Durga Puja 2023:ইতিহাস ঐতিহ্যে ভরপুর কৃষ্ণনগরের রাজা কৃষ্ণচন্দ্র রায়ের রাজবাড়ীর দুর্গাপুজো

Newsbazar24:নদিয়া জেলার অন্যতম আকর্ষণ হল রাজা কৃষ্ণচন্দ্রের রাজবাড়ি। দুর্গাপুজোয় পর্যটকদের ভিড় লক্ষ্য করা যায় এখানে। যদিও জগদ্ধাত্রী পুজোয় ও পর্যটকদের দেখা যায়।চিরাচরিত ঐতিহ্য মেনে আজও সাড়ম্বরে পূজিত হন রাজা কৃষ্ণচন্দ্রের বাড়ির দুর্গাপুজো। রাজবাড়ীর এই পুজো ঘিরে আজও অন্যরকম উন্মাদনা থাকে কৃষ্ণনগর বাসীর। যদিও এই পুজোর পেছনে রয়েছে অনেক পুরোনো ইতিহাস।প্রায় সাড়ে ৪০০ বছরের পুরনো কৃষ্ণনগরের রাজা কৃষ্ণচন্দ্র রায়ের রাজবাড়ির দুর্গাপুজো। প্রথমে হত বাসন্তী পূজা ৷ রাজা কৃষ্ণচন্দ্র শুরু করেন লক্ষ্মী, গণেশ, কার্তিক ও স্বরস্বতীর পুজো। অষ্টমীতে ভোগে আটটি ভাজা দেওয়া হয় । আর নবমীতে হয় মাছ ও পান্তা ভাতের ভোগ। ঐতিহ্যবাহী এই পুজো দেখতে শুধুমাত্র কৃষ্ণনগর নয় গোটা জেলা এবং রাজ্য থেকে ভক্তরা আসেন কৃষ্ণচন্দ্র রায়ের রাজবাড়ীতে অঞ্জলি দিতে। দুর্গাপূজা উপলক্ষে এই কয়দিন অবারিত দ্বার রাজবাড়ীতে। সাড়ে চারশো বছর আগে রাজা কৃষ্ণচন্দ্র রায়ের হাত ধরেই শুরু হয় দুর্গা প্রতিমা এবং তার সন্তানদের নিয়ে পুজো। ইংরেজদের আমলে চলত বাসন্তী পূজা। সেই কারণে ভয়ে এবং অর্থনৈতিক কারনে দুর্গা প্রতিমার পূজা করত না। রাজা কৃষ্ণচন্দ্র রায় প্রথম শুরু করেন এই দুর্গাপুজো।সেই সময় দেবী রাজ রাজশ্রী নামে মহামায়া রূপে পূজিত হন।
জানা যায় মহালয়া থেকে শুরু হয় হোম যজ্ঞ। টানা দশমী পর্যন্ত জ্বলে এই হোমের আগুন। সপ্তমীতে সাতটি ভাজা ও অষ্টমীতেও আট রকম ভাজা দিয়ে মাকে ভোগ দেওয়া হয়। নবমীতে প্রাচীন রীতি অনুযায়ী পান্তা ভাত এবং বিভিন্ন মাছের ভোগ দেওয়া হয়। যদিও বর্তমানে কিছু নিয়মের পরিবর্তন করা হয়েছে।
এ বিষয়ে রাজা কৃষ্ণ চন্দ্র রায়ের বর্তমান বংশধরদের কাছ থেকে জানা যায় প্রাচীন রীতিনীতি বজায় রেখে এখনো পূজা হয়। তবে সময়ের সঙ্গে সঙ্গে কিছু নিয়মের পরিবর্তন করা হয়েছে। পুরনো রীতি মেনে বিভিন্ন পদের ভাজা এবং পান্তা ভাত ও মাছের ভোগ দেওয়া হয় প্রতিমাকে। এখানে দেবী মহামায়া রূপে পূজিত হন।