মালদা জেলায় মালদা মালঞ্চ নাট্য উৎসবে দর্শক কম কেন প্রশ্ন থেকেই গেল। - Newsbazar24
বিনোদন

মালদা জেলায় মালদা মালঞ্চ নাট্য উৎসবে দর্শক কম কেন প্রশ্ন থেকেই গেল।

মালদা জেলায় মালদা মালঞ্চ নাট্য উৎসবে দর্শক কম কেন প্রশ্ন থেকেই গেল।

মালদা মালঞ্চ নাট্য উৎসব সম্প্রতি অনুষ্ঠিত হলো মালদহ সদরের দুর্গা কিংকর দনে।  এখানে পাঁচ দিনব্যাপী জেলার বিভিন্ন প্রান্তে নাট্যদল এবং বাংলাদেশের একটি নাট্যদল এই নাট্যোৎসবে অংশগ্রহণ করেছিল শেষ হয়ে যাওয়া নাট্য উৎসব প্রসঙ্গে মালদা মালঞ্চ কর্ণধার পরিমল ত্রিবেদী জানান আমরা গতবারের মতো এবার আশানুরূপ সাড়া পাইনি দর্শক সাধারণের অংশগ্রহণ এবারে গতবারের চেয়ে কমটিকিট বিক্রীও খুবই সামান্য।  আমাদের মূলত নির্ভর করতে হয় বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের বিজ্ঞাপন এছাড়াও ভারত সরকারের তথ্য সংস্কৃতি মন্ত্রকের সহায়তার উপরে উদ্বোধনের দিনে দর্শক সংখ্যা কিছুটা ভালই ছিল মাঝের দুইদিন আবার দর্শক সংখ্যা খুবই কম শনি রবিবার ছুটির দিন ছিল সেহেতু দর্শক সংখ্যা কিছু  বেড়েছিল তিনি আরো বলেন আমরা এবার জেলার নাট্যদল গুলোকে দলগুলোকে আমন্ত্রণ জানিয়েছিলাম এই জেলা দলগুলো এখানে যে নাটকগুলো পরিবেশন করেছে সেগুলোর সাথে দর্শক সাধারণ পরিচিত না হওয়ায় দর্শক কম হওয়ার একটা কারণ হতে পারে তবুও আমি বলব মালদা জেলাতে অন্যান্য জেলার তুলনায় দর্শক সংখ্যা বেশি আমরা বিভিন্ন জেলায় প্রদর্শনী করতে গিয়ে দেখেছি সেখানেও দর্শক সংখ্যা  এখানের চেয়েও কম কলকাতার নাটক হলে হয়ত পাওয়া যেত বলে মনে হয় তবে এর আগেও আমরা কলকাতার দল নিয়ে এসে দেখেছি কিছু কিছু ক্ষেত্রে দর্শক হচ্ছে না সেই জন্য আমরা চেষ্টা করেছি জেলার দলগুলোকে নাটক প্রদর্শন করার সুযোগ করে দিতে যাতে পরবর্তীকালে আমারও সেখানে প্রদর্শনী করার সুযোগ পাই। তবে এর মধ্যে থেকেও বলা যায় যে নাট্যোৎসবের  শুরু থেকে মালদার মানুষের মধ্যে একটা সাড়া ফেলেছিল এমনকি শেষ হবার দিন কিছু কিছু লোক বলছে যে এই নাটকের মধ্য দিয়ে  পাঁচটা দিন খুব ভালোই কাটলো প্রথম  দিন মঞ্চস্থ হয়েছিল মালদা মালঞ্চ নিজস্ব প্রযোজনায় নাটক  এবং বিদ্যাসাগর এই প্রসঙ্গে  নির্দেশক পরিমল বাবু বলেন বিদ্যাসাগরের দ্বিশত বর্ষ  শ্রদ্ধা এবং নারীদের প্রতি অত্যাচার বিরুদ্ধে বিদ্যাসাগরের সারা জীবনব্যাপী সংগ্রাম তাকে স্মরণ করার জন্য এবং বিদ্যাসাগরের বাল্যবিবাহ এখনো যে সমাজে চলছে  এ ছাড়াও নারী মুক্তি নারী আন্দোলনের সহায়ক হিসাবে বর্তমানে  এর  প্রাসঙ্গিকতা রয়েছে তাই আমরা বোঝাতে চেয়েছিলাম

