ডিজিটাল ডেস্ক , নিউজ বাজার২৪ ঃ ২০২৬ সালের বিধানসভা নির্বাচনের আগে গাজোল বিধানসভা কেন্দ্রকে ঘিরে বিজেপির অন্দরমহলে গোষ্ঠীকন্দল প্রকাশ্যে চলে এল। প্রার্থী পদ পরিবর্তনের দাবিতে সোমবার গাজোল বিজেপির আয়োজিত বনভোজন কর্মসূচিতেই স্লোগান তুলে বিক্ষোভে ফেটে পড়েন দলের একাংশ নেতা-কর্মীরা।
জানা গিয়েছে, বনভোজন কর্মসূচিতে গ্রামাঞ্চল থেকে বিপুল সংখ্যক বিজেপি কর্মী-সমর্থকের উপস্থিতি ছিল। সেখানেই রাজ্য ও জেলা নেতৃত্বের উদ্দেশে স্পষ্ট বার্তা দেওয়া হয়—বর্তমান বিধায়ককে আবার টিকিট দিলে পাল্টা নির্দল প্রার্থী দেওয়া হবে। তাঁদের দাবি, গাজোল বিধানসভা কেন্দ্রে বিজেপির বর্তমান বিধায়কের পরিবর্তন জরুরি।
মালদহে শিল্পের অগ্রগতি খতিয়ে দেখতে দশ আইএএস ট্রেনি অফিসার
এই কর্মসূচিতে বিজেপির নেতা ঠাকুর দাস সরকার, প্রফুল্ল সরকার সহ একাধিক নেতা ও জনপ্রতিনিধি উপস্থিত ছিলেন বলে জানা গেছে।
উল্লেখ্য, ২০২১ সালের বিধানসভা নির্বাচনে বিজেপির প্রার্থী চিন্ময় দেব বর্মণ প্রায় দুই হাজারের বেশি ভোটে জয়লাভ করেন। তবে গত পাঁচ বছরে তাঁর কাজকর্মে গাজোলের বিজেপি নেতা ও কর্মীদের একাংশ সন্তুষ্ট নন বলেই বিক্ষুব্ধদের দাবি।
উত্তর মালদা বিজেপির সংগঠনের নেতা ঠাকুরদাস সরকার বলেন,
“গাজোল বিধানসভা কেন্দ্র থেকে এবার নতুন প্রার্থী চাই। নতুন মুখ দিলে আমরা ৩০ হাজারেরও বেশি ভোটে জিততে পারব। বর্তমান বিধায়ক পুরনো নেতা-কর্মীদের গুরুত্ব দেন না, কোনও কর্মসূচিতেও ডাকেন না।”
বনভোজন কর্মসূচিতেই জেলা নেতৃত্বের সামনে এইভাবে সরাসরি বর্তমান বিধায়কের বিরুদ্ধে ক্ষোভ প্রকাশ করায় রাজনৈতিক মহলে তীব্র আলোড়ন সৃষ্টি হয়েছে।
ফের জাঁকিয়ে শীত, কতদিন থাকবে ঠান্ডার দাপট? জানুন আবহাওয়া আপডেট
এ বিষয়ে গাজোলের বর্তমান বিজেপি বিধায়ক চিন্ময় দেব বর্মণ বলেন, “দলের সিদ্ধান্ত আমি মাথা পেতে নেব। গাজোল বিজেপির শক্ত ঘাঁটি। দল আমাকে প্রার্থী করুক বা না করুক, দলের সিদ্ধান্তই আমার সিদ্ধান্ত। দল যা বলবে, সেই অনুযায়ী কাজ করব।”
এদিকে বিজেপির অন্দরকোন্দল নিয়ে কটাক্ষ করতে ছাড়েননি তৃণমূল কংগ্রেস। গাজোল পঞ্চায়েত সমিতির সভাপতি মোজাম্মেল হোসেন বলেন,
“আগামী বিধানসভা নির্বাচনে গাজোলে বিজেপি বলে আর কিছু থাকবে না। আজ পার্টির ভেতরেই অন্তর্দ্বন্দ্ব শুরু হয়েছে। ২০২৬ সালের নির্বাচনে জননেত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের উন্নয়নের ঝড় গাজোলে বয়ে যাবে।”





