বৈশাখ মাসে কোন ৫টি ভুল এড়িয়ে চলবেন?
নিউজ বাজার২৪ ডেস্ক : দরজায় কড়া নাড়ছে বাঙালির প্রাণের উৎসব— পয়লা বৈশাখ। ১৪৩৩ বঙ্গাব্দের প্রথম মাস মানেই নতুন আশা আর নতুন সংকল্প। শাস্ত্র মতে, বৈশাখ মাস অত্যন্ত পবিত্র। বিশ্বাস করা হয়, বছরের শুরুতে করা কিছু ভুল আপনার সারা বছরের সঞ্চয় এবং মানসিক শান্তিতে বিঘ্ন ঘটাতে পারে। ২০২৬ সালের নতুন বছরে পরিবারের শ্রীবৃদ্ধি চাইলে ৫টি বিষয়ে বিশেষ নজর দেওয়ার কথা বলছেন বিশেষজ্ঞরা।
১. বেলার দিকে ঘুম থেকে ওঠা নয়
নতুন বছরের শুরুতেই আলস্য ত্যাগ করা প্রয়োজন। শাস্ত্র মতে, বৈশাখে যারা সূর্যোদয়ের অনেক পরেও ঘুমিয়ে থাকেন, তাঁদের ওপর দেবী লক্ষ্মী রুষ্ট হন। ভোরের স্নিগ্ধতায় দিন শুরু করলে শরীরে পজিটিভ এনার্জি বজায় থাকে, যা সারা বছরের কর্মতৎপরতা বাড়িয়ে দেয়।
২. আহারে সংযম ও সাত্ত্বিকতা
বৈশাখে শরীর ও মনকে শুদ্ধ রাখা জরুরি। এই মাসে যতটা সম্ভব সাত্ত্বিক খাবার খাওয়ার পরামর্শ দেওয়া হয়। অতিরিক্ত আমিষ বা গুরুপাক খাবার এড়িয়ে চলাই ভালো। মনে করা হয়, এই মাসে খাদ্যাভ্যাসে সংযম রাখলে কাজে সাফল্য আসে দ্রুত।
আরও পড়ুন- নীলষষ্ঠী ২০২৬: কবে পড়েছে নীলপুজো? জানুন উপবাসের সঠিক নিয়ম
৩. দিবানিদ্রা এড়িয়ে চলুন
অত্যধিক ক্লান্তি বা অসুস্থতা না থাকলে বৈশাখের দুপুরে ঘুমানো শাস্ত্রমতে অশুভ বলে গণ্য করা হয়। বিশ্বাস করা হয়, এতে শরীরে অলসতা বৃদ্ধি পায় এবং নেতিবাচক প্রভাব পড়ে। বছরের প্রথম থেকেই নিজেকে সক্রিয় রাখলে ভাগ্য সহায় হয়।
৪. জল অপচয় মানেই অমঙ্গল
বৈশাখ মানেই কাঠফাটা রোদ আর তীব্র দহন। এই সময় তৃষ্ণার্তকে জল পান করানোই হলো পরম ধর্ম। অকারণে জল নষ্ট করা কিংবা পশুপাখিকে জল না দেওয়া এই মাসে বড় ‘দোষ’ হিসেবে ধরা হয়। সম্ভব হলে বাড়ির ছাদে বা জানলায় সরা ভর্তি জল রাখুন, এতেই ফিরবে আপনার ভাগ্য।
৫. দান ও অক্ষয় তৃতীয়ার পুণ্য লাভ
এই মাসেই পড়ে অক্ষয় তৃতীয়ার মতো মাহেন্দ্রক্ষণ। নতুন কোনও কাজ শুরু করা কিংবা সোনা-রুপো কেনার জন্য এই দিনটি সেরা। এছাড়াও এই গরমে সামর্থ্য অনুযায়ী ছাতা বা পাখা দান করলে মানসিক শান্তি ও পুণ্য লাভ হয় বলে জানানো হচ্ছে।
বছরের শুরুটা যদি নিয়ম মেনে করা যায়, তবে বাকি ১১টি মাসও বেশ মসৃণভাবে কাটে। তাই নতুন বছরে নিজেকে এক নতুন নিয়মে বাঁধার শপথ নিন এখন থেকেই।





