Newsbazar24 :কার্তিক মাসের অমাবস্যা তিথিতে হয় কালীপূজা। কোজাগরী পূর্ণিমার কৃষ্ণপক্ষের পঞ্চদশীতে। এর ঠিক আগের রাতে হয় ভূত চতুর্দশী। কেন বাংলায় উদযাপিত হয় ভূত চতুর্দশী? কোন কোন শাক খেতে হয় এদিন? চতুর্দশী তিথির ভরা অমাবস্যায় বাড়ির চারপাশে প্রদীপ জ্বাললে কাদের প্রবেশ আটকানো যায়?
বাঙালি ওই দিন চৌদ্দ শাক খেয়ে চৌদ্দপুরুষকে স্মরণ করেন। ভূত মানে অতীত। ভূত হলো প্রেতাত্মা। ভূত চতুর্দশীর দিনে বাঙালিরা ১৪ রকমের শাক খেয়ে ও বাড়িতে ১৪ টি প্রদীপ জ্বেলে এই দিনটিকে পালন করে। বলা হয় এদিন মৃত প্রেতাত্মারা পৃথিবীতে আসেন। এটা হিন্দুদের “হ্যালুইন উৎসব” । বিদেশে হ্যালুইন উৎসব পালন করা হয় মিষ্টিকুমড়োর ওপরের অংশ কেটে সমস্ত বের করে মিষ্টিকুমড়োর মধ্যে চোখ মুখ আঁকিয়ে তার মধ্যে মোমবাতি জালিয়ে রাখা হয়। মনে করা হয় এতে প্রেতাত্মারা খুশী হন। এছাড়া এদিন ভূতের সাজসজ্জা সেজে আনন্দ উৎসব করা হয়। হিন্দুদের উৎসব একেবারে অন্য নিয়মে। চৌদ্দ শাক খেয়ে দিনটি পবিত্র ভাবে পালন করে সন্ধ্যায়মৃত পূর্বপুরুষ দের উদ্দ্যেশে সাতটি প্রদীপ দেওয়া হয়। একে “যম প্রদীপ” বলে। বলা হয় এতে যমরাজ প্রসন্ন হয়ে মৃত ব্যাক্তির আত্মাকে মুক্ত করেন । সমস্ত পৃথিবীর মানুষ দের মতো হিন্দুরাও বিশ্বাস করে এই দিনটি তে মৃত আত্মারা পৃথিবীতে নেমে আসেন।



