রাজ্য

“স্বাস্থ্যের বিষয়টিকে রাজনীতির ঊর্দ্ধে রাখা উচিত” রাজ্যের বিরুদ্বে সরব রাজ্যপাল

“স্বাস্থ্যের বিষয়টিকে রাজনীতির ঊর্দ্ধে রাখা উচিত” রাজ্যের বিরুদ্বে সরব রাজ্যপাল

ডেস্কঃ আবার বিস্ফোরক রাজ্যপাল। কেন্দ্রের স্বাস্থ্য প্রকল্প আয়ুষ্মান ভারত যোজনা থেকে  রাজ্যের মানুষ   ঞ্ছিত সরাসরি এই অভিযোগ রাজ্যপালের।  পাশাপাশি তিনি বলেন  এই  বিষয় নিয়ে রাজনীতি করা উচিত নয় রাজ্যপাল দাবি করেছেন কেন্দ্রের স্বাস্থ্য প্রকল্প আসার জন্য  রাজ্যজুড়ে ,০০০ আবেদনপত্র পেয়েছেন।  কলকাতায় একটি অনুষ্ঠানে গিয়ে রাজ্যপাল জগদীপ ধনকর  এই কথা বলেন   তিনি আরও বলেন  আবেদনপত্রগুলি  পরীক্ষা করে আমি দেখেছি,  তাঁরা কেন্দ্রের আয়ুষ্মান ভারত প্রকল্পের উপভোক্তা হওয়ার যোগ্য

রাজ্যপাল বলেন, “আমি এও জানতে পেরেছে যে, রাজ্যের স্বাস্থ্য প্রকল্পের সুবিধা পাচ্ছে আবেদনকারীরা। তা ছাড়াও, যদি তাঁরা রাজভবনে চিঠি লেখেন, তাহলে বিষয়টি নিয়ে বিবেচনা করা হবে তিনি বলেন, কারও প্রয়োজনে তিনি তাঁকে সহায়তা করতেই পারেন, তবে সাধ্য সীমিত

রাজ্যপাল জগদীপ ধনকর বলেন, তার  মাত্র কোটি টাকার তহবিল...যেখানে একজন সাংসদ পান কোটি টাকা তহবিল।  বিধায়কদের তহবিল থেকে কোটি টাকা। রাজ্যে  বিধায়কদের ৬০ কোটি টাকার তহবিল। তারমধ্যে ১৮টি বিষয়ের জন্য   কোটি টাকা বরাদ্দ করা হয়েছে,রাজ্যপালের জন্য

  রাজ্যপাল বলেন,  তিন মাসে আমি ,০০০ আবেদনপত্র পেয়েছি, সেগুলি স্বাস্থ্য সহায়তার জন্য, এটি রাজ্যের বেহাল  পরিস্থিতির প্রকাশ তিনি বলেন, “আমার মনে হয়, এটা ঠিক নয়, কেন কেন্দ্রের এত ভাল একটি স্বাস্থ্যপ্রকল্প, যাতে এত সুবিধা রয়েছে এবং সারা বিশ্ব তাকে স্বীকৃতি দিয়েছে, এখানে মানুষের সুবিধার জন্য কেন তা নেওয়া হয়নি

রাজ্যপাল জগদীপ ধনকর বলেন, “স্বাস্থ্যের বিষয়টিকে রাজনীতির ঊর্দ্ধে রাখা উচিত। আর্থিক ক্ষমতার ওপর ভিত্তি করে মানুষকে স্বাস্থ্য প্রকল্পের সুবিধা থেকে বঞ্ছিত করা ঠিক নয় রাজ্যপাল বলেন, যারাই ক্ষমতায় থাকুক, সাধারণ মানুষের জন্য মিলেমিশে কাজ করা উচিত। তাঁর কথায়, “মানুষের জন্য এটা একটা বড় প্রকল্প, সাধারণ মানুষ থেকে শুরু করে নীতি নির্ধারকরা, একসঙ্গে কাজ করা উচিত, যাতে মানুষ এই সুবিধা পায়।  প্রত্যেকটা টাকার সুবিধা যেন পশ্চিমবঙ্গের মানুষ মানুষ।  যুক্তরাষ্ট্রীয় কাঠামোয়, যদি কেন্দ্রের থেকে সহায়তা আসে, আমাদের তা গ্রহণ

Kartik Pal

aappublication@gmail.com

english bazar Reporter

Post your comments about this news