Newsbazar24:
সুপ্রিম কোর্টের নির্দেশে পশ্চিমবঙ্গে একদিনে প্রায় ২৬ হাজার শিক্ষক ও শিক্ষাকর্মীর চাকরি যায়। এর ফলে বাংলার মাটি ভিজেছে চোখের জলে। আর অন্যদিকে স্কুলগুলো শিক্ষক শূন্য। স্কুল চলবে কি করে? প্রশ্ন সকলের। সুন্দরবনের প্রত্যন্ত পিছিয়ে পড়া এলাকা হিসাবে পরিচিত হিঙ্গলগঞ্জ ব্লক। তফসিলি অধ্যুষিত এলাকায় অন্যতম স্কুল হিসাবে কনকনগর সৃষ্টিধর ইনস্টিটিউশন অপরদিকে হিঙ্গলগঞ্জ হাইস্কুল। বৃহস্পতিবার সুপ্রিম কোর্টের এক রায়ে সেই স্কুলেই যেন একেবারে স্তব্ধতা। হিঙ্গলগঞ্জ হাই স্কুলে ১৫ জন শিক্ষক-শিক্ষিকার মধ্যে এক ঝটকায় পাঁচ জনই চাকরি খুইয়েছেন। যে কারণে সাজানো গোছানো স্কুলে দিনভর ছিল ছন্নছাড়া ভাব। স্কুলে পাঁচ জন শিক্ষকের চাকরি হারানোর ঘটনায় রীতিমতো মাথায় বজ্রপাত পড়ার মতো অবস্থা প্রধান শিক্ষকের।
সুন্দরবন এলাকার মধ্যে এই স্কুলের চাকরিহারা শিক্ষকদের মধ্যে অধিকাংশই বিজ্ঞান বিভাগের শিক্ষক ছিলেন। সুন্দরবন এলাকার হিঙ্গলগঞ্জের কনকনগর সৃষ্টিধর ইনস্টিটিউশনেও অঙ্ক, কম্পিউটার-সহ বিজ্ঞান বিভাগের একামাত্র শিক্ষকদের চাকরি হারার ঘটনা ঘটেছে। একটা সময় স্কুলের পক্ষ থেকেই এলাকার মানুষকে আশ্বস্ত করা হয় শুধুমাত্র বিজ্ঞান পড়ার জন্য হিঙ্গলগঞ্জ এবং পার্শ্ববর্তী এলাকা ছেড়ে দূরের স্কুলে গিয়ে পড়াশোনা করার দরকার নেই। শিক্ষকদের সেই ডাকে সাড়া দিয়ে অনেক অভিভাবক ভরসা রাখতে শুরু করেছিলেন। সেই কারণেই তিন বছরেই বিজ্ঞান শাখায় পড়া পড়ুয়ার সংখ্যা অনেকটাই বেড়ে গিয়েছে। এখনো সকলেই পড়েছেন বিপদে। অনেকে আশা করছেন আজ নেতাজি ইন্ডোর স্টেডিয়ামে মুখ্যমন্ত্রী হয়তো এর সমাধানের কোনো পথ দেখাবেন!





