Newsbazar24:
পুরুলিয়া, ঝাড়গ্রাম, জঙ্গলমহল – একদম প্রস্তুত ভ্রমণ বিলাসীদের স্বাগত জানানোর জন্য। ভরা বর্ষায় চারিদিকে সবুজের মাঝে তিনদিকে তিনটি পাহাড় ঘেরা জলাধার। বেলপাহাড়ির বুকে রয়েছে এমন একটি জায়গা আগে কি কখনও গিয়েছেন এই স্থানে। বেলপাহাড়ি এসে এই স্থানটি না দেখলে আপনি মিস করবেন। জলাধারের অপরূপ শোভা। নামটা অদ্ভুত হলেও এই জলাধারের সৌন্দর্যে মুগ্ধ হবেন না, এমন মানুষ কমই আছেন। তিনদিকে তিনটি পাহাড় ঘেরা এই জলাধার পড়ন্ত বিকেল হয়ে ওঠে আরও মোহময়ী। আশপাশে রয়েছে শাল-মহুয়ার জঙ্গল। পাশ দিয়ে গিয়েছে কংক্রিটের সেতু। যেদিকে চোখ যায় শুধু সবুজ গাছ, তার মধ্যেই জলাধার। স্থানীয়রা একে খ্যাঁদারানি ড্যাম বলেন। শাল মহুয়ার ঘেরা জঙ্গলের মধ্যে রয়েছে খ্যাঁদারানি হ্রদ। তার এমন নাম কেন, জানা নেই। তবে পড়ন্ত বিকেলে খ্যাঁদারানির সৌন্দর্য মন ভরিয়ে দেবে। হ্রদের পাশেই রয়েছে একটি কংক্রিটের সেতু। সেখান থেকেই পাহাড়ের কোলে সূর্যের টুপ করে ডুব দেওয়া দেখতে দিব্যি লাগবে।
জায়গাটির আশপাশে তেমন জনবসতি নেই। এক দিকে জঙ্গলের মধ্যে হ্রদ, অন্য দিকে ঢেউ খেলানে সবুজ প্রান্তর। যা তাড়িয়ে তাড়িয়ে উপভোগ করতে পারবেন এখানে। মাত্র বছর দশেক পিছিয়ে গেলে ভারি বুটের আওয়াজে গমগম করত ছে এই স্থানের নাম শুনলেই প্রথমেই মাথায় আসত মাওবাদীদের কথা। মাও-ভয়ে জুজু হয়ে থাকা সেই বেলপাহাড়ি এখন পর্যটকদের কোলাহলে মুখর। গোটা জঙ্গলমহলে একের পর এক পর্যটন কেন্দ্র বর্ষায় পর্যটকে ঠাসা। কীভাবে যাবেন-খ্যাঁদারানি হ্রদে। প্রথমে ট্রেনে বা বাসে ঝাড়গ্রাম। সেখান থেকে মাত্র ৩৭ কিমি পথ বেলপাহাড়ি।সেখান থেকে জলাধারের দূরত্ব মোটামুটি ৯ কিমি। বেলপাহাড়ি থেকে হদরা মোড় হয়ে গোয়ালবেড়া গ্রাম। এর পর ডানদিকে গাড়ি ঘুরিয়ে কিছুটা কাঁচা রাস্তা। জঙ্গল পাথুরে ও মোরামের পথ পেরোলেই পৌঁছে যাবেন খ্যাঁদারানি হ্রদে।






