Newsbazar24 :
ব্যাপাটার গল্প বেশ বড়ো। শুধু টাকা হাতিয়ে সেই টাকা দিয়ে একটা মোষ কিনবে – এই ছিল আসমার লক্ষ্য। রবিবার উত্তরপ্রদেশের হাসানপুরের এক কলেজে সরকারি উদ্যোগে ধুমধাম করে গণবিবাহ শুরু হয়েছিল। সেই সময় আচমকা একদল লোক ওই মহিলার বিরুদ্ধে অভিযোগ করেন, সরকারি অনুদানের টাকা পেতেই নাকি তিনি ধোঁকা দিয়ে বিয়ে করছেন। খবরে প্রকাশ,অভিযুক্ত তরুণীর নাম আসমা। বছর তিনেক আগে নূর মহম্মদের সঙ্গে বিয়ে হয় তাঁর। যদিও একাধিক কারণে দাম্পত্যে ফাটল ধরে। মাস ছয়েক আগে বাপের বাড়িতে ফিরে আসেন তরুণী। বর্তমানে আদালতে বিচ্ছেদের মামলা চলছে। বাপের বাড়িতে থাকাকালীন আসমা জানতে পারেন, সরকার একটি গণবিবাহের আয়োজন করছে। শুধু তা-ই নয়, মুখ্যমন্ত্রী যোগী আদিত্যনাথ গণবিবাহ প্রকল্পের অধীনে কনেকে ৩৫ হাজার টাকা করে দেবেন।
একথা শোনা মাত্র আসমা ঠিক করেন, নিজের কাকার ছেলে জাবের আহমেদকে বিয়ে করবেন তিনি। টাকা, উপহার পাওয়া যায়। সেই মতোই রবিবার উত্তরপ্রদেশের হাসানপুরের কলেজে সরকারি গণবিবাহ অনুষ্ঠানে হাজির হন তরুণী। যেখানে ৩০০ জন বর-কনের বিয়ের কথা ছিল। যদিও মাঝপথে ভেস্তে যায় আসমার পরিকল্পনা। তাঁর শ্বশুরবাড়ির লোকেরা জানিয়ে দেয় আসমা বিবাহিত। তার পরও নিজেকে কুমারী বলে দাবি করে বিয়ে করছেন। তাঁরা বিয়ের অনুষ্ঠান বন্ধ করে দেন। এর ফলে ভেস্তে যায় আসমার বিয়ের পরিকল্পা। ৩৫ হাজার টাকা হাতে না আসায় মহিষ কেনাও হয়নি তরুণীর।







