আসামে পাচারের আগেই বড়সড় সাফল্য! নকশালবাড়ির সাত ভাইয়া টোল প্লাজা সংলগ্ন এলাকা থেকে ১৯টি মহিষ উদ্ধার, গ্রেপ্তার তিন পাচারকারী
নিউজ বাজার ২৪ ডেস্কঃ আসামে পাচারের ছক ভেস্তে দিয়ে বড়সড় সাফল্য পেল নিরাপত্তা বাহিনী। গোপন সূত্রে পাওয়া খবরের ভিত্তিতে শিলিগুড়ি মহকুমা পরিষদের অন্তর্গত নকশালবাড়ি ব্লকের সাত ভাইয়া টোল প্লাজা সংলগ্ন এলাকায় অভিযান চালায় এসএসবি-র ৪১ নম্বর ব্যাটেলিয়নের জওয়ানরা। সেই অভিযানে একটি গাড়ি থেকে উদ্ধার করা হয়েছে মোট ১৯টি মহিষ। একই সঙ্গে গ্রেপ্তার করা হয়েছে তিন জন গবাদি পশু পাচারকারীকে।
এসএসবি সূত্রে জানা গিয়েছে, অভিযান চলাকালীন একটি আসন নম্বরযুক্ত গাড়িকে থামার নির্দেশ দেওয়া হয়। কিন্তু নির্দেশ অমান্য করে গাড়িটি টোল প্লাজা ভেঙে দ্রুত পালানোর চেষ্টা করে। এরপরই শুরু হয় এসএসবি জওয়ানদের সঙ্গে পাচারকারীদের ধাওয়া-পাল্টা ধাওয়া।
যান্ত্রিক গোলযোগে থমকে গেল ইসরোর PSLV! উৎক্ষেপণের পর বাড়ছে উৎকণ্ঠা
পালানোর সময় পাচারকারীরা ইচ্ছাকৃতভাবে এসএসবি-র গাড়িতে সজোরে ধাক্কা মারে বলে অভিযোগ। এই সংঘর্ষে এসএসবি জওয়ানদের গাড়িটি দুমড়ে-মুচড়ে যায় এবং দু’জন কনস্টেবল গুরুতরভাবে আহত হন। আহত জওয়ানদের দ্রুত উদ্ধার করে চিকিৎসার ব্যবস্থা করা হয়েছে এবং বর্তমানে তাঁদের চিকিৎসা চলছে।
পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে সঙ্গে সঙ্গে অভিযানে যুক্ত হয় নকশালবাড়ি থানার পুলিশ। যৌথ তৎপরতায় ওই গাড়িটিকে ধাওয়া করে শেষ পর্যন্ত আটক করা সম্ভব হয়। এই ঘটনায় গ্রেপ্তার করা হয়েছে তিন জনকে। ধৃতদের নাম নজরুল ইসলাম, মহম্মদ মনোজম এবং বিমান ঘোষ। পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, নজরুল ইসলাম আসামের বাসিন্দা, অন্যদিকে মনোজম ও বিমান ঘোষ নকশালবাড়ির বাসিন্দা। গ্রেপ্তারের পর ওই গাড়িতে থাকা সমস্ত মহিষ এসএসবি-র হাত থেকে পুলিশের কাছে হস্তান্তর করা হয়। নকশালবাড়ি থানা সূত্রে জানা গিয়েছে, উদ্ধার হওয়া ১৯টি মহিষ নকশালবাড়ি এলাকা থেকে আসামে পাচারের পরিকল্পনা করা হয়েছিল। এই পাচার চক্রের সঙ্গে আরও কেউ জড়িত রয়েছে কি না, তা খতিয়ে দেখছে তদন্তকারী দল।
পারদ পতনের ইঙ্গিত আলিপুরের, মকর সংক্রান্তিতে কনকনে শীতের পূর্বাভাস বাংলাজুড়ে
সোমবার ধৃত তিন জনকে শিলিগুড়ি মহকুমা আদালত-এ তোলা হবে। এই ঘটনার সঙ্গে যুক্ত পাচার চক্রের শিকড় কোথায় এবং এর পিছনে আরও বড় কোনও সংগঠন রয়েছে কি না, তা জানতে তদন্তে নেমেছে নকশালবাড়ি থানার পুলিশ ও এসএসবি।পুলিশ ও নিরাপত্তা বাহিনীর এই তৎপরতায় সীমান্ত এলাকায় গবাদি পশু পাচার রুখতে গুরুত্বপূর্ণ সাফল্য মিলেছে বলে মনে করছেন প্রশাসনিক আধিকারিকরা।





