Newsbazar24 :
গত ৬ ও ৭ মার্চ বাংলাদেশের নদী সংক্রান্ত ১১ জন প্রতিনিধি ভারতীয় প্ররিনিধিদের সঙ্গে নদী নিয়ে আলোচনা করেন। জানা গিয়েছিলে মূলত তিস্তা জল প্রকল্প নিয়েই তাঁরা আলোচনা করতে এসেছেন। কিন্তু সূত্র মারফত জানা যাচ্ছে, তিস্তা নিয়ে তেমন কোনো উল্লেখযোগ্য আলোচনা হয় নি। আলোচনা হয়েছে মহানন্দা নদীর জল প্রকল্প নিয়ে। প্রসঙ্গত, হাসিনা সরকারের শাসনকালে ভারত-বাংলাদেশের মধ্যে মোটের উপর বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্কই ছিল। কিন্তু শত চেষ্টাতেও সফল হয়নি তিস্তা চুক্তি। বাংলাদেশের সঙ্গে জলবন্টন নিয়ে এবারের দ্বিপাক্ষিক বৈঠকেও তিস্তার জলবণ্টন নিয়ে কোনও আলোচনাই হল না বলেই খবর। বরং বাংলাদেশ থেকে আগত সে দেশের নতুন সরকারের প্রতিনিধি দল মহানন্দা নদীর উপর বাঁধের কারণে তাঁদের দেশের বেশ কিছু নদীতে জল কমছে বলে জানান। রাজ্য সরকার সূত্রের খবর, মহানন্দা নদীর জলের প্রবাহ এ রাজ্যের ভিতরে অন্তর্মুখী। জলের উপর প্রবাহ নির্ভরশীল। ফলে প্রবাহ পরিবর্তন হলে এ রাজ্যের দিকেই হবে। বাংলাদেশের দিকে নয়। যদিও বৈঠকে এ প্রসঙ্গ ওঠায় রাজ্য বিষয়টি খতিয়ে দেখার আশ্বাস দেওয়া হয়েছে।
বাংলাদেশের প্রতিনিধি দলে ছিলেন দলে ছিলেন মোট ১১ সদস্য। যাঁর মাথায় ছিলেন বাংলাদেশের নদী কমিশন (জেআরসি)-এর সদস্য মুহাম্মদ আবুল হোসেন। তাঁরা ফারাক্কা ব্যারেজ ঘুরেও দেখেন। সেখান থেকে ফিরে সোজা আসেন কলকাতায়। সেখানেই ৬ ও ৭ মার্চ ভারত-বাংলাদেশ যৌথ নদী কমিশনের বৈঠকে যোগ দেন। সূত্রের খবর, কেন্দ্রীয় প্রতিনিধি দল, রাজ্য সরকারের সেচ এবং জনশক্তি দফতরের সচিব এবং বাংলাদেশের প্রতিনিধিদল এই বৈঠকে অংশ নেন। ত্রিপাক্ষীয় এই বৈঠকে তিস্তা এবং গঙ্গার জল বণ্টন চুক্তি নিয়ে আলোচনা হওয়ার কথা ছিল। কিন্তু কথা হল না তিস্তা নিয়ে।



