Newsbazar24 :
শনিবার সন্ধ্যায় বেলঘরিয়ার ২৯ নম্বর ওয়ার্ডে এক তৃণমূল নেতাকে লক্ষ্য করে গুলি চালানোর কারণ নিয়ে পুলিশ সন্দীগ্ধ। যদিও নাগরিক মহলের ধারণা এই জাতীয় সব গন্ডগোলের পিছনে আছে একটিই কারণ – ‘টাকা আর টাকা’। এদিকে বেলঘরিয়া গুলিকাণ্ডের জেরে যখন চড়চড়িয়ে চড়ছে উত্তেজনার পারদ। সেই মুহূর্তে খুনের আশঙ্কা তুলে ভীতি প্রকাশ সেই ২৯ নম্বর ওয়ার্ডের কাউন্সিলর নির্মলা রাইয়ের। তাঁর কথায়, ‘এই ঘটনায় কারওর না কারওর হাত রয়েছে। না হলে ২৯ নম্বর ওয়ার্ডে কারওর এত সাহস নেই যে গুলি চালিয়ে পালাবে। আমি মুখ্যমন্ত্রী ছাড়া কাউকে এদের ব্যাপারে বলতে পারব না, কারণ আমি যদি মুখ খুলি, তাহলে আমার পরিবারের উপর হামলা হবে। আমি কাউন্সিলর হতেই পারি, কিন্তু কাউন্সিলর কি খুন হন না?’ কাউন্সিরের যদি এই অবস্থা হয়, তাহলে সাধারণ মানুষের কি অবস্থা হতে পারে তা সহজেই অনুমেয়।
একযোগে কামারহাটির বিধায়ক মদন মিত্রের বিরুদ্ধে সরব হয়েছেন বিরোধীরা। ঠিক কী কারণে বিকাশকে লক্ষ্য করে গুলি চালাল দুষ্কৃতীরা, তা এখনও ঠাওর করতে পারেনি পুলিশ। বিরোধীদের দাবি, এলাকার দখলের লড়াইয়ের মাঝে পড়েই গুলি খেয়েছেন তিনি। অবশ্য, সোমবার এই ঘটনায় আটক করা হয়েছে ভিকি যাদবকে। জানা গিয়েছে, তার বাইক নিয়ে বিকাশের উপর হামলা চালায় ইন্দাল যাদব। তবে সেই মূল অভিযুক্তকে চিহ্নিত করা গেলেও, এখনও তাকে পাকড়াও করতে পারেনি পুলিশ। একদিকে, এখন হাতের বাইরে মূল অভিযুক্ত। অন্যদিকে, খোদ কাউন্সিলরের এমন ভয়ের জেরে প্রশ্নের মুখে পড়েছে রাজ্যের নিরাপত্তা ব্যবস্থা। নির্মলার ‘ভয়ে’ অস্বস্তিতে খোদ তৃণমূলও। এদিন কামারহাটির পুরসভার চেয়ারম্যান গোপাল সাহার দাবি, ‘এরকম কোনও ঘটনাই ঘটেনি যে তিনি খুন হতে পারেন। এখানে এমন পরিস্থিতিটাই নেই।’ কাউন্সিলরের ‘ভয়’ নিয়ে মুখ খুলেছেন কামারহাটির বিধায়ক মদন মিত্রও। তৃণমূল কাউন্সিলরকে হুঁশিয়ারি দিয়ে মদনের দাবি, ‘এ ধরণের কথা বলো না। তুমি যদি বারবার খুনের ভয়ের কথা বলো, তা নিজেদের সরকারকেই কাঠগড়ায় দাঁড় করানো। এটা দলবিরোধীতা।’



