Newsbazar24:
একসঙ্গে এতগুলো সাপ দেখে সকলেই চমকে ওঠেন। এলাকায় চাঞ্চল্য ছড়িয়ে পড়ে এই ঘটনায়। স্থানীয় যুবক সজীব মল্লিক। সাহস করে সাপগুলিকে উদ্ধার করে। সেগুলি বন দফতরের হাতে তুলে দেওয়া হয়েছে। শারীরিক পরীক্ষার পর সেগুলি জঙ্গলে ছেড়ে দেওয়া হবে বলে বন দফতর সূত্রে জানা গিয়েছে। ওই যুবক সজীব উদ্ধার করা সাপগুলিকে কৌটোয় ভরে মেমারির নদীপুরের বন দপ্তরের অফিসে নিয়ে যান। তিনি জানান, তাঁর সাপ ধরার অভ্যাস আছে। বাজার থেকে বাড়ি যাবার সময় উদয়পল্লী পশ্চিমপাড়ায় হৈচৈ শুনে দাঁড়িয়ে পড়েন। তারপর স্থানীয়দের সহায়তায় সাপগুলিকে বন দফতরের অফিসে পৌঁছে দেন তিনি। বন দফতর সূত্রে জানা গিয়েছে, একটি সাপ ছাড়া বাকিগুলি বাচ্চা। এগুলি ঘরচিতি নামেই পরিচিত।
এতো সাপ একসঙ্গে দেখে এলাকায় ভিড় জমে যায়। ইতিমধ্যে খবর দেওয়া হয় বনদপ্তরে। এলাকায় প্রচুর সাপ দেখা গিয়েছে জানাজানি হতেই জোর শোরগোল শুরু হয়ে যায়। কী করা উচিত ভেবে উঠতে পারছিলেন না কেউই। সেই সময় ওই এলাকা দিয়ে কাজে যাচ্ছিলেন সজীব মল্লিক। তিনি সবাইকে আশ্বস্ত করে সাপগুলিকে ধরার কাজ শুরু করেন। মাটি খুঁড়ে একটি একটি করে সাপ বের করেন এবং সেগুলিকে কৌটো বন্দি করেন। সব সাপ উদ্ধার হলে হাঁফ ছেড়ে বাঁচেন এলাকার বাসিন্দারা। এরপর সাপগুলি বন দফতরের হাতে তুলে দেওয়া হয়। বন দফতরের এক আধিকারিক বলেন, “এখন বাসিন্দারা অনেক বেশি সচেতন। এখন আর সাপ দেখলেই তা মেরে ফেলার প্রবণতা তেমন দেখা যায় না। এই সচেতনতা খুব ভালো। বাস্তুতন্ত্রে তার ইতিবাচক প্রভাব রয়েছে। আমরা সেকথা বাসিন্দাদের বোঝাচ্ছি। বেশিরভাগ সাপই বিষধর নয়। তাছাড়া নিরুপায় না হলে তারা ছোবল মারে না। তবে জমির আলে সাপ থাকতে পারে। সে ব্যাপারে সচেতন থাকতে হবে। এখন অনেকেই দক্ষতার সঙ্গে সাপ উদ্ধারের কাজ করছে। এক্ষেত্রেও এক যুবক এগিয়ে এসে সাপগুলি উদ্ধার করেছে”।





