বুলবুলচন্ডীতে স্বেচ্ছাসেবী সংগঠনের মানবিক উদ্যোগ, সপ্তম বর্ষে শতাধিক মানুষের হাতে তুলে দেওয়া হল নিত্যপ্রয়োজনীয় সামগ্রী
মানবিকতার দৃষ্টান্ত স্থাপন করে সপ্তম বর্ষে পদার্পণ করল একটি স্বেচ্ছাসেবী সংগঠন ” আমরা সবাই ”। প্রতি বছরের মতো এ বছরও মালদহ জেলার বুলবুলচন্ডী পুরনো বাস স্ট্যান্ডে প্রদীপ প্রজ্জ্বলন ও নতুন বছরের ক্যালেন্ডার প্রকাশের মধ্য দিয়ে সমাজসেবামূলক অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়। বুধবার আয়োজিত এই অনুষ্ঠানে শতাধিক দুস্থ ও প্রান্তিক মানুষের হাতে নিত্যপ্রয়োজনীয় ও জীবনযাত্রায় সহায়ক বিভিন্ন সামগ্রী তুলে দেওয়া হয়।
আয়োজকদের মধ্যে হেমন্ত শর্মা জানান , সংগঠনের পক্ষ থেকে বিশেষ সুবিধা প্রদান কর্মসূচির আওতায় এদিন সেলাই মেশিন, বিশেষভাবে সক্ষম দুই ব্যক্তিকে হ্যান্ড সাইকেল, শীতবস্ত্র, ফুটবল, হেলমেট, কোদাল ও ডালি, ট্রাংক, ডাস্টবিন, পানীয় জলের বোতল সহ নানা ধরনের প্রয়োজনীয় সামগ্রী বিতরণ করা হয়। এই সহায়তা পেয়ে উপকৃত মানুষের মুখে ছিল স্পষ্ট আনন্দ ও কৃতজ্ঞতার ছাপ।
উত্তরাখণ্ডে ভয়াবহ রেল দুর্ঘটনা: টানেলের ভিতরে দুই ট্রেনের সংঘর্ষ, আহত অন্তত ৬০
প্রদীপ প্রজ্জ্বলন ও নতুন বছরের ক্যালেন্ডার প্রকাশের মধ্য দিয়ে আনুষ্ঠানিকভাবে এই সমাজসেবামূলক কর্মসূচির উদ্বোধন করা হয়। আয়োজকদের বক্তব্য, শুধু উৎসব পালন নয়, সমাজের পিছিয়ে পড়া মানুষদের পাশে দাঁড়ানোই এই উদ্যোগের মূল উদ্দেশ্য। প্রতি বছর এই কর্মসূচির মাধ্যমে এলাকার দরিদ্র, অসহায় ও বিশেষভাবে সক্ষম মানুষের জীবনে কিছুটা হলেও স্বস্তি ফিরিয়ে আনার চেষ্টা করা হয়।
এই অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন কৌশিক বিশ্বাস, হবিবপুর থানার আইসি; রেজিনা মুর্মু, মালদা জেলা পরিষদের কর্মাধ্যক্ষ; বিশিষ্ট ব্যবসায়ী হেমন্ত শর্মা; হবিবপুর পঞ্চায়েত সমিতির সভাপতি সুখী রানী সাহা এবং বুলবুলচন্ডি গ্রাম পঞ্চায়েতের প্রধান পূজা হাসদা। এছাড়াও এলাকার বহু বিশিষ্ট ব্যক্তি ও সাধারণ মানুষ অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন।
বিক্ষোভের পর দাবি পূরণ। অজয় নদীর উপর অস্থায়ী সেতু নির্মাণ শুরু, খুশি এলাকাবাসী
অতিথিরা তাঁদের বক্তব্যে এই ধরনের স্বেচ্ছাসেবী উদ্যোগের প্রশংসা করেন এবং বলেন, সমাজের উন্নয়নে সরকারি উদ্যোগের পাশাপাশি স্বেচ্ছাসেবী সংগঠনগুলির ভূমিকা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। বিশেষ করে প্রান্তিক মানুষের জন্য এই ধরনের সহায়তা তাঁদের আত্মনির্ভর করে তুলতে সাহায্য করে।
অনুষ্ঠান শেষে উপকৃত মানুষদের মুখে ছিল সন্তুষ্টির হাসি। আয়োজকরাও জানিয়েছেন, ভবিষ্যতেও এই মানবিক কর্মসূচি আরও বৃহৎ পরিসরে চালিয়ে যাওয়ার পরিকল্পনা রয়েছে। সমাজের সর্বস্তরের মানুষের সহযোগিতায় এই ধরনের উদ্যোগ আগামী দিনেও অব্যাহত থাকবে—এই আশাই রাখছেন আয়োজকরা।





