Newsbazar24 :
নেই কোনো মঠ-মন্দির, নেই কোনো মূর্তি। কিন্তু আছে অগাধ ভক্তি আর শ্রদ্ধা। এই পুজো আসলে আদিবাসীদের প্রকৃতি পুজো। বলরামপুর চুটকিডি গামে গাছের তলায় পূজিত হয়ে থাকেন বলরামপুর গ্রাম দেবতা। এই গ্রাম থানে পুজো দেওয়ার জন্য বলরামপুরের বিভিন্ন জায়গা-সহ দূর-দূরান্ত থেকে কাতারে কাতারে মানুষ ভিড় করেন। নারী পুরুষ নির্বিশেষে আট থেকে আশি সকলেই এখানে পুজো দিতে আসেন। সকাল থেকেই লক্ষ্য করা যায় পুণ্যার্থীদের ভিড়। মাটির হাতি ঘোড়া এবং শাল ফুল নিবেদনের মধ্য দিয়ে পুজো করা হয় গ্রামদেবতাকে। এই গ্রামদেবতাকে ঘিরে দৃঢ় আস্থা-বিশ্বাস রয়েছে জনসাধারণের মনে। কথিত আছে মাটির হাতি, ঘোড়া নিবেদনের মধ্য দিয়ে গ্রাম দেবতার কাছে মানত করলে অবশ্যই তা পূরণ হয়।
আদিকাল থেকেই এই পুজো হয়ে আসছে। তাদের পূর্বপুরুষেরা এভাবেই পুজো করেছেন। তারাও সেই রীতিনীতি মেনে পুজো করছেন। কোনরকম মন্দির বা মূর্তি ছাড়া গাছের নিচেই পুজো করেন তারা। ভক্তরাও নিজেদের বিশ্বাসভক্তি নিয়ে এই পুজোয় অংশ নেন। ১০০ বছরের প্রাচীন এই পুজো। পশ্চিমবঙ্গের রাঢ় অঞ্চলে গ্রামদেবতার পুজোর রীতি ভীষণই প্রচলিত। মানুষের ধারণা গ্রামদেবতার পুজো করা হলে গোটা গ্রামের রক্ষা করেন তিনি। তাই পরিবারের কল্যাণে এই পুজো করে থাকেন অনেকেই। নারীদের পাশাপাশি পুরুষেরাও এই পুজোয় অংশ নেন।



