হাসিনাকে ফেরত পাঠানো হবে কি না? জবাব দিলেন জয়শঙ্কর
এইচটি লিডারশিপ সামিটে এনডিটিভির সিইও রাহুল কানওয়াল ভারতের অবস্থান জানতে চান বিদেশমন্ত্রী এস জয়শঙ্করের কাছে—“হাসিনা কি যতদিন চান ততদিন ভারতে থাকতে পারবেন?”
জয়শঙ্করের জবাব, “তিনি একটি নির্দিষ্ট পরিস্থিতিতে ভারতে এসেছিলেন। ছাত্রজনতার বিক্ষোভের পর সম্ভাব্য বিপদের কথা ভেবেই তাঁর সেই সিদ্ধান্ত। তবে শেষ পর্যন্ত সিদ্ধান্তটি তাঁকেই নিতে হবে।”অর্থাৎ, ভারত সরাসরি কিছু না বললেও পরিষ্কার করেছে—হাসিনার অবস্থান তাঁর নিজের সিদ্ধান্ত, ভারতের নয়।
অবশেষে নাবালক সন্তানকে নিয়ে মালদা বর্ডার হয়ে বীরভূমের পথে অন্তঃসত্ত্বা সোনালী
ঢাকার দাবি—হাসিনাকে ফেরত চাই
বাংলাদেশের অন্তর্বর্তী সরকারের বিদেশ উপদেষ্টা তৌহিদ হোসেন জানিয়েছেন, “তিনি যেহেতু আদালতে দোষী সাব্যস্ত হয়েছেন, বিচার কার্যকর করতে তাঁকে ফেরত দেওয়া প্রয়োজন।”
তিনি আরও বলেন, হাসিনা-ইস্যু নিয়ে উত্তেজনা থাকলেও ভারত–বাংলাদেশ সম্পর্ক শুধুমাত্র এক বিষয়ে আটকে থাকবে না। সীমান্ত হত্যা, তিস্তার জলবণ্টনসহ বিভিন্ন দ্বিপাক্ষিক বিষয় একসঙ্গে চলবে।
সকালেই বাবরি মসজিদের শিলান্যাস রাতেই থানায় ডাকা হলো হুমায়ুন কে
বাংলাদেশের গণতান্ত্রিক ভবিষ্যৎ নিয়েও মত দিলেন জয়শঙ্কর
জয়শঙ্কর বলেন, “বাংলাদেশের মানুষ আগে নির্বাচনের প্রক্রিয়া নিয়ে অসন্তুষ্ট ছিল। সমস্যার মূল যদি নির্বাচন হয়, তবে প্রথম পদক্ষেপ হওয়া উচিত সুষ্ঠু নির্বাচন নিশ্চিত করা।” তিনি আরও জানান, ভারত প্রতিবেশী দেশের মঙ্গল ও স্থিতিশীলতাকে গুরুত্ব দেয়।
“গণতান্ত্রিক প্রক্রিয়া থেকে যা বের হবে, তার ভিত্তিতেই ভবিষ্যৎ সম্পর্কের দিক নির্ধারিত হবে।”
দ্বিপাক্ষিক সম্পর্কে বড় ধাক্কা পড়বে কি?
ঢাকার মতে, সম্পর্কের জটিলতা বাড়লেও দুই দেশের বহুমাত্রিক স্বার্থ অক্ষুণ্ণ থাকবে। তৌহিদের মন্তব্য—
“কোনও একটি বিষয় সম্পর্ক নির্ধারণ করবে না। আমাদের স্বার্থ–উদ্দেশ্য সবসময়ই থাকবে।” ভারতের পররাষ্ট্র দপ্তরের প্রতিক্রিয়া থেকেও বোঝা যাচ্ছে, দিল্লি চাইছে পরিস্থিতি শান্ত ও স্থিতিশীল থাকুক এবং সিদ্ধান্ত চাপিয়ে দিতে চাইছে না।





