Share on whatsapp
Share on twitter
Share on facebook
Share on email
Share on telegram
Share on linkedin

সাইবার অপরাধের নয়া কৌশল স্মিশিং, মোবাইল ব্যাবহারকারিরা সাবধান

Share on whatsapp
Share on facebook
Share on twitter
Share on email
Share on telegram
Share on linkedin

Newsbazar24:বিশ্বজুড়ে সাইবার অপরাধের সংখ্যা বেড়েই চলেছে। এই জালিয়াতির ফাঁদে পড়ে সর্বস্ব খোয়াচ্ছেন সাধারণ মানুষ।
সাইবার অপরাধীরা নিত্যনতুন পরিকল্পনা করছেন।
অনেকে আবার অজান্তেই এই অপরাধে জড়িয়ে পড়ছেন। কেন্দ্রীয় সরকার সহ বিভিন্ন রাজ্যের রাজ্য সরকার এদের সম্পর্কে সাবধান হওয়ার জন্য মানুষকে সচেতন করছেন তা সত্বেও মানুষ নিজের অজান্তে এদের হাতে পড়ে প্রতারণার শিকার হচ্ছেন।
এর মধ্যেই নতুন এক জালিয়াতি চক্র নিয়ে সাবধান করল কেন্দ্রীয় সরকারের সাইবার অপরাধ দমন শাখা। নতুন এক সাইবার জালিয়াতি প্রক্রিয়ার নাম ‘স্মিশিং’। হ্যাকাররা এই প্রতারণার মধ্য দিয়ে প্রতারণার সর্বস্ব লুটে করছে।
ভারত সরকার ‘স্মিশিং’ নামে এই নতুন স্ক্যামের বিরুদ্ধে জনসাধারণের মধ্যে সতর্কতা বাড়াতে নানারকম প্রচার চালাচ্ছে। এসএমএস এবং ফিশিং এই দুটো পদ্ধতি ব্যবহার করে হ্যাকাররা এই নতুন হ্যাকিং পদ্ধতি শুরু করেছে। স্মিশিং স্ক্যামগুলির ক্ষেত্রে হ্যাকাররা বিশ্বস্ত প্রতিষ্ঠানের নাম ব্যবহার করে থাকে যেমন – ব্যাঙ্ক, সরকারি সংস্থা বা কোনও সুপ্রতিষ্ঠিত সংস্থার নাম। এসএমএসের মাধ্যমে হ্যাকাররা এমন তথ্য প্রেরণ করে যাতে, মোবাইল ব্যবহারকারী সেই বিষয়ে অবিলম্বে পদক্ষেপ নিতে বাধ্য হয়। হ্যাকাররা অ্যাকাউন্ট আপডেটের নামে খুব সহজেই জনসাধারণের ক্রেডিট কার্ড নম্বর ও ব্যাঙ্কের তথ্য জেনে নেয়। ভারত সরকার একটি প্রতিবেদন থেকে জানা যায় যে, যারা এই স্মিশিং-এর শিকার হয়েছেন, তারা ১৯৩০ নম্বরে অভিযোগ করতে পারেন। এছাড়া অনলাইনে আর্থিক জালিয়াতির শিকার হলে ‘cybercrime.gov.in’-এ অভিযোগ রিপোর্ট করতে পারেন।
এই কারণে মোবাইলে কাউকে কোনও তথ্য না দেওয়ার পরামর্শ দিচ্ছেন সাইবার বিশেষজ্ঞরা। পাশাপাশি, সমাজমাধ্যমে কাউকে বিশ্বাস করে কোনও তথ্য দিতেও নিষেধ করা হচ্ছে। কোনও সমস্যা হলে বা কাউকে সন্দেহ হলেই পুলিশে যোগাযোগ করার পরামর্শ দেওয়া হচ্ছে। অজানা নম্বর থেকে কোনও লিঙ্ক এলে বা ইমেল করা হলে তা একেবারেই খুলে দেখবেন না। জানবেন এগুলো সবই কন্ট্রোল করছে কোনও না কোনও হ্যাকাররা। যে মুহূর্তে আপনি লিঙ্ক খুলবেন বা প্রতারকদের পাঠানো কোনও ফর্ম ভরে টাকা দিতে যাবেন, সেই মুহূর্তে আপনার নাম, ঠিকানা, ব্যাঙ্ক ডিটেলস সহ যাবতীয় তথ্য হ্যাকারদের কাছে পৌঁছে যাবে।
বিশেষজ্ঞরা বলছেন, ব্যাঙ্ক বা কোনও সরকারি-বেসরকারি প্রতিষ্ঠান থেকে সন্দেহজনক মেসেজ এলে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের সঙ্গে যোগাযোগ করুন।সিস্টেমে অ্যান্টিভাইরাস ও অ্যান্টিম্যালওয়ার টুলস ব্যবহার করুন। কোনও লিঙ্কে ক্লিক করার আগে ভালো করে দেখে নিন। কারণ, সাইবার প্রতারকরা পরিচিত কোনও সংস্থা, ব্যক্তি বা ব্র্যান্ডের মতো দেখতে নাম ব্যবহার করে। সেক্ষেত্রে কোনও শব্দ বা চিহ্নে অদলবদল করে তারা। কাজেই যাচাই না করে নিলেই বড় বিপদ হবে।

Share on whatsapp
Share on facebook
Share on twitter
Share on email
Share on telegram
Share on linkedin

Latest News

সম্পর্কিত খবর