২৪ ঘণ্টায় ঘুরে গেলেন শুভেন্দু ! এবার সাংসদ বনাম বিধায়কের কাজিয়া প্রকাশ্যে - Newsbazar24
হাওড়া - হুগলী

২৪ ঘণ্টায় ঘুরে গেলেন শুভেন্দু ! এবার সাংসদ বনাম বিধায়কের কাজিয়া প্রকাশ্যে

২৪ ঘণ্টায় ঘুরে গেলেন শুভেন্দু ! এবার সাংসদ বনাম বিধায়কের কাজিয়া প্রকাশ্যে

News bazar24:  এ যেন কাঁদা ছোড়া ছুড়ি খেলা !  একই দলের সাংসদ আর বিধায়কের মধ্যে কালিমা লেপনের খেলা, দেখে নেবার খেলা। বলাগড়ের মাটিতে দাঁড়িয়েই হুগলির তৃণমূল সাংসদের বিরুদ্ধে কার্যত চ্যালেঞ্জ ছুড়লেন নন্দীগ্রামের বিধায়ক।

         এক কথায় বলাগড়ের মাটিতে দাঁড়িয়েই হুগলির তৃণমূল সাংসদের বিরুদ্ধে জনমত গড়ে তোলার চেষ্টা করলেন নন্দীগ্রামের বিধায়ক। সরব হলেন ব্যক্তি আক্রমণের বিরুদ্ধে। মুখে নাম না নিলেও তৃণমূলের  এই নেতার নিশানায় যে কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায় তা সবারই বোঝা সারা। প্রসঙ্গ টানলে বলতে হয়, গত কয়েক মাস ধরেই শুভেন্দু-তৃণমূল এর মধ্যে দুরত্ব বেড়ে চলেছে। যার মধ্যেই নন্দীগ্রামে ১০ই নভেম্বর অরাজনৈতিক সভা থেকে তোপ দেগেছিলেন মন্ত্রী। সেদিন দলীয় নেতৃত্বকেই উদ্দেশ্য করে ছুঁড়ে ছিলেন অনেক এতদিন বলতে না পাড়া কথা ।

প্রতীবাদে ওই দিনই পাল্টা সভা করে তাঁকে কোণঠাসা করার চেষ্টা করেন ফিরহাদ হাকিম, দোলা সেন, পূর্ণেন্দু বসুরা। আর এই নেতাদের আক্রমণ, পাল্টা তোপ ঘিরে সরগরম হয়ে ওঠে রাজ্য রাজনীতি।

এরপরেও থেমে না থেকে দুইদিন পর  হুগলির সাংসদ কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায় শুভেন্দু অধিকারীকে কটাক্ষ করে বলেছিলেন, ‘মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় ছিলেন বলেই নন্দীগ্রামে আন্দোলন হয়েছিল। আজকে অনেক  অনেক বড় হতে পারেন। কিন্তু বড় হলেন কার ছায়ায়, সেটাই বড় ব্যাপার।এখানেই থামেননি তিনি। বলেছিলেন, ‘মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় নামের গাছের তলায় বড় হয়েছিস। ৪টে মন্ত্রিত্ব পেয়েছিস, ৪ খানা চেয়ারে আছিস। কত পেট্রোল পাম্প করেছিস! মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় না থাকলে মিউনিসিপ্যালিটিতে আলু বিক্রি করতিস রে, আলু বিক্রি করতিস।

এরপর  এদিন বলাগড়ে মতুয়াদের সভায় গিয়ে জনতার উদ্দেশে শুভেন্দু অধিকারীর প্রশ্ন ছোড়েন, ‘আমি শ্রদ্ধা জানিয়েই বলছি প্রাক্তন সাংসদ অনিল বসু যখন কাউকে আশালীন কথা বলতেন তখন হুগলির মানুষ মেনে নেয়নি। আজ যদি কোনও বর্তমান জনপ্রতিনিধি আমার বা আমার পরিবারের বিরুদ্ধে কোনও অশালীন আচরণ করেন তবে কী আপনারা মেনে নেবেন? জনতা নাবলতেই ধন্যবাদ জানিয়ে মঞ্চ ছাড়েন তৃণমূল বিধায়ক।

শুভেন্দু অধিকারীর এদিনের বক্তব্যের পর এদিন কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায় জানিয়েছেন, যাঁরাই অহঙ্কার করবে, তাঁদেরই দর্পচূর্ণ হবে। তা ছাড়া, আমি আমার বাবার পরিচয়ে রাজনীতিতে আসিনি।

NewsDesk - 2

aappublication@gmail.com

Newsbazar24 Reporter

Post your comments about this news