Newsbazar24 :
CBI হোক অথবা ED – এই দুই কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থা তদন্ত করে কিন্তু কিছুই প্রমাণ করতে পারে না। ফলে সকলেই জামিন পেয়ে যায়। প্রাথমিকে নিয়োগ দুর্নীতি মামলায় এবার সিবিআইয়ের মামলায় জামিন পেলেন অয়ন শীল। বিশেষ শর্তসাপেক্ষে তাঁর জামিন মঞ্জুর করেছে সিবিআইয়ের বিশেষ আদালত। হুগলির অয়ন শীলের আগেই ইডির মামলায় জামিন হয়েছিল। যদিও সিবিআইয়ের মামলায় জামিন হলেও এখনই তাঁর জেলমুক্তি হচ্ছে না। চূড়ান্ত চার্জশিট তারা কখনোই ঠিক মতো পেশ করে না অথবা করতে পারে না।
সাধারণ মানুষের বুঝতে অসুবিধা নেই যে অয়ন শীল মানেই দুর্নীতি। শুধুই প্রমাণ করতে পারে না ওরা। পুর নিয়োগ দুর্নীতি মামলাতেও অভিযুক্ত অয়ন শীল। সেই কারণে তাঁকে এখনও জেলে থাকতে হবে। শিক্ষক ও পুর নিয়োগ দুর্নীতির সবকটি মামলার অধিকাংশেই জামিন মিলেছে। আর একটি মামলায় জামিন হলেই সম্ভবত জেল থেকে বের হতে পারবেন অয়ন শীল। নিয়োগ দু্র্নীতি মামলায় ইডি ও সিবিআই তদন্তে নামে। ২০২৩ সালের মার্চ মাসে হুগলির অয়ন শীলকে গ্রেফতার করে ইডি। গ্রেফতারির আগে অয়নের বাড়ি, ফ্ল্যাট ও অফিসে তল্লাশি চালিয়ে দুর্নীতি সংক্রান্ত একাধিক নথিও উদ্ধার করে কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থা। ওএমআর শিটের জেরক্স কপিও মিলেছিল। ১০ লক্ষ টাকার ব্যক্তিগত বন্ডে কলকাতা হাইকোর্টের বিচারপতি শর্তসাপেক্ষে অয়নকে গত ডিসেম্বরে জামিন দেন। আর এবার সিবিআইয়ের মামলাতেও জামিন হল অয়নের।



