news bazar24 :দিঘা-পুরী তো অনেক ঘুরলেন, এবার একটু অচেনা সৈকতে ঘুরে আসুন। বেশি দূরে নয়—কলকাতার একেবারে কাছেই রয়েছে এমন এক জায়গা, যাকে বলে মারকুন্ডি সৈকত বা মার্কন্দি সৈকত। দুটি নামেই পরিচিত ওড়িশার গঞ্জাম জেলার এই সুন্দর সমুদ্র তট।
বেরহামপুর শহর থেকে মাত্র ২০ কিলোমিটার দূরে অবস্থিত এই সৈকত এখনও পর্যটকদের কাছে একেবারেই অজানা। পথে যেতে হলে পেরোতে হয় গ্রামীণ ওড়িশার মনোরম প্রাকৃতিক দৃশ্য, যা যাত্রাকে আরও উপভোগ্য করে তোলে।
গোপালপুর সৈকতের থেকে মাত্র ১৬ কিলোমিটার দূরে অবস্থিত এই জায়গা। যেখানে গোপালপুরে সারাবছর পর্যটকের ভিড়, সেখানে মারকুন্ডি সৈকত এখনও শান্ত, নির্জন ও প্রাকৃতিক সৌন্দর্যে ভরপুর। এখানকার সমুদ্র, সূর্যাস্ত আর কাছাকাছি অবস্থিত শিবমন্দির—সব মিলিয়ে এক অন্যরকম অভিজ্ঞতা।
মারকুন্ডি শিবমন্দির থেকে সমুদ্রের দৃশ্য ও সূর্যাস্ত দুটোই দেখা যায়। স্থানীয়দের কাছে এই জায়গাটি খুব পরিচিত হলেও বাইরের পর্যটকরা এখনও খুব কমই আসেন। তাই এখানকার পরিবেশ এখনও অক্ষত ও নির্মল।
বর্তমানে সৈকতে বড় কোনও হোটেল বা রিসর্ট নেই, তবে গোপালপুর বা বেরহামপুরে থেকে সহজেই এখানে ঘুরে আসা যায়। সকাল ৮টা থেকে বিকেল ৫টা পর্যন্ত সৈকত খোলা থাকে। জুন থেকে শীতকাল পর্যন্তই এখানে ভ্রমণের সবচেয়ে ভালো সময়।
কীভাবে যাবেন:
প্রথমে পৌঁছাতে হবে বেরহামপুরে—ট্রেনে বা বাসে সহজেই পৌঁছে যাওয়া যায়। সেখান থেকে গাড়িতে প্রায় ২০ কিলোমিটার পথ পাড়ি দিলেই পৌঁছে যাবেন এই অচেনা সৈকতে। গোপালপুর থেকেও সহজেই গাড়িতে ঘুরে আসা যায়।
সপ্তাহান্তে যদি একটু নিরিবিলি প্রকৃতির কোলে সময় কাটাতে চান, আর দিঘা বা পুরীতে হোটেল না পান, তবে মারকুন্ডি সৈকত হতে পারে আপনার নতুন ডেস্টিনেশন। এখানে সমুদ্র, সূর্যাস্ত আর ওড়িশার গ্রামীণ সৌন্দর্য—সবকিছু মিলিয়ে তৈরি করে এক অনন্য অভিজ্ঞতা।






