আক্রান্ত মানুষজন সহ সাধারন মানুষদেরকাছে তথ্য  গোপন করছে। এর প্রতিবাদে  আজ পথে নামল কংগ্রেস। আজ দুপুরে  মালদা জেলা কংগ্রেসের পক্ষ থেকে  একটি বিক্ষোভ মিছিল সংগঠিত করা হয়।  এই মিছিলে অংশগ্রহণ করেন জেলা কংগ্রেস নেতৃবৃন্দ সহ  জেলার কংগ্রেস বিধায়করা। মালদা টাউন হলের সামনে থেকে মিছিল শুরু করে শহর ঘুরে  মিছিল শেষ করেন জেলা কালেক্টরেট অফিসের সামনে। পরে কংগ্রেস নেতৃত্ব জেলাশাসকের কাছে  ডেপুটেশন দেন এবং স্মারকলিপিও তুলে দেন।  
কংগ্রেস আজ ডেঙ্গি নিয়ে মালদা শহরে পথে  নামল । এবিষয়ে কংগ্রেসের পক্ষ থেকে জানানো হয় যে , “কিছুদিন ধরেই ডেঙ্গি গোটা রাজ্যের সঙ্গে মালদা জেলাতেও কার্যত মহামারীর আকার ধারণ করেছে। অথচ ডেঙ্গি মোকাবিলায় কোনও হেলদোলই নেই প্রশাসনের। মালদা মেডিক্যাল কলেজ ও হাসপাতাল থাকলেও সেখান থেকে ডেঙ্গি আক্রান্ত রোগীদের বাইরে রেফার করে দেওয়া হচ্ছে। অকেজো করে রাখা হচ্ছে ব্লক হাসপাতালগুলিকেও। মেডিক্যাল কলেজে এসে জ্বরে আক্রান্ত মানুষ ঘণ্টার পর ঘণ্টা লাইনে দাঁড়িয়ে থাকছেন।”

তিনি আরও বলেন, “গত কয়েক বছর ধরেই কখনও ম্যালেরিয়া, কখনও এনসেফ্যালাইটিসের মতো মশাবাহিত রোগ ভয়ঙ্করভাবে ছড়িয়ে পড়ছে। আর মুখ্যমন্ত্রী সেই সব তথ্য গোপন করার জন্য নির্দেশ দিচ্ছেন। এবারও মুখ্যমন্ত্রীর নির্দেশে ডেঙ্গির প্রকৃত তথ্য গোপন করছে প্রশাসন। আসলে রাজ্য সরকার ডেঙ্গি মোকাবিলায় পুরোপুরি ব্যর্থ হয়েই তথ্য গোপন করছে। তা না হলে তথ্য গোপন করা হত না। তাই তাঁরা পথে নামতে বাধ্য হয়েছেন।”

এর আগে বামফ্রণ্টের পক্ষ থেকে  ডেঙ্গি মোকাবিলায় ব্যর্থতার অভিযোগ এনে এর আগে ইংরেজবাজার পৌরসভা ঘেরাও করে বিক্ষোভ দেখানো হয়।

 

Published in Malda-Dinajpur-2

ডেস্ক, ৭ নভেম্বর : গোটা রাজ্যের ন্যায় মালদা জেলাতেও  ডেঙ্গি প্রতিরোধে পুরোপুরি ব্যর্থ রাজ্য সরকার। তার  উপর আক্রান্ত মানুষজন সহ সাধারন মানুষদেরকাছে তথ্য  গোপন করছে। এর প্রতিবাদে  আজ পথে নামল কংগ্রেস। আজ দুপুরে  মালদা জেলা কংগ্রেসের পক্ষ থেকে  একটি বিক্ষোভ মিছিল সংগঠিত করা হয়।  এই মিছিলে অংশগ্রহণ করেন জেলা কংগ্রেস নেতৃবৃন্দ সহ  জেলার কংগ্রেস বিধায়করা। মালদা টাউন হলের সামনে থেকে মিছিল শুরু করে শহর ঘুরে  মিছিল শেষ করেন জেলা কালেক্টরেট অফিসের সামনে। পরে কংগ্রেস নেতৃত্ব জেলাশাসকের কাছে  ডেপুটেশন দেন এবং স্মারকলিপিও তুলে দেন।  
কংগ্রেস আজ ডেঙ্গি নিয়ে মালদা শহরে পথে  নামল । এবিষয়ে কংগ্রেসের পক্ষ থেকে জানানো হয় যে , “কিছুদিন ধরেই ডেঙ্গি গোটা রাজ্যের সঙ্গে মালদা জেলাতেও কার্যত মহামারীর আকার ধারণ করেছে। অথচ ডেঙ্গি মোকাবিলায় কোনও হেলদোলই নেই প্রশাসনের। মালদা মেডিক্যাল কলেজ ও হাসপাতাল থাকলেও সেখান থেকে ডেঙ্গি আক্রান্ত রোগীদের বাইরে রেফার করে দেওয়া হচ্ছে। অকেজো করে রাখা হচ্ছে ব্লক হাসপাতালগুলিকেও। মেডিক্যাল কলেজে এসে জ্বরে আক্রান্ত মানুষ ঘণ্টার পর ঘণ্টা লাইনে দাঁড়িয়ে থাকছেন।”

