Newsbazar 24;-বিগত চারটা দিন সমস্ত পূজা মণ্ডপ গুলো ঢাকঢোল শংখ, ঘন্টা, মন্ত্রোচ্চারণ ও মঙ্গল ধ্বনিতে মুখর ছিল কিন্তু আজ বিজয়া দশমী। এরপর মণ্ডপগুলোতে আর সেই প্রাণোচ্ছল পরিবেশ খুঁজে পাওয়া যাবে না।
চোখের জল রেখেই আজ বিদায় জানাতে হবে মা’কে। আবারও অপেক্ষা করতে হবে একটা বছর। শুরু হবে দিন গোনার পালা।
এদিন আরও অনেক কিছুর পাশাপাশি মহিলারা সিঁদুর খেলাতেও মেতে ওঠেন। হালে এটি আরও বেশি করে জনপ্রিয় হয়ে উঠেছে। কিন্তু কেন এই সিঁদুর খেলা হয়?
এর পিছনে রয়েছে পৌরাণিক কাহিনি।
জানা যায়, দেবী দুর্গার সঙ্গে মহিষাসুরের লড়াই চলেছিল টানা নয় দিন। নয় দিন যুদ্ধের পরে এই বিজয়া দশমীতেই তিনি জয়লাভ করেন। ফলে এই দিনটি উদ্যাপনের উদ্দেশ্যে সিঁদুর খেলা হয় বলে মত অনেকের। অনেকের মতেই এই সিঁদুর আসলে বিজয়ের প্রতীক।
অনেকের মতে, যেহেতু সিঁদুর ব্রহ্মের প্রতীক, তাই বিবাহিত নারীদের কাছে সিঁদুর খেলার অর্থ হল ব্রহ্মের আশীর্বাদ পাওয়া। আর সেটি পেলে স্বামী এবং সংসারের মঙ্গল হয়। সেই কারণেই তাঁরা সিঁদুর খেলেন।
আর এক মত হল, দেবী দুর্গা যেহেতু বিবাহিতা, তাই তাঁকে বাপের বাড়ি থেকে বিদায় জানানোর সময়ে সিঁদুর পরিয়েই দেওয়াই নিয়ম। আর সেখান থেকেই সিঁদুর খেলার জন্ম। তার সঙ্গে মিষ্টিমুখ করানোর রেওয়াজ বলেও মনে করা হয়।
সিঁদুর হিন্দু মহিলাদের বিবাহের প্রতীক হিসাবে পরিচিত। তাই সধবারা সিঁদুর খেলায় অংশ নিতেন। যদিও অবিবাহিত মহিলাদের সিঁদুর খেলায় নিয়ম ছিলনা। যদিও এখন এই নিয়ম আর মানা হয় না। সকলেই নিজের মতো করে আনন্দে মেতে ওঠেন।
পাশাপাশি বিজয়া দশমীর উপলক্ষে রাজ্যের বিভিন্ন প্রান্তে রাবণ বধ কর্মসূচি চলবে। পুরান মতে এই তিথিতেই দেবী দুর্গার আশীর্বাদে লঙ্কার রাজা রাবনকে বধ করেছিলেন দশরথ পুত্র শ্রীরামচন্দ্র।

