Newsbazar24 :
বাবা ও তার ছেলে – দুজনেই সেনা বাহিনীতে অংশ নিয়ে লড়াই করেছে পকিস্তানের বিরুদ্ধে। একজন ৭১-এর মুক্তিযুদ্ধে। আর একজন ১৯৯৯ -এর মে মাসে কারগিল যুদ্ধে। তারা দু-জন বাবা ছেলে। পাকিস্তানকে জবাব দিতে বাবার হাতে ছিল থ্রি নট থ্রি রাইফেল। আর ছেলের হাতে ছিল ইনসাস। তবে তারা সম্মুখ সমরে লড়েননি। কিন্তু সেনাবাহিনীর সিগন্যাল বিভাগে কাজ করে শত্রুপক্ষের গোপন বার্তা দেশের সেনাবাহিনীর হেড কোয়ার্টারে পৌঁছে দিয়েছিল। আর এভাবেই ৭১ থেকে ১৯৯৯ মুক্তিযুদ্ধ থেকে কারগিলের যুদ্ধে পাকিস্তানকে ধরাশায়ী করেছিল ভারত। তারা থাকেন পুরুলিয়ার কোটশিলায়।
তবে এখানেই শেষ নয় ওই পরিবারের ইতিকথা। কুড়ি বছরের নাতি সেও কিন্তু যুদ্ধের জন্য প্রস্তুত হচ্ছেন। তিনি এখন এনডিএ-তে মহারাষ্ট্রের পুণেতে প্রশিক্ষণ নিচ্ছেন। আর বাবা ছেলে অতীতের সেই যুদ্ধ স্মৃতি আঁকড়ে যেন পাক সীমানাতেই পৌঁছে যেতে চাইছেন। তাই কোটশিলার দালান বাড়িতে যুদ্ধের আঁচ লেগেছে। প্রাক্তন সেনাকর্মী ভূতনাথ গড়াই গোয়ালিয়র থেকে সাম্বা সেক্টরে গিয়েছিলেন একাত্তরের যুদ্ধে পাকিস্তানকে জবাব দিতে। সেখানে রাভি নদীর উপর সেতুর পাশে জঙ্গলের বাঙ্কারে ছিলেন তিনি। সিগনাল কমিউনিকেশনের পাশাপাশি এই সেতু নজরদারিও কাজছিলেন আজকের ৭৮ বছরের বৃদ্ধের। যুদ্ধ শেষ হলে সংগ্রাম, মেডেল হাতে নিয়ে বাড়ি ফিরতে পেরেছিলেন ৮ মাস পর। অন্যদিকে ছেলে সুধীর কুমার গড়াই কারগিলের অপারেশন বিজয়ের অংশ নিয়ে ওই পাহাড়ের চূড়ায় দেশের পতাকা পুততে পেরেছিলেন। আর তার ছেলে তথা ভূতনাথ বাবুর নাতি কুড়ি বছরের শুভজিৎ আগ্নেয়াস্ত্র হাতে আরেক যুদ্ধের জন্য তৈরি হচ্ছে।





