Newsbazar24:
৫৯ বছর পরে নতুন করে এসেছে ‘নায়ক’ ছবি। দিল্লি মাল্টিপ্লেক্স-এ হাজির হয়েছেন শর্মিলা ঠাকুর। ১৯৬৬-র কালজয়ী সিনেমা ‘নায়ক’ মুক্তি পাওয়ার পর কেটে গিয়েছে ৫৯ বছর। শর্মিলা ঠাকুর বোঝালেন, উত্তম কুমারকে বড় পর্দায় দেখতে চাওয়ার ‘বদভ্যেস’ বদলায়নি তাঁর। নতুন করে মুক্তি পেয়েছে সত্যজিৎ রায়ের ‘নায়ক’। খবর পেয়েই দিল্লিতে মাল্টিপ্লেক্সে চলে গিয়েছিলেন শর্মিলা। উফফ। কী যে ভালো লাগল!” ‘নায়ক নস্টালজিয়া’ এখনও তাড়িয়ে নিয়ে বেড়ায় তাঁকে। ধাতব সোনালি রঙের শাড়ি। দুধে আলতা গালে হাসলেই গভীর টোল। মাথার চুলের রঙে অভিজ্ঞতার ছাপ। চোদ্দো বছরের ‘বনবাস’ কাটিয়ে ফের বাংলা সিনেমায় শর্মিলা ঠাকুর।
শুক্রবারের সাঁঝবেলায় শহরের এক রেস্তরাঁয় হাজির হয়েছিলেন নিজের নতুন ছবি মুক্তির আগে। সঙ্গে অভিনেত্রী ঋতুপর্ণা সেনগুপ্ত, নায়ক ইন্দ্রনীল সেনগুপ্ত, পরিচালক সুমন ঘোষ। গল্পের ছলে বোঝালেন কেন বয়স বাড়লে এখনও তিনি ট্রেন্ডিং। বিনোদনের নতুন সংজ্ঞা ওটিটি। শর্মিলা নিজেও অবসরে চোখ রাখেন ছোটপর্দায়। ‘নায়ক’য়ের স্মৃতিচারণ করতে গিয়ে বলেছেন, “মানিকবাবুর সিনেমা তো এখন ওটিটিতেই দেখি। বড় পর্দায় নায়ক রিলিজ করেছে শুনেই চলে গিয়েছিলাম। এক একটা দৃশ্য অসাধারণ লাগল। সেই প্ল্যাটফর্মে লোক দাঁড়িয়ে। আমি আর উত্তমবাবু ট্রেনের ভিতরে গল্প করছি।” ‘নায়ক’এ বাঙালির প্রিয় জুটি শর্মিলারও যে ভীষণ কাছের। পাঁচ দশক পরে কেমন লাগল মহানায়ককে? “উত্তমবাবুর অভিনয় অসাধারণ। ছোট্ট রোলে সুমিতা সান্যালও দারুণ।” আর নায়কের নায়িকা? “আমার নিজেকেও উত্তমবাবুর বিপরীতে বেশ লাগল।”