তিনি আরও বলেন, “গত কয়েক বছর ধরেই কখনও ম্যালেরিয়া, কখনও এনসেফ্যালাইটিসের মতো মশাবাহিত রোগ ভয়ঙ্করভাবে ছড়িয়ে পড়ছে। আর মুখ্যমন্ত্রী সেই সব তথ্য গোপন করার জন্য নির্দেশ দিচ্ছেন। এবারও মুখ্যমন্ত্রীর নির্দেশে ডেঙ্গির প্রকৃত তথ্য গোপন করছে প্রশাসন। আসলে রাজ্য সরকার ডেঙ্গি মোকাবিলায় পুরোপুরি ব্যর্থ হয়েই তথ্য গোপন করছে। তা না হলে তথ্য গোপন করা হত না। তাই তাঁরা পথে নামতে বাধ্য হয়েছেন।”

এর আগে বামফ্রণ্টের পক্ষ থেকে  ডেঙ্গি মোকাবিলায় ব্যর্থতার অভিযোগ এনে এর আগে ইংরেজবাজার পৌরসভা ঘেরাও করে বিক্ষোভ দেখানো হয়।

 

Published in Malda-Dinajpur-2

ডেস্ক, ৭ই নভেম্বর ঃ আজ ইংরেজবাজার পৌরসভার ঊদ্যোগে মালদা শহরে ক্যারিব্যাগের ব্যাবহার নিষিদ্ব করা এবং সাম্প্রতিক কালে সমগ্র জেলার পাশাপাশি মালদা শহরে ডেঙ্গু ও অজানা জ্বরের  প্রতিরোধের জন্য কি কি ব্যাবস্থা গ্রহণ করা দরকার সে ব্যাপারে এক আলোচনা সভা্র আয়োজন করা হয়েছিল।  ইংরেজবাজার পৌরসভার চেয়ারম্যানের পোরহিত্যে এই সভা অনুষ্ঠিত হয়। এই সভায় বিভিন্ন  স্বেচ্ছাসেবী সংগঠন, রামকৃষ্ণ মিশন ও মালদা শহরের বিভিন্ন প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষক ও সাংবাদিকদের আহ্বান জানানো হয়েছিল। স্বেচ্ছাসেবী সংগঠনের উপস্থিতি খুবই নগণ্য ছিল কিন্তু মালদা শহরের বিভিন্ন প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষকদের উপস্থিতি ব্যাপকহারে ছিল। মালদা মার্চেন্ট চেম্বার অফ কমার্সের প্রতিনিধিরা উপস্থিত ছিলেন। এছাড়াও সদর মহকুমা শাসক, জেলা স্বাস্থ্য দপ্তরের প্রতিনিধি ও বিভিন্ন ওয়ার্ডের কাউন্সিলাররা উপস্থিত  ছিলেন। চেয়ারম্যান বলেন প্রথমে আমাদের নিজেদের বাড়ির কাছে পরিষ্কার পরিচ্ছন্ন রাখতে হবে।জল যাতে কোন জায়গায় জমতে না পারে সেদিকে প্রত্যেক নাগরিককে লক্ষ রাখতে হবে কারন জমা জায়গায় মশার লাভা জন্মায়। লাভাকে অঙ্কুরেই বিনষ্ট করতে হবে। সদর মহকুমা শাসক বলেন সরকারীভাবে প্রতিটি প্রাইমারী স্কুলে ডিপিআই ডেঙ্গু প্রতিরোধে কি কি করতে হবে তার একটি নির্দেশিকা পাঠিয়েছেন। স্কুলের আশেপাশে পরিষ্কার পরিচ্ছন্ন রাখতে হবে ঝোপঝাড় ও জঙ্গল পরিষ্কার রাখতে হবে জল যাতে না জমে সেদিকে নজর  রাখতে হবে। চেয়ারম্যান বলেন, এই রকম যদি কোন স্কুলের আশেপাশে থাকে সেটা  আমাদের জানানো হলে আমরাই  পৌরসভার পক্ষ থেকে মজদুর পাঠিয়ে সেটা পরিষ্কার করে দেব।

