Newsbazar24:কন্যা সন্তানদের ভবিষ্যতের আর্থিক নিরাপত্তা দিতে নরেন্দ্র মোদী সরকার ২০১৫ সালে সুকন্যা সমৃদ্ধি যোজনা শুরু করেন। কেন্দ্রীয় সরকারের জনকল্যানমুখী প্রকল্পগুলির মধ্যে একটি হল সুকন্যা সমৃদ্ধি যোজনা। কন্যার শিক্ষা কিংবা বিয়ের জন্য অর্থের ব্যবস্থা করতে সক্ষম এই প্রকল্পে এখন শুধুমাত্র পিতামাতা কিংবা আইনি অভিভাবকরা অ্যাকাউন্ট পরিচালনা করতে পারেন।
সুকন্যা সমৃদ্ধি যোজনার অ্যাকাউন্টের নিয়ম কেন্দ্রীয় অর্থ মন্ত্রক একটি বড়সড় পরিবর্তন আনল।
এই প্রকল্পে আগে নিয়ম ছিশ এই অ্যাকাউন্ট ঠাকুরদা কিংবা অন্য কোনও অভিভাবকও খুলতে পারেন। নতুন নির্দেশিকায় রয়েছে, দাদু-ঠাকুমা এই অ্যাকাউন্ট খুললেও, তাঁরা যদি লিগাল গার্জিয়ান না হন, তাহলে লিগান গার্জিয়ানের হাতে ওই অ্যাকাউন্ট হস্তান্তর করতে হবে। এর জন্য দরকার কন্যা সন্তানের জন্ম শংসাপত্র এবং মেয়ের সঙ্গে সম্পর্কের প্রমাণ হিসাবে অন্যান্য আইনি নথিপত্র সঙ্গে দিতে হবে ব্যাঙ্কের পাশবই-সহ একাধিক প্রমাণ। পাশাপাশি অ্যাকাউন্ট স্থানান্তরের জন্য ফর্ম পূরণ করতে হবে। দাদু-ঠাকুমা অর্থাৎ যাঁরা এই অ্যাকাউন্ট খুলেছিলেন এবং যাঁদের হাতে তা হস্তান্তর করা হচ্ছে, তাঁদের সাক্ষর প্রয়োজন হবে। পোস্ট অফিস বা ব্যাংক যেখানে এই অ্যাকাউন্ট খোলা হয়েছে তারা সবকিছু দেখে ঠিকঠাক পেলেই তবেই লিগাল গার্জিয়ানের হাতে অ্যাকাউন্ট হস্তান্তর করা হবে। এই প্রকল্পে দুটি অ্যাকাউন্ট খোলা হলে অনিয়মিত অ্যাকাউন্ট বন্ধ করতে হবে। উল্লেখ্য, আগামী মাস থেকেই বদলে যাচ্ছে সুকন্যা সমৃদ্ধি, পিপিএফ সহ একাধিক ক্ষুদ্র বিনিয়োগের কিছু নিয়ম। আগামী ১ অক্টোবর থেকেই নতুন নিয়ম কার্যকর হবে।
সরকারি এই প্রকল্পে মাত্র ২৫০ টাকা দিয়ে অ্যাকাউন্ট খোলা যায়। সরকার এই প্রকল্পে সুদ দিয়ে থাকে ৮.২ শতাংশ। এটি একটি দীর্ঘ মেয়াদি পরিকল্পনা। যা কন্যাদের কোটিপতি পর্যন্ত বানাতে পারে।এই প্রকল্পে ত্রৈমাসিকের ভিত্তিতে সুদ নির্ধারিত হয়। কন্যার ১৮ বছর বয়স হওয়ার পরে ওই অ্যাকাউন্ট থেকে পড়াশোনার জন্য প্রথম টাকা তোলা যাবে। শিক্ষার জন্য অ্যাকাউন্টে জমা থাকা ব্যালেন্সের মাত্র ৫০ শতাংশ তোলা যায়। তবে প্রমাণ হিসেবে শিক্ষা সংক্রান্ত নথি জমা দিতে হয়। বছরে একবার এবং পাঁচ বছরের জন্য কিস্তিতে টাকা তোলা যায়।





