নিউজ বাজার২৪ ডেস্ক ঃ কলকাতাসহ দক্ষিণবঙ্গের বিস্তীর্ণ অংশে ধীরে ধীরে গরমের প্রভাব স্পষ্ট হতে শুরু করেছে। আবহাওয়া দফতরের পূর্বাভাস অনুযায়ী, আগামী কয়েকদিন তাপমাত্রা আরও ঊর্ধ্বমুখী থাকতে পারে। বুধবার শহরের সর্বোচ্চ তাপমাত্রা ২৮ ডিগ্রি সেলসিয়াসের কাছাকাছি এবং সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ১৫ ডিগ্রির আশেপাশে থাকার সম্ভাবনা রয়েছে। ফলে দিনের বেলায় হালকা গরম অনুভূত হলেও রাতের দিকে শীতের আমেজ কিছুটা টিকে থাকবে।
সাধারণত ফেব্রুয়ারির এই সময়ে শীতের আবহ আরও কিছুটা বজায় থাকে। তবে এবছর আবহাওয়ার চিত্র কিছুটা ভিন্ন। বিশেষজ্ঞদের মতে, প্রশান্ত মহাসাগরীয় অঞ্চলে সক্রিয় ‘লা নিনা’-র প্রভাবেই বিশ্বজুড়ে আবহাওয়ার অস্থিরতা দেখা দিচ্ছে। তার প্রভাব পড়ছে ভারতবর্ষ এবং পশ্চিমবঙ্গের আবহাওয়াতেও।
আবহাওয়া দফতর আগেই ইঙ্গিত দিয়েছিল যে এবারের শীত দীর্ঘস্থায়ী হতে পারে। কিন্তু বাস্তবে জানুয়ারির শেষ দিক থেকেই শীতের তেজ অনেকটাই কমে যায়। ফলে শীতের ঘাটতি স্পষ্ট হয়ে উঠেছে। একই সঙ্গে তাপমাত্রা দ্রুত বাড়তে শুরু করায় বিশেষজ্ঞদের একাংশ মনে করছেন, এ বছর গরমের প্রকোপ তুলনামূলক বেশি হতে পারে।
আরও পড়ুন-শীতের দাপট কমতেই মালদায় সময়ের আগেই আমের মুকুল, ভালো ফলনের আশায় চাষিরা
বিশ্বব্যাপী আবহাওয়ার পরিবর্তন এবং জলবায়ুর অস্বাভাবিকতার প্রভাব ভারতের উপরেও পড়ছে। আবহবিদদের মতে, মার্চ মাসের শুরু থেকেই গরমের প্রস্তুতি নেওয়া উচিত। তাপমাত্রা বৃদ্ধির এই প্রবণতা অব্যাহত থাকলে এ বছর তীব্র গরমের সম্মুখীন হতে হতে পারে রাজ্যবাসী।
সাধারণত দোল উৎসব পর্যন্ত হালকা শীতের আমেজ বজায় থাকে। কিন্তু চলতি বছরের পরিস্থিতি ভিন্ন ইঙ্গিত দিচ্ছে। পূর্বাভাস অনুযায়ী, দোলের আগেই তাপমাত্রা উল্লেখযোগ্যভাবে বাড়তে পারে। এমনকি এবারের দোল হতে পারে সাম্প্রতিক কালের অন্যতম উষ্ণ দোল উৎসব।
লা নিনার প্রভাবে বিশ্ব আবহাওয়ায় যে বড় পরিবর্তন ঘটেছে, তার প্রভাব থেকে পশ্চিমবঙ্গও মুক্ত নয়। এখন নজর থাকছে, তাপমাত্রা বৃদ্ধির এই ধারা কোথায় গিয়ে থামে এবং গ্রীষ্ম কতটা তীব্র রূপ নেয়।





