Newsbazar24:
একরাশ অভিযোগ নিয়ে আচার্য সদনের সামনে থেকে তিন আনশনকারী আনশন তুলে নিলেন। শান্তিপূর্ণভাবে আন্দোলনে ন্যূনতম সহযোগিতাটুকু তাঁরা পাচ্ছেন না বলে অভিযোগ। তাঁদের আরও দাবি, বায়ো টয়লেট পর্যন্ত রাখতে দিচ্ছে না পুলিশ। এমনকী তৃণমূল আশ্রিত দুষ্কৃতীকা সবসময় সেখানে নজরদারি চালাচ্ছে বলেও দাবি। এমতাবস্থায় স্বাস্থ্যের কথা ভেবেই অনশন প্রত্যাহারের সিদ্ধান্ত চাকরিহারা শিক্ষকদের। এদিন তারা বলেন, আরজি করকাণ্ডে চিকিৎসক আন্দোলনের মতোই শিক্ষকদের আন্দোলনও ভেস্তে দেওয়ার পরিকল্পনা চলছে। চতুর্থ দিনে তাই অনশন ভাঙতে বাধ্য হলেন তাঁরা। শক্তি সঞ্চয় করে পরে বৃহৎ আকারে আন্দোলন করা হবে বলেও জানান চাকরিহারা শিক্ষকরা।
সল্টলেকে আচার্য সদনের সামনে লাগাতার অনশন চালিয়ে যাচ্ছিলেন ৩ জন শিক্ষক ও শিক্ষাকর্মী। অনশনকারী শিক্ষক ও শিক্ষাকর্মীদের সঙ্গে অবস্থানে বসেছেন আরও বেশ কয়েকজন শিক্ষক, শিক্ষিকা ও শিক্ষাকর্মী। শনিবার গভীর রাতে অসুস্থ হয়ে পড়েন চাকরিহারা অনশনকারী শিক্ষক সুমন বিশ্বাস। তাঁকে সল্টলেকের একটি হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। পরে ছাড়া পেয়ে ফের অনশনে যোগ দেন তিনি। ওই শিক্ষকের অভিযোগ, রাত ২টো নাগাদ অসুস্থ বোধ করলে পুলিশের সাহায্য চাওয়া হয়। কিন্তু পুলিশ অসহযোগিতা করে বলে দাবি।





