Newsbazar24:মহাকাশ গবেষণায় আরও এক নয়া পালক ভারতের। ইউরোপিয়ান স্পেস এজেন্সির সহযোগিতায় নির্মিত প্রোবা-৩ সূর্যের বাইরের বায়ুমণ্ডল পর্যবেক্ষণ করবে যা মহাকাশের আবহাওয়া নির্ধারণ করবে।
ভারতীয় মহাকাশ গবেষণা সংস্থার (ইসরো) ‘প্রোবা-৩’ মহাকাশযানটি বৃহস্পতিবার অন্ধ্রপ্রদেশের শ্রীহরিকোটার সতীশ ধাওয়ান স্পেস সেন্টারের স্যাটেলাইট নিয়ে মহাকাশের উদ্দেশে পাড়ি দেয় ইসরোর পোলার স্যাটেলাইট লঞ্চ ভেহিকেল বা পিএসএলভি এক্সএল (PSLV-XL) রকেট। ৫ কুইন্টাল ৫০ কেজি ওজনের এই রকেটটি ৪ ডিসেম্বর প্রপালশন সিস্টেমে ত্রুটির কারণে চালু হতে দেরি হয়।
প্রোবা কথার কথার অর্থ যা ‘প্রজেক্ট ফর অনবোর্ড অ্যানাটমি’ বোঝায়, ল্যাটিন ভাষায় এর অর্থ ‘লেটস ট্রাই’, ইসরো এবং ইউরোপীয় স্পেস এজেন্সির মধ্যে সহযোগিতার মধ্য দিয়ে এই নাম উঠে এসেছে।
প্রোবা-৩ হবে প্রথম মহাকাশযান যা এক মিলিমিটার পর্যন্ত ওড়ার সময় নির্ভুল সময়কে নির্দেশ দেবে। রকেটের দুটি উপগ্রহ, করোনাগ্রাফ এবং অকালটার, একে অপরের থেকে ১৫০ মিটার দূরে যাবে।
অকালটার একটি গ্রহণ-জাতীয় ঘটনা তৈরি করবে, যার মধ্যে এটি সূর্যের কেন্দ্রকে অবরুদ্ধ করবে যাতে করোনাগ্রাফ প্রয়োজনীয় যন্ত্রপাতি প্রেরণ করতে পারে এবং সূর্যের বাইরের রিমটি পর্যবেক্ষণ করতে পারে যা করোনা নামে পরিচিত – যা মহাকাশের আবহাওয়া নির্ধারণ করে।
এক্স হ্যান্ডেলে ইসরোর পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে , সফল উত্তোলন! সফলভাবে মহাকাশে পাড়ি দিল পিএসএলভি-সি৫৯ (PSLV-C59)। ইসরো-র প্রযুক্তিগত দক্ষতায় ইএসএ-র যুগান্তকারী প্রোবা-৩ স্যাটেলাইটকে নির্দিষ্ট কক্ষপথে স্থাপনের মধ্য দিয়ে এক আন্তর্জাতিক অভিযানের সূচনা হল৷ এটা, আন্তর্জাতিক সহযোগিতা এবং ভারতের মহাকাশ সাফল্যের সমন্বয় উদযাপনের এক গর্বের মুহূর্ত!’ ইউরোপিয়ান স্পেস এজেন্সির তরফে জানানো হয়েছে, সূর্যের থেকেও করোনোর তাপমাত্রা বেশি (১.৮ মিলিয়ন থেকে ৩.৬ মিলিয়ন ডিগ্রি ফারেনহাইট)। সেখান থেকেই সৌরজগতের আবহাওয়া নিয়ন্ত্রিত হয়। স্বভাবতই সেই জায়গা নিয়ে বিজ্ঞানীদের প্রচুর আগ্রহ আছে। আর ইসরোর ক্ষেত্রে সবথেকে বড় ব্যাপার হল যে ইতিমধ্যে সৌর মিশন চালাচ্ছে ভারতীয় মহাকাশ সংস্থা। ‘প্রোবা-৩’ মিশন থেকে যে তথ্য পাওয়া যাবে, তা আদিত্য-এল১ মিশনের ক্ষেত্রে কাজে লাগাতে পারবে।এই সফল উৎক্ষেপনের জন্য পিএসএলভি এবং প্রভা দলগুলিকে অভিনন্দন জানানো হয় এবং তাদের মিশনের লক্ষ্য অর্জনের জন্য সৌভাগ্য কামনা করা হয়।





