হলদিয়া, পূর্ব মেদিনীপুর | ১৬ অক্টোবর ২০২৫
আলোয় ভরে উঠবে ঘর, আর সেই আলোয় এবার মিলবে ঘ্রাণের ছোঁয়াও। দীপাবলির আগেই চাহিদা তুঙ্গে নানা রঙের সুগন্ধি মোমবাতি বা সেন্টেড ক্যান্ডেল-এর। সেই চাহিদাকেই হাতিয়ার করে নিজের জীবনকে আলোকিত করেছেন হলদিয়ার কাষ্ঠখালির বাসিন্দা সুনন্দা মণ্ডল দাস — যিনি একদিকে শিক্ষিকা, অন্যদিকে সফল নারী উদ্যোক্তা।
একসময় নিছক শখে নিজের ঘর সাজাতে মোমবাতি জ্বালাতেন সুনন্দা। সেই ভালোবাসাই একদিন পরিণত হয় উদ্যোগে। অনলাইনে শিখে প্রথমে ছোট পরিসরে শুরু, ব্যর্থতা এসেও হার মানেননি। ধৈর্য, নিষ্ঠা আর সৃজনশীলতায় গড়ে তুলেছেন নিজস্ব রেসিপি — পরিবেশবান্ধব সুগন্ধি মোমবাতি তৈরির কৌশল।
মানিকোড়া ডাকাত কালীপুজো: মশালের আলোয় আজও অটুট প্রাচীন রীতি
প্রথমে আত্মীয়-স্বজনদের মধ্যে ভাগ করে নিতেন নিজের বানানো মোমবাতি। আজ সেই ছোট শখ ছড়িয়ে পড়েছে রাজ্যজুড়ে — ওড়িশা, বিহার, ঝাড়খণ্ড পর্যন্ত যাচ্ছে তাঁর পণ্য। দীপাবলি ঘনিয়ে আসতেই চাহিদা বেড়েছে বহুগুণে। দিনরাত কাজ করছেন সুনন্দা ও তাঁর সহযোগীরা।
ল্যাভেন্ডার, রোজ, ভ্যানিলা, স্যান্ডালউড, লেমন— প্রতিটি ক্যান্ডেলই আলাদা রঙ, ঘ্রাণ আর নকশায় অনন্য। দীপাবলি ছাড়াও জন্মদিন, বিবাহবার্ষিকী, বিশেষ অনুষ্ঠানের জন্যও তিনি কাস্টম অর্ডার নিচ্ছেন।
ইংরেজবাজারে ফের মন্দিরে চুরি! কালি-মনসা মন্দির থেকে সোনার গয়না উধাও,এলাকায় চাঞ্চল্য
সুনন্দার কথায়, “শখ থেকেই শুরু করেছিলাম, কিন্তু আজ এটা আমার আয়ের পথ। ঘরে বসেই কাজ করি, তাই পরিবার ও কাজ দুটোই সামলাতে পারি।”
তাঁর কাছ থেকে এখন অনেক মহিলাই শিখছেন মোমবাতি তৈরি — ছোট পরিসরে শুরু করেছেন নিজের উদ্যোগ।
সুনন্দার এই যাত্রা আজ অনেকের প্রেরণা — প্রমাণ করছে, ইচ্ছে আর পরিশ্রম থাকলে ঘরে বসেই স্বনির্ভর হওয়া সম্ভব।
যখন দীপাবলির আলোয় আলোকিত হবে শহর, তখন সেই আলোয় মিশে যাবে সুনন্দার মোমবাতির মিষ্টি গন্ধ।






