নিউজবাজার২৪ ডেস্ক | ৯ ডিসেম্বর ২০২৫ঃ-
CAA–তে নাগরিকত্বের আবেদন করা মানুষের ভোটাধিকার নিয়ে জল্পনার মাঝে স্পষ্ট বার্তা দিল সুপ্রিমকোর্ট—নাগরিকত্ব নিশ্চিত হওয়ার আগ পর্যন্ত কেউই ভোট দিতে পারবেন না। ফলে পশ্চিমবঙ্গের মতুয়া সহ বহু আবেদনকারীর ভোটাধিকার নিয়ে ফের অনিশ্চয়তার মেঘ ঘনীভূত হল।মঙ্গলবার এই বিষয়ে শুনানি হয় শীর্ষ আদালতে। ‘আত্মদীপ’ নামে একটি স্বেচ্ছাসেবী সংস্থা আবেদন জানায়, যাঁদের নাগরিকত্বের আবেদন এখনও বিচারাধীন, তাঁদের আপাতত অন্তর্বর্তীভাবে ভোটারের মর্যাদা দেওয়া হোক। SIR–এর পর যে সংশোধিত ভোটার তালিকা প্রকাশ হবে, সেখানে তাঁদের যুক্ত করারও আবেদন জানানো হয়।
মহোদীপুর সীমান্তে জাল নোটসহ বাংলাদেশি আটক, মালদায় আরও এক গ্রেপ্তার
CAA কী বলছে ?
২০১৯ সালের নাগরিকত্ব সংশোধনী আইনে স্পষ্ট বলা আছে—সুনির্দিষ্ট সময়ের মধ্যে প্রতিবেশী দেশ থেকে ভারতে আসা নির্দিষ্ট সম্প্রদায়ের মানুষ নাগরিকত্বের জন্য আবেদন করতে পারবেন। কিন্তু আবেদন যাচাই সম্পূর্ণ না হলে তাঁরা ভারতীয় নাগরিক হিসেবে গণ্য হবেন না। ফলে ভোটাধিকার পাওয়ার প্রশ্নই ওঠে না।
নির্বাচন কমিশনের অবস্থান
জাতীয় নির্বাচন কমিশন আদালতে জানায়,
যাঁরা এখনও ভারতীয় নাগরিক নন,
যাঁদের নাগরিকত্ব সংক্রান্ত প্রক্রিয়া শেষ হয়নি,
তাঁরা কোনওভাবেই ভোটার তালিকায় থাকতে পারেন না। নাগরিকত্ব নির্ধারণ কমিশনের ক্ষমতার আওতায় নয়, সিদ্ধান্ত নেবে কেন্দ্র।
অবশেষে নাবালক সন্তানকে নিয়ে মালদা বর্ডার হয়ে বীরভূমের পথে অন্তঃসত্ত্বা সোনালী
সুপ্রিমকোর্টের পর্যবেক্ষণ
বিচারপতি সূর্যকান্ত ও বিচারপতি জয়মাল্য বাগচীর বেঞ্চ পরিষ্কার জানায় প্রথমে নাগরিকত্ব, তারপর ভোটাধিকার। আবেদন বিচারাধীন থাকলে ভোটার তালিকায় নাম তোলার প্রশ্ন নেই। আদালত কেন্দ্রীয় সরকারকে নোটিসও জারি করেছে। এক সপ্তাহের মধ্যে কেন্দ্রকে নিজেদের অবস্থান স্পষ্ট করতে বলা হয়েছে।
আশার আলো কোথায়?
ওয়াকিবহাল মহলের মতে যদি কেন্দ্র নাগরিকত্ব যাচাই প্রক্রিয়া দ্রুত সম্পন্ন করতে নির্দেশ দেয় এবং তা ফেব্রুয়ারির মধ্যেই শেষ হয়, তাহলে আবেদনকারীদের ভোটাধিকার পাওয়ার সম্ভাবনা তৈরি হতে পারে। তবে তার জন্য নাগরিকত্ব চূড়ান্ত হওয়াই প্রধান শর্ত।





