করোনায় মৃত মালদার রেল কর্মী ! ২৪ ঘণ্টায় রাজ্যে ১,৯৬১,মালদায় ১০১ ! ব্যাবসায়ী সংগঠন গুলির জন্যই করোনার বাড়বাড়ন্ত ,দাবি অনেকের - Newsbazar24
মালদা

করোনায় মৃত মালদার রেল কর্মী ! ২৪ ঘণ্টায় রাজ্যে ১,৯৬১,মালদায় ১০১ ! ব্যাবসায়ী সংগঠন গুলির জন্যই করোনার বাড়বাড়ন্ত ,দাবি অনেকের

করোনায় মৃত মালদার রেল কর্মী ! ২৪ ঘণ্টায় রাজ্যে ১,৯৬১,মালদায় ১০১ ! ব্যাবসায়ী সংগঠন গুলির জন্যই করোনার বাড়বাড়ন্ত ,দাবি অনেকের

 শঙ্কর চক্রবর্তী,news bazar24ঃ  খবর লেখার গ্রামার আমরা আর মানছি না। সহজ,সরল ,কাব্য মিশিয়ে আমরা আমরা বলতে বাধ্য হচ্ছি ,করোনা নিয়ে আমরা বোকা হয়েছি। করোনার বার বারন্ত দেশের কিছু কাপুরুষ আমলা আর নেতাদের জন্যই যে তা বলার অপেক্ষা রাখেনা কারন রাজ্যের কিছু  কাপুরুষ, অপদার্থ আমলারা ব্যবসায়ীদের কথা মত লকডাউন  অন / অফ করেছেন যার ফলে করোনার বীজ কারো না কারো মধ্যে লুকিয়ে থেকে গেছে। যার ফল স্বরূপ করোনার বাড়বাড়ন্ত আবার নতুন করে  ভাবাতে শুরু করেছে গত ২৪ ঘন্টায় আক্রান্ত রাজ্যে  হয়েছেন ,৯৬১ জন। কলকাতায় আক্রান্ত ৬০৬ জন। তার পরেই উত্তর ২৪ পরগনা। সেখানে করোনা আক্রান্তের সংখ্যা ৫০৩ জন। গত ২৪ ঘণ্টায় মালদায় নতুন করে আক্রান্ত্র হয়েছেন ১০১ জন। যদিও এই সংখ্যা করোনার পরীক্ষার উপর ভিত্তি করে। সঠিক ভাবে বেশী সংখ্যায় পরীক্ষা হলে এই সংখ্যা কয়েকগুন যে বেড়ে যাবে তা দাবি করছেন জেলার অধিকাংশ চিকিৎসকই গত ২৪ ঘণ্টায় মালদায় করোনা আক্রান্ত্র হয়ে এক রেলকর্মীর মৃত্যু হয় মৃতর বাড়ি মালদা শহরের মালঞ্চ পল্লী এলাকায় মৃত রেলকর্মী নাম মুকুন্দ সিংহ বয়স (৫৫) বছর।

গত ২৪ ঘণ্টায় মালদায় যে ১০১ জন আক্রান্ত্র হয়েছেন তার মধ্যে রথবারি সরকারী আবাসন, রেলকলোনি সহ প্রায় ৮০ শতাংশ ইংরেজ বাজার পৌরসভার বাসিন্দা। কেন্দ্র বা রাজ্য বিধায়কদের আমোদ প্রমোদের জীবন চাই। তাইতো ভোট নিয়ে সবাই ব্যাস্ত। জমায়েত,কোলাকুলি ,মিছিল,মিটিং চলতেই থাকছে করোনার মধ্যে। নেতাদের করোনা হলে গ্রিন করিডর করে অল্প সময়ের মধ্যে চলে যাবে প্রথম সারির নার্সিং হোমে ! আর সাধারণ মানুষদের পিজি মত হাসপাতালে ভর্তির জন্য চর্কির মত ঘুরতে হবে নেতার একটি সুপারিশ চিঠি নেবার জন্য।

আমরা বিভিন্ন মানুষের সাথে কথা বলে বুঝতে পারলাম যে অধিকাংশ মানুষ জানেন ভোটের পরেই করোনা আক্রান্ত্রের সংখ্যা বাড়বে। তবে কেন করোনার মধ্যে মিটিং মিছিলে ? প্রমান দিতে না পারলেও তাদের দাবি দুপুরে খাওয়া সহ একদিনের রোজগার পাবার জন্যই মিটিং মিছিলে পা মেলানো

এদিকে অনেক মানুষের অভিযোগ বিভিন্ন জেলায় আমলরা ব্যাবসায়ি সংগঠনের কথামত লকডাউন খুলেছে, বা বন্ধ করেছে। করোনা বিধি কাগজ কলমে,আর ছবি তোলার মত করে মানা হয়েছে,তাই করোনা গিয়েও ফিরে এসেছে।  বলাবাহুল্য  যেখানে এপ্রিলে দৈনিক সংক্রমণ হাজার ছাড়িয়ে গিয়েছিল। তার ঠিক তিন দিনের মধ্যেই এই সংখ্যাটা প্রায় হাজারের কাছাকাছি পৌঁছে গিয়েছে। যা নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন স্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞরাও। দেশের অনেক রাজ্য নতুন করে লক ডাউন নিয়ে ভাবতে শুরু করেছে বাংলাদেশ নিয়মের পরিবর্তন করতে বাধ্য হয়েছে। তবে আমাদের রাজ্যে নেই কেন ? কেন ভাবা হচ্ছে না ? নির্বাচন কমিশনের আধিকারিক, ডি এম , এস পি , নেতা মন্ত্রীরা করোনায় আক্রান্ত্র হলে জেলা বা ব্লক হাসপাতালে ভর্তি থাকবেন তো , আপনার বেডের পাশে ? ভেবে দেখুন ভোট শেষের পর এই নেতাদের সহজে পাবেন তো বাড়ির কেও আক্রান্ত্র হলে ? মনে রাখবেন  করোনা আক্রান্ত্রের সংখ্যা যে ভাবে বাড়ছে সেই ভাবে  রাতারাতি স্বাস্থ্যকর্মী বা হাসপাতালে বিছানার সংখ্যা কিন্তু বাড়বে না ! তখন মিডিয়া ডেকে স্বাস্থ্য দপ্তরের পিণ্ডি চটকানো ছাড়া কোন ক্ষমতায় আপনার থাকবে না। কারন তখন আজকের নেতাদের দরজা আপনার জন্য থাকবে বন্ধ। নেতাজির লোক দরজাতেই বলবে পিঁয়াজি এখন ব্যাস্ত

যে বৌমা ,সেই ছোট বেলায় হারিয়ে যাওয়া মেয়ে। হৈ চৈ বিয়ে বাড়িতে, গল্প নয় সত্য ঘটনা !

NewsDesk - 2

aappublication@gmail.com

Newsbazar24 Reporter

Post your comments about this news