Newsbazar24:
মঙ্গলবার বিকেল ৫টার পড়ে মুখ্যমন্ত্রী আন্দোলনরত শিক্ষকদের প্রসঙ্গে সাংবাদিক সম্মেলন করেন। স্পষ্ট করে বললে বলতে হয় তিনি দু’কুল রক্ষার একটা চেষ্টা করেছেন।
মঙ্গলবার মুখ্যমন্ত্রী ছাড়াও নবান্নে উপস্থিত রয়েছেন শিক্ষামন্ত্রী ব্রাত্য বসু। বস্তুত, দেশের সর্বোচ্চ আদালত ইতিমধ্যেই পুরো প্যানেল বাতিল করে দিয়েছিল। নতুন করে পরীক্ষা নেওয়ার নির্দেশ দেয় কোর্ট। তবে ফের পরীক্ষায় বসতে নারাজ চাকরিহারারা। এবার মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় কী নির্দেশ দেন সেই দিকেই থাকছে নজর। আদালতের অর্ডার যদি আমি না মানি তাহলে চাকরিহারারা বিপদে পড়বেন। আমরা সাধ্যমত করে যাব। আমাকে আইন মেনে করতে হবে। এত ভয় পাচ্ছেন কেন? চাকরি করছেন, করে যান। চল্লিশ পেরিয়ে গেলে তাঁরাও পরীক্ষায় বসতে পারবে।
তিনি পড়ে আরও বলেন, এখনই এটা বলা উচিৎ নয় যে আমরা পরীক্ষা দেব না। এটা আমাদের অর্ডার নয়। কেউ কেউ নিজেদের স্বার্থে এই প্যানেল বাতিল করেছে। এখন তাঁরা বন্ধু হওয়ার চেষ্টা করছেন। সুপ্রিম আদেশ অনুযায়ী অপশন ১ কাজে লাগান, অপশন ২-টাও কাজে লাগান। অ্যাপ্লিকেশন ফেলে রাখুন। পরীক্ষা দিন। আর সুপ্রিম কোর্টে গরমের ছুটি কাটলে রিভিউ পিটিশন নিয়ে সওয়াল করব। কিন্তু বিচার আমার হাতে নেই। এর দায়িত্ব বিচারপতির হাতে। আপনারা স্কুলে যাচ্ছেন যান। তার মধ্যে পরীক্ষাতেও বসুন। তাঁর এই প্রস্তাবে রাজি নন যোগ্য প্রার্থীরা। এখন দেখার বিষয়টা কোন দিকে যায়!