এছাড়াও তিনি আরও বলেন দিন কয়েক আগে আমরা শহরের হাই ড্রেনগুলি পরিষ্কার করেছিলাম কিন্তু বর্তমানে আবার ভর্তি হয়ে গেছে  কারন বেশিরভাগ জায়গায় দেখা যাচ্ছে প্ল্যাস্টিকের ক্যারিব্যাগ ও শোলার পাতা পড়ে ড্রেনগুলির মুখ বন্ধ হয়ে আসছে এবং জল জমা  হয়ে থেকে যাচ্ছে। অবিলম্বে যদি ক্যারিব্যাগের ব্যাবহার বন্ধ না করা যায় তাহলে আগামীদিনে আমাদের ভয়াবহ অবস্থার সন্মুখীন       

হতে হবে , তাই আর দেরী না করে ক্যারিব্যাগের ব্যাবহার বন্ধ করতে হবে ।এব্যাপারে মালদা মার্চেন্ট চেম্বার অফ কমার্সকে বিশেষভাবে উদ্যোগী হওয়ার জন্য আবেদন জানান। পাশাপাশি সাধারন মানুষকে সচেতন হওয়ার আহ্বান জানান।   

Published in Malda-Dinajpur-2

দেস্ক ঃ   বাড়ছে অজানা জ্বরের দাপট। গত ২৪ ঘণ্টায় মৃত্যু হয়েছে ৬ জনের। এরমধ্যে উত্তর ২৪ পরগনা জেলাতেই ৬ জনের মৃত্যু হয়েছে। একজন মারা গেছেন নদিয়ায়। জেলায় জেলায় লাফিয়ে বাড়ছে আক্রান্তে সংখ্যা। সবচেয়ে সঙ্গীন হাল উত্তর ২৪ পরগনার।বাড়ছে অজানা জ্বরের দাপট। গত ২৪ ঘণ্টায় মৃত্যু হয়েছে ৬ জনের। এরমধ্যে উত্তর ২৪ পরগনা জেলাতেই ৬ জনের মৃত্যু হয়েছে। একজন মারা গেছেন নদিয়ায়। জেলায় জেলায় লাফিয়ে বাড়ছে আক্রান্তে সংখ্যা। সবচেয়ে সঙ্গীন হাল উত্তর ২৪ পরগনার।

অজানা জ্বরে এক শিশুর মৃত্যু হল কদম্বগাছিতে। কয়েকদিন ধরেই জ্বরে ভুগছিল সুহানা পরভিন। সোমবার তাকে ভর্তি করা হয় বারাসাত হাসপাতালে। সেখানেই মারা যায় সুহানা। অজানা জ্বরে ভুগে মৃত্যু হল এক প্রৌঢ়েরও। কালসরা গ্রামের গোপাল সর্দার জ্বরে ভুগছিলেন। রক্ত পরীক্ষা করানো হয়। বারাসাত হাসপাতালে চিকিৎসাও চলছিল। শনিবার রাতে মৃত্যু হয় গোপালবাবুর।

     অজানা জ্বরের বলি হলেন কাঁচরাপাড়ার এক গৃহবধূও। কাঁচরাপাড়ার ১৯ নং ওয়ার্ডের বাসিন্দা পুনম কুমারি শর্মা। দিনকয়েক আগে ডেঙ্গু ধরা পড়ে। তড়িঘড়ি তাঁকে প্রসব করান চিকিত্সকরা। তারপর থেকে আইসিইউতে ভর্তি ছিলেন পুনম দেবী। শনিবার রাতে তাঁর মৃত্যু হয়। একই এলাকায় অজানা জ্বরের বলি প্রতিবন্ধী নয়না হেলাও। নভেম্বরের এক তারিখ থেকে ভুগছিলেন নয়না।

অজানা জ্বর থাবা বসালো অশোকনগরেও। বনবনিয়ায় অজানা জ্বরে  ভুগছিলেন সোমা দেব। কিন্তু,  হাবরা হাসপাতালে তাঁর ঠাঁই মেলেনি। বাড়িতেই চিকিৎসা চলছিল। শারীরিক অবস্থার অবনতি হওয়ায়  বারাসাত হাসপাতালে ভর্তি করা হয় তাঁকে। সেখানেই তাঁর মৃত্যু হয়।

দেগঙ্গা থেকে আর জি কর হাসপাতালে আনার পথে মারা গেলেন তেলিয়া গ্রামের মানুয়ারা বিবির। জ্বর নিয়ে ভর্তি ছিলেন বারাসত হাসপাতালে। অবস্থার অবনতি হওয়ায় রেফার করা হয় আর জি করে। কিন্তু, হাসপাতালে পৌছনোর আগেই মারা যান তিনি।

জ্বরের প্রকোপ থেকে রেহাই নেই নদিয়ারও। দিনকয়েকের জ্বরে ভুগে মারা গেলেন চোপড়ার সাহাবুল ফকির। মুম্বইয় থেকে জ্বর নিয়েই বাড়ি ফেরেন সাহাবুল। এনআরএস হাসপাতালে রক্ত পরীক্ষার পর এনএস ১ পজিটিভ বলা হয়। কৃষ্ণনগর শক্তিনগর হাসপাতালে ভর্তি ছিলেন। সেখানেই শনিবার রাতে মারা যান।

