Newsbazar24:
সকাল থেকেই ISF কর্মীরা ভাঙড়ে জমায়েত হয়েছিলেন ওয়াকফ সংশোধনি বিলের প্রতিবাদে। তেমন কোনো অশান্তি ছিল না। কিন্তু বিকেল হতেই কারা যেন অশান্তি শুরু করে দিলো। বাসন্তী হাইওয়ের কাছে শোনপুর বাজারে একটি নয়া ওয়াকফ আইনের প্রতিবাদে একটি বিক্ষোভ কর্মসূচি ছিল। সেই নিয়ে দফায়-দফায় উত্তেজনা আগেই ছিল। সেই প্রতিবাদের ঝাঁঝ বাড়ে বিকেলে। এই ঘটনায় পুলিশ কর্মীদের আহত হওয়ার অভিযোগ উঠে আসছে। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে নেমেছে RAF। জানা যাচ্ছে, নয়া ওয়াকফ আইন নিয়ে প্রতিবাদ দেখাচ্ছিলেন প্রতিবাদীরা। তখনই উত্তেজনা ছড়ায়। কেউ বা কারা পুলিশের গাড়ি ভাঙুচর ও তাতে আগুন লাগিয়ে দিয়েছে বলে অভিযোগ। এর আগে মুর্শিদাবাদের সুতি, জঙ্গিপুর, ধুলিয়ানে এইভাবে পুলিশের গাড়িতে আগুন লাগিয়ে দেওয়ার ছবি দেখেছিল বাংলা। এবার সেই একই চিত্র দেখা গেল ভাঙড়ে।
শুধু ভাঙড় নয়, ওয়াকফের প্রতিবাদে উত্তেজনা ছড়িয়েছে মৌলালির রামলিলা ময়দানে। এই ঘটনার দায় তৃণমূল চাপিয়েছে আইএসএফ-এর উপর। যদিও সমস্ত অভিযোগ উড়িয়েছেন বিধায়ক নওশাদ সিদ্দিকি। ক্যানিং পূর্বের বিধায়ক শওকত মোল্লা বলেন, “আমরা বারেবারে বলেছি আইএসএফ মানে সমাজ বিরোধী। আইএসএফ-এর নেতা মদতে যেভাবে পুলিশের গাড়িতে যেভাবে ভাঙচুর করা হয়েছে, তাতে সংখ্যালঘু হিসাবে আমার মাথা হেঁট হয়ে যাচ্ছে।” নওশাদ সিদ্দিকি বলেন, “পুলিশ যদি বলে এরা আইএসএফ-এর লোক তাহলে নিরপেক্ষতা নিয়ে প্রশ্ন উঠবে। পুলিশ যখন লাঠিপেটা করেছে সেই সময় তৃণমূলের লোকজন ঢুকে আগুন জ্বালিয়ে দিয়েছে। আমি বলছি ভিডিয়ো ফুটেজ দেখুন কারা কারা হিংসার সঙ্গে যুক্ত তাদের গ্রেফতার করুন।”



