রাজ্যে অবাধে বালি তোলার কাজ বন্ধ করতে পথে নামতে হলেও বিধায়ককে। সরকারি আধিকারিক তথা
বিএলআরওর কাছে স্মারকলিপি প্রদান করতে হল তাকে। ঘটনাটি ঘটেছে মুর্শিদাবাদ জেলার বড়ঞা ব্লকে। দীর্ঘদিন ধরেই অভিযোগ ছিল মুর্শিদাবাদ জেলার বড়ঞা ব্লকের অন্তর্গত বিভিন্ন এলাকায় মৌরাক্ষী নদীর ঘাটে অবাধে বালি মাফিয়ারা বালি তোলার কাজ চালাচ্ছে বেআইনিভাবে, যার জেরে ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে নদীর বাঁধ থেকে শুরু করে চাষযোগ্য জমি এমনকি নাব্যতা হারাচ্ছে ময়ুরাক্ষী এমনই অভিযোগ গ্রামবাসীদের কাছ থেকে পেয়ে শুক্রবার বড়ঞা বিধানসভা কেন্দ্রের বিধায়ক জীবন কৃষ্ণ সাহা ওই ব্লকের ভূমি ও ভূমি রাজস্ব দপ্তরের আধিকারিক প্রতীক রঞ্জন পাড়ির কাছে স্মারকলিপি প্রদান করলেন।।
নদীর বাঁকে অবৈধ বালি লুট, বন্যার আশঙ্কা বাড়ছে বড়ঞা ব্লকের আশপাশের গ্রামে। অবৈধ বালি খাদান থেকে বালি লুটের ছবি ধরা পরল আমাদের ক্যামেরায়। মুর্শিদাবাদ জেলা জেলার কান্দী মহকুমা এলাকায় ময়ূরক্ষী নদীর উপর এ ভাবে অবৈধ ভাবে বালি তোলা হচ্ছেচালান নিয়ে চলছে অবৈধ ভাবে বালি তোলার কাজ। দিনের পর দিন চলছে এই অনিয়ম। অপরিকল্পিত এই খননের জেরে বন্যার আশঙ্কা বাড়ছে বলে অভিযোগ গ্রামবাসীদের। বেআইনি বালি খাদানের প্রতিবাদও করেছেন গ্রামবাসীরা। কিন্তু তাতে কোনও কাজই হয়নি বলে অভিযোগ। নির্বিকার থাকার অভিযোগ প্রশাসনে জানিয়ে সুরাহা হয়নি। অবৈধ বালি খাদান থেকে বালি তোলা হচ্ছে বলে অভিযোগ। বৈধ বালি খাদানের বালি শেষে বেরিয়ে পড়েছে নদীর তলদেশের মাটি। তাই বালির কারবারিরা নদীর বাঁক এলাকায় গিয়ে বালি তোলা শুরু করে দিয়েছেন। এ রকম অবৈধ ভাবেই ময়ূরক্ষী নদীর বাঁক পথে বালি তুলে নেওয়া হচ্ছে। ময়ূরক্ষী নদীর এই বাঁকের যে এলাকার থেকে বালি তোলা হচ্ছে, তার পূর্ব দিকে বড়ঞাথানা। এলাকা। আবার নদীর উত্তর দিক । বিভিন্ন থানার সংযুক্ত এলাকার ফায়দা লুটছেন অবৈধ কারবারিরা। এই সুযোগকে কাজে লাগিয়েই এখানে দিন রাত চলছে বালি চুরি। আর এমন ভাবে বালি কেটে নেওয়া হচ্ছে যে নদীর তলদেশের মাটি বেরিয়ে পড়ছে। নদীর বাঁধের ধার থেকেই কোথাও ৩০-৪০ ফুট গর্ত করে বালি তুলে নেওয়া হচ্ছে বলে অভিযোগ। প্রশাসনিক সূত্রে জানা গিয়েছে, বড়ঞা সমস্ত বালিখাদান গুলি বন্ধ রাখা হবে। নদীতে গিয়ে সার্ভে করার পরই অনুমতি দেওয়া হবে বলে জানা গেছে প্রশাসন সূত্রে।