শহরে ডেঙ্গির দাপট অব্যাহত। কেষ্টপুরে ডেঙ্গিতে মৃত্যু হল বছর দশের শিশুর। বিছানায় ছড়িয়ে অজস্র মেডেল। পড়ে রয়েছে ট্রফি। নেই শুধু মালিক। বছর দশের সৌম্যজিতকে কেড়ে নিয়েছে ডেঙ্গি।

Published in 24.Pgs.n/s

দেস্ক ঃ   বাড়ছে অজানা জ্বরের দাপট। গত ২৪ ঘণ্টায় মৃত্যু হয়েছে ৬ জনের। এরমধ্যে উত্তর ২৪ পরগনা জেলাতেই ৬ জনের মৃত্যু হয়েছে। একজন মারা গেছেন নদিয়ায়। জেলায় জেলায় লাফিয়ে বাড়ছে আক্রান্তে সংখ্যা। সবচেয়ে সঙ্গীন হাল উত্তর ২৪ পরগনার।বাড়ছে অজানা জ্বরের দাপট। গত ২৪ ঘণ্টায় মৃত্যু হয়েছে ৬ জনের। এরমধ্যে উত্তর ২৪ পরগনা জেলাতেই ৬ জনের মৃত্যু হয়েছে। একজন মারা গেছেন নদিয়ায়। জেলায় জেলায় লাফিয়ে বাড়ছে আক্রান্তে সংখ্যা। সবচেয়ে সঙ্গীন হাল উত্তর ২৪ পরগনার।

অজানা জ্বরে এক শিশুর মৃত্যু হল কদম্বগাছিতে। কয়েকদিন ধরেই জ্বরে ভুগছিল সুহানা পরভিন। সোমবার তাকে ভর্তি করা হয় বারাসাত হাসপাতালে। সেখানেই মারা যায় সুহানা। অজানা জ্বরে ভুগে মৃত্যু হল এক প্রৌঢ়েরও। কালসরা গ্রামের গোপাল সর্দার জ্বরে ভুগছিলেন। রক্ত পরীক্ষা করানো হয়। বারাসাত হাসপাতালে চিকিৎসাও চলছিল। শনিবার রাতে মৃত্যু হয় গোপালবাবুর।

     অজানা জ্বরের বলি হলেন কাঁচরাপাড়ার এক গৃহবধূও। কাঁচরাপাড়ার ১৯ নং ওয়ার্ডের বাসিন্দা পুনম কুমারি শর্মা। দিনকয়েক আগে ডেঙ্গু ধরা পড়ে। তড়িঘড়ি তাঁকে প্রসব করান চিকিত্সকরা। তারপর থেকে আইসিইউতে ভর্তি ছিলেন পুনম দেবী। শনিবার রাতে তাঁর মৃত্যু হয়। একই এলাকায় অজানা জ্বরের বলি প্রতিবন্ধী নয়না হেলাও। নভেম্বরের এক তারিখ থেকে ভুগছিলেন নয়না।

অজানা জ্বর থাবা বসালো অশোকনগরেও। বনবনিয়ায় অজানা জ্বরে  ভুগছিলেন সোমা দেব। কিন্তু,  হাবরা হাসপাতালে তাঁর ঠাঁই মেলেনি। বাড়িতেই চিকিৎসা চলছিল। শারীরিক অবস্থার অবনতি হওয়ায়  বারাসাত হাসপাতালে ভর্তি করা হয় তাঁকে। সেখানেই তাঁর মৃত্যু হয়।

দেগঙ্গা থেকে আর জি কর হাসপাতালে আনার পথে মারা গেলেন তেলিয়া গ্রামের মানুয়ারা বিবির। জ্বর নিয়ে ভর্তি ছিলেন বারাসত হাসপাতালে। অবস্থার অবনতি হওয়ায় রেফার করা হয় আর জি করে। কিন্তু, হাসপাতালে পৌছনোর আগেই মারা যান তিনি।

জ্বরের প্রকোপ থেকে রেহাই নেই নদিয়ারও। দিনকয়েকের জ্বরে ভুগে মারা গেলেন চোপড়ার সাহাবুল ফকির। মুম্বইয় থেকে জ্বর নিয়েই বাড়ি ফেরেন সাহাবুল। এনআরএস হাসপাতালে রক্ত পরীক্ষার পর এনএস ১ পজিটিভ বলা হয়। কৃষ্ণনগর শক্তিনগর হাসপাতালে ভর্তি ছিলেন। সেখানেই শনিবার রাতে মারা যান।