 মালদহের আরেক নাট্যনির্দেশক মালদহ  থিয়েটার প্ল্যাটফর্মের সুব্রত পাল বলেন মালদা মালঞ্চ প্রতিবারের ন্যায় এবছরের নাট্যোৎসবের  মধ্য দিয়ে বেশ কিছু ভাল নাটক আমাদের উপহার দিয়েছে তবে  এবার আমরা যেটা দেখতে পেলাম দর্শক সংখ্যা গতবারের চেয়ে একটু কম  সেটা আমাদের পক্ষে খুবই বেদনাদায়ক  দর্শকদের মধ্যে উন্মাদনা  কম বলে আমারও মনে হয়েছে আমরা লক্ষ করেছি বালুরঘাটে সম্প্রতি নাট্য একাডেমীর উৎসব চলছে সেখানে আমার কাছে যতদূর খবর ছিল সেখানে দর্শকসংখ্যা ভালই হচ্ছে এবং যুবকদের মধ্যে আগ্রহ লক্ষ্য করা গেছে  এইযে মালদহে থিয়েটারে দর্শক সংখ্যা কম আসছে এর দায় কিন্তু আমরা অস্বীকার করতে পারি না এর দায়  আমাদেরকে  নিতে হবে  আমাদেরকেই চেষ্টা করতে হবে এটা এর থেকে কাটিয়ে ওঠার  অর্থের অভাবের  জন্য বড়বাজেটের  নাট্য দলগুলোকে  জেলায় আনা সম্ভব হয় না, সে গুলোকে আনলে হয়তো কিছুটা দর্শকসংখ্যা বাড়তো এটা  সত্য কিন্তু অন্যদিকে জেলার দলগুলোকে সুযোগ থেকে বঞ্চিত করা হতো তাই যে পদক্ষেপ মালদা মালঞ্চ নিয়েছে জেলা দলগুলোকে নাটক মঞ্চস্থ করার সুযোগ দিয়ে  সেটা সত্যিই প্রশংসনীয়  তবে কিছু কিছু মানুষের মধ্যে উন্মাদনা লক্ষ করা গেছে এটা কিন্তু অস্বীকার করা যাবে না

মালদহের বিশিষ্ট নাট্য প্রেমী সংস্কৃতিমনা  নুরুল ইসলাম জানান আমি  এই নাট্য উৎসবের সব  নাটক গুলো দেখেছি  দর্শক সংখ্যা কম এটা সত্য  আমার মনে হয় কলকাতার দলগুলোর অনুপস্থিতি এর একটা কারণ হতে পারে এ ছাড়া  যে নাটকগুলো এবার এই নাট্যোৎসবে মঞ্চস্থ হলো সেগুলোর  মধ্যে দু'একটি ছাড়া  বাকীগুলির  সামগ্রিক মান খুব একটা ভালো নয় বলে আমার মনে হয়েছে দর্শকদের  নাটকের প্রতি আকর্ষণ বাড়াতে  গেলে ভালো নাটক ভালো প্রোডাকশন খুবই দরকার এই ব্যাপারটা  বিভিন্ন জেলার দলগুলিকে বুঝতে হবে পাশাপশি   কলকাতার দলগুলোতে নাটকের কিছু নামকরা অভিনেতা অভিনেত্রী রয়েছে বলে তারা একটা আলাদা মাত্রা পায় এক দিক থেকে দেখতে গেলে তারা প্রচারও বেশি পায় হয়তো সেই  জন্যই কলকাতার দলগুলোর ক্ষেত্রে একটু ভিড় বেশি হয়  তবে এবারের নাট্যোৎসবে বাংলাদেশের যে নাট্যদলটি যে নাটকটি  পরিবেশন করে গেল সেটা কিন্তু সময়োপযোগী হয়েছে বলে আমার মনে হয় নি

