Share on whatsapp
Share on twitter
Share on facebook
Share on email
Share on telegram
Share on linkedin

Murshidabad News:মুর্শিদাবাদে কংগ্রেসের গড়ে ভাঙ্গন, ভরতপুর গ্রাম পঞ্চায়েত হাতছাড়া কংগ্রেসের

Share on whatsapp
Share on facebook
Share on twitter
Share on email
Share on telegram
Share on linkedin

Newsbazar24:লোকসভা ভোটের আগে কংগ্রেসের গড়ে ভাঙ্গন। মুর্শিদাবাদের একটি গ্রামপঞ্চায়েত হাতছাড়া হল কংগ্রেসের। বহরমপুর লোকসভা কেন্দ্রে শক্তি বৃদ্ধি হল ঘাসফুল শিবিরের বলে দাবি তাদের।
রবিবার মুর্শিদাবাদ জেলার ভরতপুর ১ ব্লকের, কংগ্রেসের ভরতপুর পঞ্চায়েত প্রধান সহ পাঁচজন কংগ্রেস ও সিপিএম সদস্য যোগ দিলেন ঘাসফুল শিবিরে।
ফলে পঞ্চায়েতে সংখ্যালঘু হয়ে কংগ্রেস সিপিএম জোট। দলের একাংশকে দোষারোপ করে তৃণমূল কংগ্রেসে যোগদান বলে দাবি নবাগতদের।
প্রসঙ্গত, এবারের পঞ্চায়েত নির্বাচনে ওই পঞ্চায়েতের মোট ২৮টি আসনের মধ্যে কংগ্রেস একাই ১৫টি আসন পেয়েছিল। অপরদিকে সিপিএম ২টি ও তৃণমূল কংগ্রেস পেয়েছিল ১১টি আসন। পঞ্চায়েতে কংগ্রেস ও সিপিএম জোটবদ্ধভাবে বোর্ড গড়ে। পঞ্চায়েত প্রধান হন কংগ্রেসের অনিতা মণ্ডল।
কিন্তু এদিন ওই পঞ্চায়েত প্রধান সহ কংগ্রেস সদস্য সাগরিকা সাহা ও চাইনা খাতুন শাসকদলে যোগ দেন। সিপিএমের আহাদুন খাতুন ও মালতি হাজরাও নিজেদের দল ছেড়ে যোগ দিলেন ঘাস ফুল শিবিরে। স্থানীয় করন্দি গ্রামে একটি যোগদান সভায় নবাগতরা ভরতপুর বিধায়ক হুমায়ুন কবীর ও ভরতপুর১ তৃণমূল কংগ্রেসের ব্লক সভাপতি নজরুল ইসলামের হাত থেকে তৃণমূলের পতাকা নিয়ে শাসকদলে যোগ দেন।
এদিন বিধায়ক বলেন, এই এলাকার মানুষ উন্নয়নের সঙ্গে থাকতে ভালবাসেন। এখানকার পঞ্চায়েত প্রধান সহ অন্যান্য সদস্যরা সেটা বুঝতে পেরেছিলেন। কংগ্রেস সিপিএমের সঙ্গে থাকলে এলাকায় কোন উন্নয়ন হবে না। তাই উনারা আমাদের দলে এলেন। এলাকার উন্নয়নের স্বার্থে আমার বিধায়ক তহবিল থেকে ৩০ লক্ষ টাকার কাজ করার অঙ্গিকার করছি।
পঞ্চায়েত প্রধান বলেন, কংগ্রেসের সঙ্গে থেকে কোন কাজ করা যাচ্ছিল না। কংগ্রেসের পঞ্চায়েত সদস্যদের একাংশ বিভিন্ন কাজে বাধা সৃষ্টি করছিল। ওদের মধ্যে থেকে কোন উন্নয়ন করা যাচ্ছিল না। তাই উন্নয়নে সামিল হতে ঘাসফুলে যোগ দিলাম।
কংগ্রেসের ভরতপুর ১নম্বর ব্লকের সভাপতি তথা প্রাক্তন ভরতপুর বিধায়ক কমলেশ চট্টোপাধ্যায় বলেন, কংগ্রেসকে চরম ভয় করে তৃণমূল কংগ্রেস। ওই দলটার কাজই হল বিরোধীদের ভাঙিয়ে নিজেদের দলে টানা। এক্ষেত্রেও তাই হয়েছে। কিন্তু এই যোগদানে কংগ্রেসের কোন ক্ষতি হবে না। লোকসভা ভোটে এলাকার মানুষ কংগ্রেসের পাশেই থাকবেন।
এদিকে তৃণমূল কংগ্রেসের ভরতপুর ১ নম্বর ব্লকের সভাপতি নজরুল ইসলাম বলেন, লোকসভা ভোটের আগে এই যোগদান কংগ্রেসকে ব্যাকপুটে ফেলে দিয়েছে। এটা সবে শুরু। কিছুদিনের মধ্যে কংগ্রেসের অস্তিত্ব এই এলাকায় থাকবে বলে মনে হয় না।

Share on whatsapp
Share on facebook
Share on twitter
Share on email
Share on telegram
Share on linkedin

সম্পর্কিত খবর