শহরে ডেঙ্গির দাপট অব্যাহত। কেষ্টপুরে ডেঙ্গিতে মৃত্যু হল বছর দশের শিশুর। বিছানায় ছড়িয়ে অজস্র মেডেল। পড়ে রয়েছে ট্রফি। নেই শুধু মালিক। বছর দশের সৌম্যজিতকে কেড়ে নিয়েছে ডেঙ্গি।

Published in 24.Pgs.n/s

দেস্ক ঃ  প্রশাসনের নির্দেশকে বুড়ো আঙুল দেখিয়ে হিলিতে জাতীয় সড়কের ধারে লরি থেকে পাথর ডাম্পিং প্রক্রিয়া চালানোর অভিযোগে উত্তেজনা ছড়াল। এক শ্রেণীর অসাধু ব্যবসায়ীরা ক্ষমতার অপব্যবহার করে লিপ্ত হয়েছে ওই সব কাজে বলে অভিযোগ। হিলি চেকপোষ্টে যাবার আগেই আন্তর্জাতিক বহির্বাণিজ্যের বেশকিছু গাড়ি আগেই আনলোড হয়ে যাচ্ছে অসাধু চক্রের মদতে। হিলি ট্রাক টার্মিনার্সের উল্টো দিকে জাতীয় সড়কের ধারে এই প্রক্রিয়া চলছে দীর্ঘদিন ধরে। ফলে সীমান্তের ট্রাক লাইনে দাড়িয়ে দাড়িয়ে নষ্ঠ হচ্ছে অন্যান্য ব্যবসায়ীদের কাঁচামাল সহ অন্যান্য সামগ্রী। যা নিয়ে ক্ষোভ বাড়ছে স্থানীয় বাসিন্দা থেকে শুরু করে অন্যান্য ব্যবসায়ীদের মধ্যে। ঘটনার প্রভাব পড়েছে আন্তর্জাতিক বহির্বাণিজ্যেও। বেশকিছূ ব্যবসায়ী ইতিমধ্যে হিলি থেকে তাদের ব্যবসা গুটিয়ে নেবার ইঙ্গিতও দিয়েছেন।
দক্ষিণ দিনাজপুর জেলার ভারত-বাংলাদেশ সীমান্তের হিলি চেকপোষ্ট দিয়ে বিভিন্ন কাঁচামাল সহ পাথর মিলিয়ে প্রায় ২০০ টি লরি আসা যাওয়া করে। যান জটের সমস্যা এড়াতে সীমান্তের এপারে জাতীয় সড়কের ধারে কোন গাড়িতেই আনলোড বা আপলোড করা যাবে না বলে সিদ্ধান্তও রয়েছে প্রশাসনের তরফে। ঘটনা নিয়ে এক্সপোর্ট অ্যাসোসিয়েশেনর তরফে জেলা শাসককে লিখিত ভাবে জানানোর পরিপ্রেক্ষিতে প্রশাসন সেই বিষয়ে একটি নির্দেশিকাও জারি করে। কিন্তু কিছু অসাধু ব্যবসায়ী বেশী মুনাফা আদায়ের লক্ষ্যে প্রশাসনের নির্দেশকে বুড়ো আঙুল দেখিয়ে চেকপোষ্টের আগেই জাতীয় সড়কের ধারে পাথরের গাড়ি আনলোড করছে। স্থানীয় গাড়িকে কাজে লাগিয়ে ওই সব আনলোড মাল নিয়ে ট্রার্মিনার্স দিয়ে আগেভাগে বাংলাদেশে পার করা হচ্ছে। আর এই সমস্যায় দীর্ঘ লাইনের দাড়িয়ে থাকছে অন্যান্য কাঁচামালের লরিগুলি। দিনের পর দিন এই প্রক্রিয়া চলতে থাকায় ক্ষতির মুখে পড়েছেন ওই সব ব্যবসায়ীরা। হিলিতে ব্যবসা করতে অনীহা দেখা দিচ্ছে তাদের মধ্যে। এই ঘটনার দ্রুত সমাধান না হলে রাস্তায় নেমে আন্দোলনের হুশিয়ারি দেওয়া হয়েছে ব্যবসায়ী দের তরফে।
হিলি এক্সপোর্ট অ্যাসোসিয়েশনের সম্পাদক সঞ্জিৎ মজুমদার জানিয়েছেন, কিছু অসাধু ব্যবসায়ী প্রশাসনের নির্দেশ উপেক্ষা করে জাতীয় সড়কের ধারেই মাল আনলোড করে পাথরের লরিগুলিকে ছেড়ে দিচ্ছে। পুনরায় সেই মাল আপলোড করে অন্য গাড়ি করে তারাতারি বাংলাদেশে পাঠাচ্ছেন। এতে অন্যান্য ব্যবসায়ীদের ক্ষতি হচ্ছে। তারা অন্যত্র ব্যবসার ইঙ্গিত দিয়েছেন। এই বিষয়ে প্রশাসনের হস্তক্ষেপ অত্যন্ত জরুরী।

