হৃদ্‌যন্ত্রে অনেকগুলি কারণে ‌করোনা ভাইরাস কোভিড–১৯–এর সংক্রমণ হতে পারে। জানুন বিস্তারিত ! - Newsbazar24
স্বাস্থ্য

হৃদ্‌যন্ত্রে অনেকগুলি কারণে ‌করোনা ভাইরাস কোভিড–১৯–এর সংক্রমণ হতে পারে। জানুন বিস্তারিত !

হৃদ্‌যন্ত্রে অনেকগুলি কারণে ‌করোনা ভাইরাস কোভিড–১৯–এর সংক্রমণ হতে পারে। জানুন বিস্তারিত !

হৃদ্‌যন্ত্রে অনেকগুলি কারণে ‌করোনা ভাইরাস কোভিড১৯এর সংক্রমণ হতে পারে। জানুন বিস্তারিত !

 

  News bazar24:  হৃদ্‌যন্ত্রে অনেকগুলি কারণে ‌করোনা ভাইরাস কোভিড১৯এর সংক্রমণ হতে পারে। তার একটি সরাসরি সংক্রমণ। এটা তিন–‌চারভাবে হতে পারে। তার একটি মায়োকার্ডাইটিসে প্রদাহ (‌ইনফ্লেম্‌ড)। এটা প্রথমেই হৃদ্‌যন্ত্রকে আক্রান্ত করে না। ফুসফুস ও অন্য অঙ্গে সংক্রমণ হলে এমন হয়। তবে এটা খুব কম মানুষের হয়।’‌‌
‘‌দ্বিতীয়ত, মায়োকার্ডাইটিস থেকে হৃৎপেশির প্রদাহ। এখান থেকে কার্ডিয়াক এরিদমিয়া হতে পারে। আর যেটা হতে পারে তা হল, এটি হার্টকে আঘাত করতে পারে অর্থাৎ অ্যাকিউট কার্ডিয়াক ইনজুরি। চিন্তার কথা, যাঁদের হৃদ্‌রোগ রয়েছে অথবা মধুমেহ, উচ্চ রক্তচাপ, স্ট্রোক হয়েছে, বাইপাস সার্জারি হয়েছে। তাঁদের কোভিড১৯ আরও বেশি ক্ষতি করতে পারে।’‌
‘‌তৃতীয় দিকটি হল প্রবীণদের সমস্যা। দেখা যাচ্ছে, এমন মানুষ, যাঁদের মধুমেহ, উচ্চ রক্তচাপ রয়েছে, যাঁরা নিয়মিত ধূমপান করতেন, তাঁদের কোভিড১৯এ আক্রান্ত হলে যে সব উপসর্গ দেখা যায়, সেগুলি দেখা  যাচ্ছে। হয়তো একটু জ্বর হল বা একটু কাশি। সেখান থেকে নিউমোনিয়া হওয়ার কথা। তা না হয়ে তাঁদের বুকে তীব্র ব্যথা, চাপ চাপ ভাব এল। এতে মনে হতে পারে হার্ট অ্যাটাক। ইসিজি করলে দেখা যায়, সেটি হার্ট অ্যাটাকের ইসিজির মতো দেখতে বা কার্ডিয়াক এনজাইম ট্রপোনিন টেস্ট, সিপিকেএমবি অনেক সময় বেশি থাকে। অনেক সময় ভুলবশত হার্ট অ্যাটাক রোগীর মতো চিকিৎসা হতে পারে। পরে হয়তো জানা যায়, হার্ট অ্যাটাক নয়, করোনা ভাইরাসের সংক্রমণ। অনেক সময় এই সব রোগীর ক্ষেত্রে একটু জ্বর, কাশি হওয়ার পরই এমন কষ্ট শুরু হয় যে, মনে হয় হার্টের অসুখ।’‌
‘‌চতুর্থ দিকটি হল, আমরা কিছু কিছু ওষুধ খাই, যেমন উচ্চ রক্তচাপের। সেগুলি নিয়ে অনেক আলোচনা আছে। সেগুলি করোনা ভাইরাসকে ত্বরাণ্বিত করে কিনা বা উপসর্গকে বাড়িয়ে তোলে কিনা, সেটা কিন্তু পুরোপুরি ঠিক নয়। অনেকে প্রপিল্যাক্সিসের জন্য হাইড্রক্সিক্লোরোকুইন খান, সে ব্যাপারে জানাতে হবে। যে সব রোগীর ইসিজিতে প্রাথমিকভাবে কিছু ধরা পড়ে, যেমন লং কিউটি সিনড্রোম। সেগুলি পরীক্ষা না করে যদি তাঁদের হাইড্রক্সিক্লোরোকুইন খাওয়ার কথা বলা হয় বা তাঁরা নিজেরাই খেয়ে নেন, তাঁদের ইসিজি সম্পর্কে কোনও সমস্যার কথা না জেনে চিকিৎসা শুরু হয়ে যায়, সেটা হিতে বিপরীত হয়ে যেতে পারে।’‌
‘‌সুতরাং, হৃদ্‌যন্ত্র করোনা ভাইরাস থেকে নানাভাবে আক্রান্ত হতে পারে, বিকল হতে পারে। তার একটি, সরাসরি ভাইরাসের কবলে পড়া। যদিও তাঁর সম্ভাবনা খুব কম। এটা ৩৪ শতাংশের বেশি নয়। দ্বিতীয়ত, যাঁদের ইতিমধ্যে হার্টের কোনও অসুখ আছে। তাঁদের যদি করোনা সংক্রমণ হয়, তাঁেদর ক্ষেত্রে সমস্যা বেড়ে যাওয়ার সম্ভাবনা বেশি থাকে। এবং পরে হৃদ্‌যন্ত্র সত্যিই যদি খুব ক্ষতিগ্রস্ত হয়, যেমন অ্যাকিউট কার্ডিয়াক ইনজুরি, তার থেকে যদি হার্ট ফেলিওর হয়, অনেক সময় কার্ডিওজেনিক শক হতে পারে। এমন হলে সমস্যা অনেক বেশি হয়ে যায়। এটা সরাসরি মৃত্যুর কারণ হয়েও দাঁড়াতে পারে।’‌  তাই এই সময় একটু সাবধানেই থাকা উচিত।

NewsDesk - 2

aappublication@gmail.com

Newsbazar24 Reporter

Post your comments about this news