newsbazar24 : কালীপুজো ও দীপাবলির উৎসবের আলোয় আলোকিত রাজ্য, কিন্তু সেই আলোয় ছায়া ফেলেছে প্রশাসনের নিষ্ক্রিয়তা। রাজ্যজুড়ে ফানুস ও শব্দবাজি নিষিদ্ধ ঘোষণা করা হলেও পশ্চিম মেদিনীপুরের একাধিক এলাকায় চলছে দেদার বিক্রি ও ব্যবহার।
৫০০০ বছরের বর্গভীমা মন্দির, তমলুকের অলৌকিক শক্তিপীঠ
দমকল বিভাগের ২০১৯ সালের নির্দেশ অনুসারে ফানুস ওড়ানো সম্পূর্ণভাবে নিষিদ্ধ, কারণ এতে অগ্নিকাণ্ডের আশঙ্কা থাকে। সেই নির্দেশ পুনরায় জারি করেছে রাজ্য পুলিশ ও প্রশাসন। কলকাতা পুলিশ কমিশনার মনোজ ভার্মা কালীপুজোর আগেই সতর্ক করে বলেন, “শব্দবাজি বা ফানুস ব্যবহার করলে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হবে।”
তবুও বাস্তবে ভিন্ন চিত্র। চন্দ্রকোনারোড, গড়বেতা ও সংলগ্ন এলাকায় দেখা গেছে প্রকাশ্যে বিক্রি হচ্ছে ফানুস, মাটির তুবড়ি ও নিষিদ্ধ বাজি। এমনকি দীপাবলির রাতে আকাশে উড়েছে একের পর এক ফানুস। রাত বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে বেড়েছে শব্দবাজির দাপটও।
২০২৬ সালে শনির সাড়ে সাতি তুঙ্গে! তিন রাশির জীবনে বড় পরিবর্তনের ইঙ্গিত
সূত্রে জানা গেছে, কালীপুজো উপলক্ষে মাত্র দুই দিনে পশ্চিম মেদিনীপুর জেলায় সাড়ে ছয় কোটি টাকার মদ বিক্রি হয়েছে। যদিও প্রশাসনের তরফে ছিল কঠোর নজরদারি— পুলিশ টহল, ধরপাকড় এবং আবগারি দফতরের অভিযানও চলেছে। তবে নিষিদ্ধ সামগ্রীর বিক্রি ও ব্যবহার সম্পূর্ণ রোধ করা সম্ভব হয়নি।
স্থানীয় বাসিন্দাদের অভিযোগ, “নিষেধাজ্ঞা শুধু কাগজে কলমে। মাঠে প্রশাসনের চোখে ধুলো দিয়ে চলছে ব্যবসা।”
এই পরিস্থিতিতে প্রশ্ন উঠছে — নির্দেশ আছে, কিন্তু কার্যকর হচ্ছে কতটা?
পুলিশ ও দমকল সূত্রে জানা গেছে, তারা বেশ কয়েকটি দোকানে অভিযান চালিয়েছে এবং সতর্কতা জারি রেখেছে। তবুও, বাস্তবে নিষিদ্ধ ফানুস ও বাজির বিক্রি বন্ধ না হওয়ায় প্রশাসনের সদিচ্ছা ও কার্যকারিতা নিয়ে প্রশ্ন তুলছেন সচেতন মহল।