Published in Malda-Dinajpur-2

দেস্ক ০৭ নবেম্বের ২০১৭ ঃ প্রতি বছরের মত এবছরও সিমান্ত এলাকায় গ্রামবাসীদের সঙ্গে আরো সুুসর্ম্পক গড়ে তোলার জন্য ৪১ নম্বর বিএসএফ ব্যাটালিয়ানের তরফে বিরাট ম্যারাথন দৌড়ের আয়োজন করেছিল জওয়ানেরা।এদিন কুশমন্ডির কাঁটাবাড়ি সিমান্তবর্তি এলাকা থেকে পুরুষদের জন্য ১৬ ও মহিলাদের জন্য ১০কিলোমিটার ম্যারাথন দৌড়টির সুুচনা করেন ৪১ব্যাটালিয়ান বিএসএফ ব্যাটালিয়ানের টুআইসি কেকে মজুমদার।সেখানে এই ব্যাটানিয়ানের সদ্য দায়িত্ব পাওয়া সস্ত্রীক টুআইসি এম যাদব ,সহ বিশিষ্ট জনেরা উপস্থিত ছিলেন।পুরুষদের ১৬কিলোমিটার ১ঘন্টা ৮মিনিটে শেষ করে দৌড়ে প্রথম হয় মল্লিকপুর সিমান্তবর্তি এলাকার তরুন মকুল রায় ,দ্বিতীয় হন অনন্তপুরের চন্দন সরেণ ,তৃতীয় হন অনন্তপুরের সোনাতন মুমু।অন্যদিকে মহিলাদের১০কিলোমিটার দৌড়ে প্রথম হন অনন্তপুরের সামনুর খাতুন ,জোস্না সরেণ ,প্রতিমা টুড়ু।তাঁদের হাতে নদগ ১০০০ হাজার ৭৫০,ও ৫০০টাকার পাশাপাশি সাটিফিকেট তুলে দেন টুআইসি কে কে মজুমদার ,বর্তমান ৪১ ব্যাটানিয়ানের টুআইসি পদে দায়িত্ব নেওয়া যাদব বাবুর স্ত্রী।

পরে টুআইসি কেকে মজুমদার প্রায় তিন বছরের কাজের অভিঞ্জতা দারুন লাগল।সিমান্ত এলাকার যুবকেরা যেন সেনা বিভাগে কাজে যোগদান করে তাঁর জন্য এগিয়ে আসবে বলে আশা করব।পাশাপাশি এমন অনুষ্টানের মধ্যে দিয়ে সিমান্ত এলাকার মানুষজনদের সঙ্গে বিএসএফদের সঙ্গে সুুসম্পর্ক গড়ে তোলার জন্য এমন অনুষ্টানের আয়োজন করা।
সিমান্ত এলাকার গ্রামবাসীদের সুুত্রেই যানা গেছে যে সদ্য ঘটে যাওয়া জেলায় যে বন্যা হয়েছিল সেই সময় গ্রামবাসীদের পাশে দাঁড়িয়ে ৪১নম্বর বিএসএফ ব্যাটালিয়ানের সাহায্য করেছিল।পাশাপাশি তাঁরা সিমান্ত এলাকায় একাধীক সময়ে বিভিন্ন ধরনের অনুষ্টান করে গ্রামবাসীদের সঙ্গে নিবির সম্পর্ক গড়ে তোলার চেষ্টা করে থাকে।
পুরুষদের ১৬কিলোমিটার ১ঘন্টা ৮মিনিটে শেষ করে দৌড়ে প্রথম হয় মল্লিকপুর সিমান্তবর্তি এলাকার তরুন যুবক মকুল রায় জানিয়েছেন প্রথম হবার লক্ষে অংশ গ্রহন করেছিলাম।খুবই ভালো লাগছে।এমন দৌড়ে সব সময় অংশ গ্রহন করব।
অনুষ্টানে দুই টুআইসি ছাড়াও ৪১ ব্যাটালিয়ানের অফিসার পবন কুমার সিংহ ,কুলদীপ রাজপুত ,রুদ্র সিং শেঠ ,রাকেশ দাইয়া সহ বিশিষ্ট জনেরা উপস্থিত ছিলেন।
এমন অনুষ্টানকে সিমান্ত এলাকাবাসীরা সাধুবাদ জানিয়েছেন।

 

