newsbazar24 : রবিবার সন্ধ্যার ভয়াবহ পদপিষ্টের ঘটনার পর সোমবার সকাল থেকেই বর্ধমান স্টেশনে দেখা গেল আঁটোসাঁটো নিরাপত্তা ব্যবস্থা। যাত্রীদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে জিআরপি ও আরপিএফ কর্মীরা টহল দিচ্ছেন নিয়মিত। তবে রেলের দীর্ঘদিনের গাফিলতি নিয়েই এখন প্রশ্ন তুলছেন সাধারণ যাত্রীরা।
রবিবার সন্ধ্যায় বর্ধমান স্টেশনের ৪ ও ৫ নম্বর প্ল্যাটফর্মের মাঝের ফুটব্রিজে ওঠার সিঁড়িতে আচমকাই এই পদপিষ্টের ঘটনা ঘটে। ট্রেন ধরতে গিয়ে হুড়োহুড়ির জেরে পড়ে গিয়ে আহত হন বহু যাত্রী। তাঁদের মধ্যে ৬ জন এখনও ভর্তি রয়েছেন বর্ধমান মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে।
ঘটনার পর থেকেই রেলের পরিকাঠামো এবং নিরাপত্তা ব্যবস্থার ঘাটতি নিয়ে ক্ষোভ উগরে দিয়েছেন যাত্রীরা। অভিযোগ, বছরের পর বছর ধরে ওই একই সিঁড়িতে দুর্ঘটনা ঘটলেও রেল প্রশাসন কার্যত উদাসীন। প্রতিবার ঘটনার পর কয়েকদিন নিরাপত্তা ব্যবস্থা কড়া হয়, তারপর আবার আগের মতো ঢিলেঢালা হয়ে যায় সব কিছু।
Google Maps কে চ্যালেঞ্জ করতে এল MapmyIndia-এর Mappls, জেনে নিন বিশেষ ফিচারগুলো
এক যাত্রী বলেন, “প্রায় প্রতিদিনই শেষ মুহূর্তে রেলের তরফে মাইকিং করা হয়। ফলে ফুটব্রিজে দাঁড়িয়ে থাকা যাত্রীরা হুড়োহুড়ি করে নীচে নামতে গিয়ে দুর্ঘটনা ঘটে। রেলের উচিত আগে থেকে ঘোষণা করা এবং যাত্রী চলাচলের দিকনির্দেশ ঠিক করা।”
অন্যদিকে দুর্ঘটনার পর রেল প্রশাসনের মধ্যে সমন্বয়ের অভাবও প্রকটভাবে সামনে এসেছে। কারণ শনিবার রাত ১১টার সময় বর্ধমান স্টেশনে হাওড়া ডিভিশনের ডিআরএম বিশাল কাপুর জানান, বর্ধমান মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ৮ জন জখম যাত্রী ভর্তি আছেন। সেখানে একই সময়ে পূর্ব রেলের জনসংযোগ আধিকারিক দীপ্তিময় দত্ত প্রেস রিলিজে জানান, হাসপাতালে ভর্তি ৩ জন।
২০২৬ সালে শনির সাড়ে সাতি তুঙ্গে! তিন রাশির জীবনে বড় পরিবর্তনের ইঙ্গিত
এই বিপরীত তথ্য তুলে দিয়েছে প্রশাসনের ভেতরে যোগাযোগ ও তথ্যপ্রবাহের ঘাটতির ইঙ্গিত। যদিও ডিআরএম বিশাল কাপুর স্পষ্ট করেন, “৮ জন যাত্রী ভর্তি আছেন, তার মধ্যে ৫ জন মহিলা এবং ৩ জনের অবস্থা গুরুতর।