মালদহের আরেক নাট্যদল নাট্য সেনার নির্দেশক কেদার বন্দ্যোপাধ্যায় বলেন নাটক মালদহে  পাঁচ দিনের নাট্যোৎসবের  মধ্য দিয়ে আমরা ভিন্ন স্বাদের কিছু নাটক দেখতে পেয়েছি  আমার তো খুবই ভালো লেগেছে  জেলায় একটি মাত্র অডিটোরিয়াম রয়েছে  বাইরের দলের নাটক দেখার সুযোগ আমাদের খুবই কম  যেহেতু   এখানে থিয়েটার ওয়ার্কশপ  বা থিয়েটারের  কোন কোর্সের ব্যবস্থা নেই  তাই বাংলাদেশের নাট্যদল সহ জেলার বিভিন্ন নাট্যদলের বিভিন্ন আঙ্গিকের নাটক এবং নির্দেশনা মধ্য দিয়ে এখানে যারা নাট্যপরিচালক আছে তারা এখান থেকে কিছু অভিজ্ঞতা সঞ্চয় করতে পারবেন আমি লক্ষ করেছি বেশ কিছু অল্পবয়স্ক যুবক-যুবতী দর্শক হিসেবে এই নাটক দেখতে  উপস্থিত ছিল তারাও এই নাটক দেখে উৎসাহিত হয়েছে  দর্শক সংখ্যা কমেছে এটা  আমি বলবো না কারণ  প্রতিদিন অনেকের পক্ষে  নাটক দেখা সম্ভব হয়না যে সমস্ত নাট্য দলগুলোর জনপ্রিয়তা বেশি  সেই নাট্যদল গুলোর ক্ষেত্রে ভিড় হচ্ছে  মালদায়  নাটকের দর্শক সংখ্যা  আগে থেকে বেড়েছে বলে আমার ব্যক্তিগত অভিমত  মালদার জনসাধারণের মধ্যে নাটক দেখার প্রবণতা বেড়েছে  কারন এই নাট্য উতসব  সম্পর্কে অনেকে খোঁজখবর নিয়েছেন  কবে হবে কি কি নাটক হবে  নাটকের মান প্রসঙ্গে তিনি বলেন কিছু নাটকের উপস্থাপনা খুবই দুর্বল ছিল কিন্তু বিশেষ করে  চুনু মিয়ার কিসসা  প্রতিবিম্ব এর দুটি নাটক খুবই উঁচু স্তরের বাংলাদেশের নাটক প্রসঙ্গে তিনি বলেন আমার কাছে ভালো লাগেনি একটা নতুন কিছু করার চেষ্টা করা হয়েছে এই নাটকটির মধ্য দিয়ে নতুন আঙ্গিকে তৈরি করতে গিয়ে উপস্থাপনা খুব দুর্বল বলে আমার মনে হয়েছে

আরেক নাট্যকার বিপ্লব সেনগুপ্ত বলেন পাঁচ দিন ধরে যে নাট্যোত্সব মালদহ কলেজ অডিটোরিয়ামে  অনুষ্ঠিত হলো সেখানে যে নাটকগুলো মঞ্চস্থ  করা হয়েছে তার মধ্যে একটি বাদ দিলে বাকি নাটক গুলো খুবই উঁচু মানের  আমারতো মনে হয়েছে মালদার মানুষ ভিন্ন আঙ্গিকের ভিন্ন স্বাদের কিছু নাটক  দেখতে পেয়েছে এবং এর মধ্য দিয়ে মালদহের নাট্য মোদি জনসাধারণ এবং নাটকের সাথে যুক্ত যারা রয়েছেন তারাও কিছুটা উপকৃত হবেন বলে আমার ব্যাক্তিগত অভিমত

