আগামী ১ জুন থেকে বাংলায় মন্দির,মসজিদ, গির্জা, গুরুদ্বার খুলছে,,এছারাও লকডাউনে আরও ছাড় - Newsbazar24
কলকাতা

আগামী ১ জুন থেকে বাংলায় মন্দির,মসজিদ, গির্জা, গুরুদ্বার খুলছে,,এছারাও লকডাউনে আরও ছাড়

আগামী ১ জুন থেকে বাংলায় মন্দির,মসজিদ, গির্জা, গুরুদ্বার খুলছে,,এছারাও লকডাউনে আরও ছাড়

 আগামী ১ জুন থেকে বাংলায় মন্দির,মসজিদ, গির্জা, গুরুদ্বার খুলছে,,এছারাও লকডাউনে আরও ছাড়

 

News bazar24:  বাংলার জনজীবন ধীরে ধীরে স্বাভাবিক না করলে গ্রামীণ অর্থনীতি একদম ভেঙে যাবে। তাই একরকম বাধ্য হয়েই  এবার আরও একধাপ এগোলেন মুখ্য়মন্ত্রী মমতা বন্দ্য়োপাধ্য়ায়। আগামী ১ জুন থেকে বাংলায় মন্দির, মসজিদ, গির্জা, গুরুদ্বার খুলছে, শুক্রবার নবান্নে এমনটাই ঘোষণা করলেন মমতা সরকার।খালি তাই নয়, পাশাপাশি আগামী ৮ জুন থেকে ১০০ শতাংশ কর্মী নিয়েই সমস্ত সরকারি ও বেসরকারি অফিস খোলার সিদ্ধান্তের কথা জানিয়েছেন মুখ্য়মন্ত্রী।তাই ১০০ শতাংশ কর্মিকেই অফিসে হাজিরা দিতে হবে বলে জানালেন মুখ্যমন্ত্রী।

এদিন সাংবাদিক বৈঠকে মুখ্য়মন্ত্রী বলেন, ”১ জুন থেকে সকাল ১০টা থেকে মন্দির, মসজিদ, গির্জা, গুরুদ্বার খুলবে। তবে কোনও ধর্মীয় জমায়েত বা সভা করা যাবে না। ১০ জনের বেশি ঢোকা যাবে না মন্দির মসজিদে।

মুখ্যমন্ত্রীর কথায়,  সবাই নিজের দিক টা দেখছে। তাই আমরাও আমাদের ভালটা বুঝে নেবো । যদি ট্রেনে গাদাগাদি করে হাজার হাজার লোক যাতাযাত করতে পারেন, তাহলে মন্দির-মসজিদও খুলতে পারে, এটা আমি ভেবেছি।আর সত্যি কথা বলতে কি ? এই দুঃসময়ে আমাদের প্রার্থনা করা ছাড়া কোনও উপায় নেই।

এ প্রসঙ্গে কেন্দ্রকে বিঁধে বাংলার মুখ্য়মন্ত্রী বলেন, ”বাইরের ভাই-বোনেরা আসছেন আমি খুশি। একটা সিটে কেন ৩-৪ জন বসে আসবেন। গাদাগাদি লোক একসঙ্গে ঢুকিয়ে আনা হচ্ছে, তাঁদের মধ্য়ে করোনা কীভাবে বাড়ছে? মহারাষ্ট্র, চেন্নাই, গুজরাত, মধ্য়প্রদেশ, দিল্লি, হটস্পট থেকে ট্রেন আসছে। রেল মন্ত্রী অতিরক্ত ট্রেন দিন। আপনারা নিজেরাই সামাজিক দূরত্ব মানছেন না।

লোকগুলোকে জল খাবার দিচ্ছেন না। কেউ কেউ ট্রেনে মারা যাচ্ছেন। মা মারা গিয়েছে স্টেশনে, বাচ্চা ঘুরে বেড়াচ্ছে। কেন মানছেন না? শ্রমিক এক্সপ্রেসের নামে করোনা এক্সপ্রেস চালাচ্ছেন! রেল মন্ত্রী আপনি মনে রাখবেন! আমি রেল মন্ত্রী ছিলাম । ভেতরের সব অবস্থা জানি । আপনাদের তো অনেক ট্রেন আছে। রোটেশন করে করুন। যখন বড় তীর্থযাত্রা হয়, তখন কী হয়, ট্রেন বেশি চালানো হয়। এখন তো চলছেই না, যেটুকু চলছে, বেশি চালান। একেকজনকে একেকটা সিটে বসতে দিন। আমরা তো পুরো খরচা দিচ্ছি। তা না করে হাজার হাজার লোককে গাদাগাদি করে পাঠাচ্ছেন। দমবন্ধ ঘরের মতে করে নিয়ে আসছেন। যার ছিল না, তারও করোনা হচ্ছে। তাহলে মন্দির-মসজিদ-গির্জার কী দোষ হল বলুন। আপানরা যদি এটা  করতে পারেন, তাহলে কীসের জন্য় মন্দির-মসজিদ বন্ধ রাখব

NewsDesk - 2

aappublication@gmail.com

Newsbazar24 Reporter

Post your comments about this news