Published in Malda-Dinajpur-2

দেস্ক ০৭ নবেম্বের ২০১৭ ঃ প্রতি বছরের মত এবছরও সিমান্ত এলাকায় গ্রামবাসীদের সঙ্গে আরো সুুসর্ম্পক গড়ে তোলার জন্য ৪১ নম্বর বিএসএফ ব্যাটালিয়ানের তরফে বিরাট ম্যারাথন দৌড়ের আয়োজন করেছিল জওয়ানেরা।এদিন কুশমন্ডির কাঁটাবাড়ি সিমান্তবর্তি এলাকা থেকে পুরুষদের জন্য ১৬ ও মহিলাদের জন্য ১০কিলোমিটার ম্যারাথন দৌড়টির সুুচনা করেন ৪১ব্যাটালিয়ান বিএসএফ ব্যাটালিয়ানের টুআইসি কেকে মজুমদার।সেখানে এই ব্যাটানিয়ানের সদ্য দায়িত্ব পাওয়া সস্ত্রীক টুআইসি এম যাদব ,সহ বিশিষ্ট জনেরা উপস্থিত ছিলেন।পুরুষদের ১৬কিলোমিটার ১ঘন্টা ৮মিনিটে শেষ করে দৌড়ে প্রথম হয় মল্লিকপুর সিমান্তবর্তি এলাকার তরুন মকুল রায় ,দ্বিতীয় হন অনন্তপুরের চন্দন সরেণ ,তৃতীয় হন অনন্তপুরের সোনাতন মুমু।অন্যদিকে মহিলাদের১০কিলোমিটার দৌড়ে প্রথম হন অনন্তপুরের সামনুর খাতুন ,জোস্না সরেণ ,প্রতিমা টুড়ু।তাঁদের হাতে নদগ ১০০০ হাজার ৭৫০,ও ৫০০টাকার পাশাপাশি সাটিফিকেট তুলে দেন টুআইসি কে কে মজুমদার ,বর্তমান ৪১ ব্যাটানিয়ানের টুআইসি পদে দায়িত্ব নেওয়া যাদব বাবুর স্ত্রী।

পরে টুআইসি কেকে মজুমদার প্রায় তিন বছরের কাজের অভিঞ্জতা দারুন লাগল।সিমান্ত এলাকার যুবকেরা যেন সেনা বিভাগে কাজে যোগদান করে তাঁর জন্য এগিয়ে আসবে বলে আশা করব।পাশাপাশি এমন অনুষ্টানের মধ্যে দিয়ে সিমান্ত এলাকার মানুষজনদের সঙ্গে বিএসএফদের সঙ্গে সুুসম্পর্ক গড়ে তোলার জন্য এমন অনুষ্টানের আয়োজন করা।
সিমান্ত এলাকার গ্রামবাসীদের সুুত্রেই যানা গেছে যে সদ্য ঘটে যাওয়া জেলায় যে বন্যা হয়েছিল সেই সময় গ্রামবাসীদের পাশে দাঁড়িয়ে ৪১নম্বর বিএসএফ ব্যাটালিয়ানের সাহায্য করেছিল।পাশাপাশি তাঁরা সিমান্ত এলাকায় একাধীক সময়ে বিভিন্ন ধরনের অনুষ্টান করে গ্রামবাসীদের সঙ্গে নিবির সম্পর্ক গড়ে তোলার চেষ্টা করে থাকে।
পুরুষদের ১৬কিলোমিটার ১ঘন্টা ৮মিনিটে শেষ করে দৌড়ে প্রথম হয় মল্লিকপুর সিমান্তবর্তি এলাকার তরুন যুবক মকুল রায় জানিয়েছেন প্রথম হবার লক্ষে অংশ গ্রহন করেছিলাম।খুবই ভালো লাগছে।এমন দৌড়ে সব সময় অংশ গ্রহন করব।
অনুষ্টানে দুই টুআইসি ছাড়াও ৪১ ব্যাটালিয়ানের অফিসার পবন কুমার সিংহ ,কুলদীপ রাজপুত ,রুদ্র সিং শেঠ ,রাকেশ দাইয়া সহ বিশিষ্ট জনেরা উপস্থিত ছিলেন।
এমন অনুষ্টানকে সিমান্ত এলাকাবাসীরা সাধুবাদ জানিয়েছেন।

 

