বিধানসভা নির্বাচনের আগে মালদহে অস্ত্রের বড়সড় চালান উদ্ধার, আতঙ্ক ছড়াল সীমান্তবর্তী এলাকায়
নিউজ বাজার২৪ ডেস্ক ঃ বিধানসভা নির্বাচনের আগেই মালদহে বিপুল পরিমাণ আগ্নেয়াস্ত্র উদ্ধারের ঘটনায় তীব্র চাঞ্চল্য ছড়াল জেলাজুড়ে। পৃথক দুটি অভিযানে পুলিশ উদ্ধার করেছে মোট ১০টি পাইপগান, ৫টি সেভেন এমএম পিস্তল এবং ২৫ রাউন্ড কার্তুজ। এই ঘটনায় দু’জনকে গ্রেফতার করা হয়েছে। পুলিশের প্রাথমিক অনুমান, উদ্ধার হওয়া অস্ত্রগুলি বিহার থেকে পাচার করে আনা হয়েছিল এবং মালদহ-সহ আশপাশের এলাকায় বিক্রির উদ্দেশ্যেই আনা হচ্ছিল।
গোপন সূত্রে খবর, ইংরেজবাজারে প্রথম সাফল্য
পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, গোপন সূত্রে খবর পেয়ে ইংরেজবাজার থানার পুলিশ মিল্কি এলাকায় অভিযান চালায়। সেখান থেকেই মইনুল হাসান (২০) নামে এক যুবককে গ্রেফতার করা হয়। তল্লাশি চালিয়ে তাঁর কাছ থেকে উদ্ধার হয় ১০টি পাইপগান, ১টি সেভেন এমএম পিস্তল এবং ৫ রাউন্ড কার্তুজ।
পুলিশের দাবি, এত বিপুল পরিমাণ অস্ত্র নিয়ে যাওয়ার পিছনে স্পষ্টতই অস্ত্র বিক্রির পরিকল্পনা ছিল। তবে সেই পরিকল্পনা বাস্তবায়নের আগেই পুলিশের তৎপরতায় ধরা পড়ে যায় মইনুল।
রাতের অভিযান, কালিয়াচকে ধরা দ্বিতীয় অভিযুক্ত
অন্যদিকে, একই রাতে কালিয়াচক থানার পুলিশ সুজাপুর এলাকায় অভিযান চালিয়ে আনারুল হক (৪৫) নামে এক ব্যক্তিকে গ্রেফতার করে। তাঁর কাছ থেকে উদ্ধার হয়েছে ৪টি সেভেন এমএম পিস্তল ও ২০ রাউন্ড কার্তুজ।
দু’টি অভিযানের মিলিয়ে যে পরিমাণ অস্ত্র উদ্ধার হয়েছে, তা নির্বাচনের আগে নিরাপত্তা নিয়ে নতুন করে প্রশ্ন তুলছে।
কোথা থেকে এল অস্ত্র?
পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, মইনুলের বাড়ি মুর্শিদাবাদ জেলার লালগোলার মির্জাতপুরে, আর আনারুলের বাড়ি মালদা জেলার গোলাপগঞ্জে। তদন্তকারীদের প্রাথমিক অনুমান, এই অস্ত্রগুলি বিহার থেকে পাচার করে আনা হয়েছিল। সীমান্তবর্তী পথ ও মধ্যস্থতাকারীদের ভূমিকা খতিয়ে দেখা হচ্ছে।
একদিনের সিরিজ হারের পরও বিরতি নয়, রঞ্জিতে নামছেন শুভমন গিল
নির্বাচনের আগে নিরাপত্তা নিয়ে কড়া নজর
বিধানসভা নির্বাচনের মুখে এই ধরনের অস্ত্র উদ্ধার প্রশাসনের জন্য বড় সতর্কবার্তা বলেই মনে করছেন বিশেষজ্ঞরা। পুলিশের এক আধিকারিক জানান, “অস্ত্র পাচারের নেটওয়ার্ক ভাঙতেই ধারাবাহিক অভিযান চলছে। কারা এই অস্ত্রের ক্রেতা ছিল, কারা জোগানদার—সব দিক খতিয়ে দেখা হচ্ছে।”
বর্তমানে দুই অভিযুক্তকে জিজ্ঞাসাবাদ করা হচ্ছে। তাদের সঙ্গে আর কারা যুক্ত, বড় কোনও চক্র আছে কি না, তা জানতে তদন্ত আরও জোরদার করা হয়েছে। নির্বাচনের আগে জেলাজুড়ে নজরদারি আরও বাড়ানো হবে বলেই পুলিশ সূত্রে খবর।





