SSC Scam: নিয়োগ দুর্নীতিতে বিস্ফোরক তথ্য সিবিআইর হাতে, অযোগ্যদের তালিকা পাঠিয়েছিল খোদ এসএসসি

Newsbazar24:এসএসসি নিয়োগ দুর্নীতি মামলায় এবার চাঞ্চল্যকর তথ্য সামনে এল। সূত্রে জানা গেছে নিয়োগ দুর্নীতির তদন্তে নেমে সিবিআই অযোগ্যদের চাকরির দেওয়ার ইমেলের কপি উদ্ধার করেছে। প্রসঙ্গত কলকাতা হাইকোর্টের ডিভিশন বেঞ্চের রায়ে চাকরি বাতিলের নির্দেশে আপাতত স্থগিতাদেশ দিলেও অযোগ্যদের খুঁজে বের করতে সিবিআই তদন্ত বহাল রেখেছে সুপ্রিম কোর্ট। তদন্তে এবার নয়া মোড়। অযোগ্যদের তালিকা নাইসাকে মেইল করেছিল এসএসসি।
সিবিআই সূত্রে জানা গেছে ইতিমধ্যেই অযোগ্যদের তালিকার হদিশ পেয়েছে তারা। এসএসসির সার্ভার থেকেই অযোগ্য শিক্ষক এবং স্কুলকর্মীদের তালিকা পেয়েছে সিবিআই। কমিশনের তরফে নায়সার তিনজনকে ইমেইল করা হয়েছিল। ইমেল গিয়েছিল নায়সার কর্তা নিলাদ্রি দাস, নায়েসার প্রাক্তন কর্তা পঙ্কজ বনশল ও নায়েসার এক কর্মী মুজাম্মিল হোসেনকে। এদের কাছে একাধিকবার মেল করা হয় অযোগ্যদের তালিকা। তদন্ত চালিয়ে সেই ইমেল সহ তালিকাই গোয়েন্দাদের হাতে এসেছে। নিয়োগ দুর্নীতি মামলায় আগেই উঠে এসেছিল নীলাদ্রি ও পঙ্কজ বনশলের নাম। তবে এবার মুজাম্মোল হোসেনের নামেরও হদিস পেল সিবিআই। কে এই মোজাম্মেল? অযোগ্যদের তালিকা কেন এই ব্যক্তিকে ইমেইল করেছিল কমিশন?
জানা গিয়েছে, নায়েসার অত্যন্ত প্রভাবশালী কর্মী মুজাম্মিল হোসেন। নায়সার হয়ে এসএসসি-র ও কমিশনের কর্তাদের সঙ্গে যোগাযোগ রাখতেন এই ব্যক্তি। ব্যক্তিগত স্তরেও মুজাম্মেলের সঙ্গে ঘনিষ্ঠ সম্পর্ক ছিল তৎকালীন শিক্ষাকর্তাদের।এসএসসি-র সার্ভারে এমন আরও ইমেল থাকতে পারে বলে ধারণা তদন্তকারীদের।
তবে সিবিআই গোয়েন্দারা মনে করছে, এই তালিকা থেকেই বোঝা যেতে পারে টাকার বিনিময়ে চাকরি পেয়েছেন কারা। এই তালিকা সামনে আসায় যোগ্যদের সুরাহা হতে পারে। এ বিষয়ে মামলাকারী আইনজীবীদের
অভিমত এটা সরকারের পূর্ব পরিকল্পিত দুর্নীতি। তদন্ত যত এগোবে আরও বিস্ফোরক তথ্য প্রকাশিত হবে। তাই তদন্ত আটকাতে সব চেষ্টা করা হয়েছে। আর যাদের নাম উঠে আসছে এদের বিরুদ্ধে তদন্ত করলে দেখবেন আরও অনেক রাঘববোয়ালের নাম সামনে আসবে।