এবার যে নাটকগুলো এই নাট্যোৎসবে মঞ্চস্থ হয়েছে সেগুলোর মধ্য দিয়ে নাট্যপরিচালকরা কি বলতে চেয়েছেন সেই প্রসঙ্গে দ্বিতীয় দিনে  অভিনীত  সমমন, বালুরঘাটেরপ্রযোজনায় ছুনু মিয়ার কিসসা নাটক প্রসঙ্গে নাট্যকার ভবেন্দু ভট্টাচার্য জানান  বর্তমানে যতই আমরা ডিজিটাল ইন্ডিয়া, আইনক্স, শপিংমল ইত্যাদি দিয়ে মানুষকে ভোলাবার চেষ্টা করি না কেন   কিন্তু  ভারতবর্ষের একটা বিস্তীর্ণ গ্রামাঞ্চলের মানুষের মধ্যে  এখনো ডিজিটাল ইন্ডিয়া,  আইনক্স বা  আইফোনের  কোন প্রভাব নেই সেখানে এখনো  নজর দেওয়া, জল পড়া , ডাইনি ও  পিচাশ প্রভৃতি কুসংস্কারগুলো এখনও প্রাধান্য বিস্তার করে রয়েছে এবং  বিভিন্ন রাজনৈতিক দল তাদের ক্ষমতাকে টিকিয়ে রাখার স্বার্থে এই কুসংস্কার কে বাঁচিয়ে রেখেছে  এরকম একটা জায়গায় দাঁড়িয়ে  আমি বলতে  চেয়েছি  এখন যে অদ্ভুত সময়ের মধ্য দিয়ে আমরা চলছি যেখানে সমাজে মানুষ মানুষে বিভক্ত করার চেষ্টা চলছে সেই  সময় দাঁড়িয়ে যদি মানুষকে মুক্তমনা বা কুসংস্কার থেকে মুক্ত না করা যায় তাহলে লড়াই করা অসম্ভব

 তৃতীয় দিনে  উত্তরবঙ্গের কালিয়াগঞ্জ এর বিচিত্র নাট্যসংস্থা প্রযোজিত ঋষি মুখোপাধ্যায় নির্দেশিত নাটকরোবট  রবীন্দ্রনাথনাটক প্রসঙ্গে নাট্যদলের সম্পাদক জানান  এখানে রবীন্দ্র দর্শন কে তুলে ধরা হয়েছে  রবীন্দ্রনাথের তাসের দেশ, রক্তকরবী   মুক্তধারা এই সমস্ত গল্পগুলোর ছায়া  এখানে পাওয়া যাবে  রবীন্দ্রনাথের সমাজ চিন্তা রাজনৈতিক চিন্তা দর্শন তুলে ধরা হয়েছে  সেই সঙ্গে বর্তমান সামাজিক সমস্যা পরিবেশ দূষণ   বিশ্ব উষ্ণায়ন অদূর ভবিষ্যতে মানুষকে যন্ত্রে পরিণত করবে এই রকম একটি কল্পনা এখানে উপস্থাপিত করা হয়েছে  বর্তমানে যে রাজনৈতিক অস্থিরতা চলছে তা তখনো বিদ্যমান থাকবে  রবীন্দ্রনাথের চিন্তা দর্শন প্রাসঙ্গিক থাকবে  এই ঘটনাটি দেখানো হয়েছে একটি বাচ্চা ছেলের মানসিক দ্বদন্দের মধ্য দিয়ে এবং সমস্তটাই  তার কল্পনাপ্রসূত  তার কল্পনাকে আমরা মঞ্চস্থ করেছি  তার বাবা তাকে বিজ্ঞান বোঝাচ্ছেন,  তার দাদু তাকে রবীন্দ্র দর্শন পড়াচ্ছেন  তার কাকা একজন বিজ্ঞানী সে রাজনৈতিক অর্থনৈতিক ক্ষমতালোভী রি তিন  রকম চিন্তাভাবনা তার মধ্যে গিয়ে সে একটা রোবটে পরিণত হয়েছে