Published in Malda-Dinajpur-2

দেস্ক ০৭ নবেম্বের ২০১৭ ঃ প্রতি বছরের মত এবছরও সিমান্ত এলাকায় গ্রামবাসীদের সঙ্গে আরো সুুসর্ম্পক গড়ে তোলার জন্য ৪১ নম্বর বিএসএফ ব্যাটালিয়ানের তরফে বিরাট ম্যারাথন দৌড়ের আয়োজন করেছিল জওয়ানেরা।এদিন কুশমন্ডির কাঁটাবাড়ি সিমান্তবর্তি এলাকা থেকে পুরুষদের জন্য ১৬ ও মহিলাদের জন্য ১০কিলোমিটার ম্যারাথন দৌড়টির সুুচনা করেন ৪১ব্যাটালিয়ান বিএসএফ ব্যাটালিয়ানের টুআইসি কেকে মজুমদার।সেখানে এই ব্যাটানিয়ানের সদ্য দায়িত্ব পাওয়া সস্ত্রীক টুআইসি এম যাদব ,সহ বিশিষ্ট জনেরা উপস্থিত ছিলেন।পুরুষদের ১৬কিলোমিটার ১ঘন্টা ৮মিনিটে শেষ করে দৌড়ে প্রথম হয় মল্লিকপুর সিমান্তবর্তি এলাকার তরুন মকুল রায় ,দ্বিতীয় হন অনন্তপুরের চন্দন সরেণ ,তৃতীয় হন অনন্তপুরের সোনাতন মুমু।অন্যদিকে মহিলাদের১০কিলোমিটার দৌড়ে প্রথম হন অনন্তপুরের সামনুর খাতুন ,জোস্না সরেণ ,প্রতিমা টুড়ু।তাঁদের হাতে নদগ ১০০০ হাজার ৭৫০,ও ৫০০টাকার পাশাপাশি সাটিফিকেট তুলে দেন টুআইসি কে কে মজুমদার ,বর্তমান ৪১ ব্যাটানিয়ানের টুআইসি পদে দায়িত্ব নেওয়া যাদব বাবুর স্ত্রী।

পরে টুআইসি কেকে মজুমদার প্রায় তিন বছরের কাজের অভিঞ্জতা দারুন লাগল।সিমান্ত এলাকার যুবকেরা যেন সেনা বিভাগে কাজে যোগদান করে তাঁর জন্য এগিয়ে আসবে বলে আশা করব।পাশাপাশি এমন অনুষ্টানের মধ্যে দিয়ে সিমান্ত এলাকার মানুষজনদের সঙ্গে বিএসএফদের সঙ্গে সুুসম্পর্ক গড়ে তোলার জন্য এমন অনুষ্টানের আয়োজন করা।
সিমান্ত এলাকার গ্রামবাসীদের সুুত্রেই যানা গেছে যে সদ্য ঘটে যাওয়া জেলায় যে বন্যা হয়েছিল সেই সময় গ্রামবাসীদের পাশে দাঁড়িয়ে ৪১নম্বর বিএসএফ ব্যাটালিয়ানের সাহায্য করেছিল।পাশাপাশি তাঁরা সিমান্ত এলাকায় একাধীক সময়ে বিভিন্ন ধরনের অনুষ্টান করে গ্রামবাসীদের সঙ্গে নিবির সম্পর্ক গড়ে তোলার চেষ্টা করে থাকে।
পুরুষদের ১৬কিলোমিটার ১ঘন্টা ৮মিনিটে শেষ করে দৌড়ে প্রথম হয় মল্লিকপুর সিমান্তবর্তি এলাকার তরুন যুবক মকুল রায় জানিয়েছেন প্রথম হবার লক্ষে অংশ গ্রহন করেছিলাম।খুবই ভালো লাগছে।এমন দৌড়ে সব সময় অংশ গ্রহন করব।
অনুষ্টানে দুই টুআইসি ছাড়াও ৪১ ব্যাটালিয়ানের অফিসার পবন কুমার সিংহ ,কুলদীপ রাজপুত ,রুদ্র সিং শেঠ ,রাকেশ দাইয়া সহ বিশিষ্ট জনেরা উপস্থিত ছিলেন।
এমন অনুষ্টানকে সিমান্ত এলাকাবাসীরা সাধুবাদ জানিয়েছেন।

 

Published in Malda-Dinajpur-2

ফটো গ্যালারী

Market Data

সম্পাদকের কথা

ফ্যান ছবিতে দেখা যাবে ১৭ বছরের শাহরুখকে

ফ্যান ছবিতে দেখ...

ডেস্ক: ছবির নাম যখন ফ্যান, আর অভিনয়ে যখন...

ধর্মীয় মৌলবাদীদের হামলায় খুন লেখক অভিজিৎ রায়

ধর্মীয় মৌলবাদীদ...

ঢাকা: একুশের বইমেলা থেকে ফেরার পথে ঢাকা ...

উদাসী হাওয়ায় গা ভাসিয়ে বলতেই পারেন, ""হোলি হ্যায়''!!!

উদাসী হাওয়ায় গা...

শান্তিনিকেতনে বসন্ত উত্সবের সূচনা হয় প্র...

বিবাহ বন্ধনে আবব্ধ হতে চলেছেন খ্যাতনামা অফ-স্পিনার হরভজন সিংহ

বিবাহ বন্ধনে আব...

কার্ত্তিক চন্দ্র পাল : ভারতের খ্যাতনামা ...

আপগ্রেড করুন

« November 2017 »
Mon Tue Wed Thu Fri Sat Sun
    1 2 3 4 5
6 7 8 9 10 11 12
13 14 15 16 17 18 19
20 21 22 23 24 25 26
27 28 29 30      

MC News

Contact Us

Email: This email address is being protected from spambots. You need JavaScript enabled to view it.

Face Book: /newsbazar24 

Helpline No- 09434219594/9126173604