Newsbazar24:
সাধারণত সারিবদ্ধভাবে পর পর বেঞ্চ সাজানোই ক্লাসরুমের রীতি। আর এর থেকেই তৈরী হয় ফার্স্ট বেঞ্চর্স, লাস্ট বেঞ্চর্স ইত্যাদি শব্দগুলো। এবার আর রইলোনা সেই কথা। মালদহের বৈষ্ণবনগরে গঙ্গার ভাঙন দুর্গত এলাকার একটি মাদ্রাসায় পরীক্ষামূলকভাবে এই পদ্ধতিতে পাঠদান চালু করে কার্যত নজির গড়েছে। কেরলের ধাঁচে পঠনপাঠনের এই ব্যবস্থাপনা এযাবৎ মালদহের কোনও মাদ্রাসায় চালু করা হয়নি। জেলার মাদ্রাসাগুলির মধ্যে প্রথম নজির গড়ল বৈষ্ণবনগরের শিমুলতলা হাই মাদ্রাসা।
এমনটাই দাবি কর্তৃপক্ষের। শ্রেণিকক্ষে সেই ভাবেই অর্থাৎ ‘ইউ’ আকারে বেঞ্চ সাজানো হয়েছে। মালদহের বৈষ্ণবনগরের শিমুলতলা হাই মাদ্রাসা কর্তৃপক্ষ পরীক্ষামূলকভাবে এই পদ্ধতি চালু করে এলাকার বাসিন্দাদের প্রশংসা কুড়োচ্ছে। শিমুলতলা হাই মাদ্রাসার প্রধান শিক্ষক মোজাফফর আহমেদ বলেন, “সামনের বেঞ্চে বসা নিয়ে ছাত্রছাত্রীদের মধ্যে হুড়োহুড়ি পড়ে। কখনও মন কষাকষি, তো কখনও হাতাহাতিও হত। পিছনের সারিতে বসলে অনেকেই পাঠে মনোযোগ হারাত। এই সমস্যা দূর করতেই ‘নো মোর ব্যাকবেঞ্চার্স’ পদ্ধতি চালুর সিদ্ধান্ত নিয়েছি।” মালদহের জেলা বিদ্যালয় পরিদর্শক (মাধ্যমিক) বাণীব্রত দাস বলেন, “প্রথাগত বেঞ্চ বিন্যাসে কাউকে না কাউকে পিছনের সারিতে বসতেই হয়। এতে তারা পাঠ বুঝতে পারে না, শিক্ষক-শিক্ষিকারাও সবসময় নজরে রাখতেও পারেন না। এখন থেকে শ্রেণিকক্ষে বেঞ্চ সাজানো হবে ইংরেজি ‘ইউ’ আকারে।






