Newsbazar24 :
এবার শিয়ালদা আদালতে CBI এর বিরুদ্ধে ৩৫ দফা অভিযোগ জানালেন তিলোত্তমার অভিভাবক। সিবিআই তদন্ত নিয়ে প্রশ্ন তুলে শনিবার ৫৭ পাতার একটি ফাইল বিচারককে জমা দিয়েছেন তাঁরা। দোষীর সর্বোচ্চ শাস্তির আবেদনের পাশাপাশি আরও কেউ জড়িত কিনা, তা নিয়ে জোরদার তদন্ত দাবি করেছে পরিবার। আদালতে শুনানিতে এদিন সওয়াল করেন ধৃত সিভিক সঞ্জয় রাইয়ের আইনজীবীও। সূত্রের খবর, তরুণীর পরিবারের তরফে এদিন মূলত ক্রাইম সিনের প্রমাণ লোপাট নিয়ে প্রশ্ন তোলা হয়েছে। আরজি কর হাসপাতালের প্রাক্তন অধ্যক্ষ সন্দীপ ঘোষ ও টালা থানার প্রাক্তন ওসি অভিজিৎ মণ্ডলের ভূমিকা নিয়ে প্রশ্ন তুলেছে নিহত চিকিৎসকের পরিবার। সিবিআইয়ের তদন্ত সংক্রান্ত নানান প্রশ্নও রয়েছে সেখানে। একাধিক অপরাধী জড়িত থাকার আশঙ্কার কথাই ফের আদালতের কাছে বললেন অভয়ার বাবা মা। প্রমাণ লোপাটে সন্দীপ ঘোষের ভূমিকা নিয়ে বিস্তর প্রশ্ন তোলা হয়েছে ফাইলে। পাশাপাশি সিবিআই কেন সাপ্লিমেন্টারি চার্জশিট দিতে পারেনি তাও বলা হয়।
এ ছাড়াও অভিযোগে বলা হয়েছে তিলোত্তমা যে চারজনের সঙ্গে রাতের খাবার খেয়েছে, তাদের হেফাজতে নিয়ে কেন জেরা করা হচ্ছে না? রাতে অভয়া ও সহকর্মীরা অনলাইনে অর্ডার করা খাবার খেয়েছিলেন বলে জানা গিয়েছিল। খাবার কোন অ্যাকাউন্ট থেকে অর্ডার করা হয়েছিল, ফুড ডেলিভারি অ্যাপের কাউকে জিজ্ঞেস করা হয়েছে কি না, বা ফুড কন্টেনার বাজেয়াপ্ত করা হয়েছে কি না, সিবিআই কেন প্রমাণ জোগাড়ের চেষ্টা করেনি, সেসব প্রশ্ন তুলেছে নিহত তরুণী চিকিৎসকের পরিবার। সার্বিকভাবে এই বিষয়গুলি মাথায় রাখলে সেমিনার হল অপরাধস্থল হতে পারে না, এমনটাই আদালতে বলল নিহতের পরিবার। অপরাধস্থল নিয়ে এদিন শিয়ালদহ আদালতে সওয়াল করেন ধৃত সিভিক ভলান্টিয়ার সঞ্জয় রাইয়ের আইনজীবীও। ফরেনসিক রিপোর্টের বেশকিছু অংশ তুলে ধরে এদিন একাধিক প্রশ্ন রাখেন তিনি। আরজি করকাণ্ডে তাঁকে একা বলির পাঁঠা করা হচ্ছে বলে সরব হয়েছিল সঞ্জয় রাই ।