চতুর্থ দিনে  দুটি নাটক মঞ্চস্থ হয়েছিল প্রথম নাটকটি ছিল মালদহেরস্পন্দন মাইমের  বিদ্যুৎ কর্মকারের  নির্দেশনায় রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরেরএকটি পাখির গল্পএ প্রসঙ্গে নির্দেশক বলেন , রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের ছোট গল্প  তোতা কাহিনী অবলম্বনে এই নাটক আজ থেকে  ১৫০ বছর আগে রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর গল্পটি লিখেছিলেন সেই গল্পটা আজ যে কতটা প্রাসঙ্গিক তা আমারা বলতে চেয়েছি  কারণ  যেভাবে  শৈশবে শিশুদের উপর  পড়াশোনার  বোঝা চাপিয়ে  তাদের বিকাশে বাধা সৃষ্টি করা  হচ্ছে সেটাই আমরা তুলে ধরতে চেয়েছি দ্বিতীয়  নাটকটি ছিল দিনাজপুর কৃষ্টির প্রয়োজন অবন্তী চক্রবর্তী নির্দেশনায়প্রতিবিম্বনাটক  এই নাটকে অভিনয় করলেন প্রখ্যাত অভিনেত্রী খেয়ালী দস্তিদার নাটক প্রসঙ্গে নাট্যকার জানান  এই নাটকটি মূলত একটি মনস্তাত্ত্বিক নাটক  বিখ্যাত মারাঠি নাট্যকার মহেশ এলকিনের দি রিফ্লেকশন নাটক অবলম্বনে বাংলা নাট্যরূপ দিয়েছেন জয়তী  বসু  আমরা এই সমাজে পরিবেশে প্রতিদিন আমাদের  প্রতিবিম্ব হারাচ্ছি যে প্রতিবিম্ব বা  আদর্শ নিয়ে আমরা বড় হওয়ার লক্ষ্যে সমাজে এসেছিলাম আজকের দিনে দেখা যাচ্ছে সবাই কমবেশি সেই আদর্শে পৌঁছাতে পারেনি  প্রত্যেকে আমরা আমাদের যে প্রতিবিম্ব নিয়ে বড় হয়েছি সেটাকে হারাচ্ছি সেই কারণে আয়নার সামনে দাঁড়িয়ে অবচেতন মনে ভয় পাই আমি সত্যি সেই মানুষটি আছিতো না বদলে গেছি বদলানোর অনেক উপকরণ আছে প্রতিমুহূর্তে বদলে যাওয়ার একটা চেষ্টা আছে কিন্তু তবু বহু কষ্টে প্রতিবিম্ব রক্ষার তাগিদে বেঁচে থাকতে হচ্ছে

শেষদিনে ছিল দুটি নাটক প্রথম নাটকটি ছিল মালদা ড্রামাটিক ক্লাব  প্রযোজিত ঠিকানার সন্ধানেনাটক  এই নাটক  প্রসঙ্গে মালদার ড্রামাটিক ক্লাবের  অসীম সেন জানান এটি একটি সামাজিক নাটক  এখানে সমাজে বৃদ্ধ বাবা-মায়ের কি অবস্থা এবং বৃদ্ধ বাবাকে নিয়ে ছেলে যে মানসিক দ্বন্দ্বের মধ্যে রয়েছে সেই বাস্তব চিত্র তুলে ধরা হয়েছে

সর্বশেষ নাটকটি ছিল বাংলাদেশের নাট্যদল প্রযোজিত নিউ টেস্টামেন্ট অফ রোমিও এন্ড জুলিয়েট এই প্রসঙ্গে পরিচালক নুরজামান রাজা বলেন শেক্সপিয়ারের প্রেম কাব্য রোমিও জুলিয়েট' অবলম্বনে এই নাটকটি কে বাছা হয়েছে  রোমিও জুলিয়েট এর  প্রেমের পরিণতি কি হয়েছিল কেন হয়েছিল সেটা হয়তো সকলের কাছে স্পষ্ট নয় পশ্চিমী দর্শন এবং আমাদের দর্শনের মধ্যে একটা মিল আমার চোখে পড়েছে সেটাকেই  বিভিন্ন আঙ্গিকে  বোঝাবার  চেষ্টা করেছি  প্রেম ভালোবাসা কখনো অস্থিরতা দিয়ে তৈরি হয় না স্থিরতা  দিয়ে হয়  

NewsDesk - 3

aappublication@gmail.com

Newsbazar24 Reporter

Post your comments about this news