সমস্ত পাপ মুছে ফেলতে, দুই বাংলার গঙ্গার পাড়ে হিন্দু ধর্মাবলম্বীদের গঙ্গা স্নান - Newsbazar24
কলকাতা

সমস্ত পাপ মুছে ফেলতে, দুই বাংলার গঙ্গার পাড়ে হিন্দু ধর্মাবলম্বীদের গঙ্গা স্নান

সমস্ত পাপ মুছে ফেলতে, দুই বাংলার গঙ্গার পাড়ে হিন্দু ধর্মাবলম্বীদের গঙ্গা স্নান

সমস্ত পাপ মুছে ফেলতে, দুই বাংলার গঙ্গার পাড়ে হিন্দু ধর্মাবলম্বীদের গঙ্গা স্নান

 প্রলয় চক্রবর্তী ঃ  গঙ্গায় স্নান  করলে সমস্ত পাপ মুছে যায় এবং জীব মুক্তি লাভ করে এমন বিশ্বাস থেকে হিন্দু ধর্মাবলম্বীরা গঙ্গা স্নান করে থাকেন। গঙ্গা নদীর মূর্তি স্বরূপ গঙ্গা দেবী হিন্দু ধর্মে বিশেষ স্থান অধিকার করে আছে। গঙ্গার অপর নাম ভাগীরথী এবং জাহ্নবী। গঙ্গার জন্মকাহিনী নিয়ে একাধিক মত থাকলেও ব্রহ্ম যে গঙ্গাকে পবিত্র করে স্বর্গে উত্তীর্ণ করেন এ নিয়ে মতভেদ নেই। মহাভারত, স্কন্দপুরাণ, ব্রহ্মবৈবর্ত পুরাণ, ঋগে¦দে ও গঙ্গার উল্লেখ আছে। গঙ্গা নদী ও তার শাখা প্রশাখার তীরবর্তী অনেক স্থানে পূণ্যার্থীরা তাই গঙ্গা স্নান করে থাকেন। তাই তো দুই দেশের এলাকার হিন্দু সম্প্রদায়ের মানুষেরা সুদীর্ঘকাল থেকে প্রতিবছর মধু কৃষ্ণা ত্রয়োদসী তিথিতে পাপ মোচনের উদ্দেশ্যে গঙ্গা দেবীর পূর্জা অর্চনা ও গঙ্গা  স্নান করেন।

      আজ সকাল থেকেই প্রচুর মানুষ এসে পূজার আনুষ্ঠানিকতা সেরে স্নান করছেন, কেউবা স্নান করে পূজার আনুষ্ঠানিকতা করছেন। বেল পাতা বিভিন্ন রকমের ফল ফুল অর্ঘ সামনে করে নদীর ধারে সারিবদ্ধ হয়ে বসেন পুরোহিতরা। পূণ্যার্থীরা দুহাত তুলে পুরোহিতের সামনে বসে প্রার্থনা শেষে নদীর জলে স্নান করছেন। পুরোহিতদের যে যার ইচ্ছামতো দক্ষিণা দেন। কেউ আসছেন কেউ বা যাচ্ছেন। স্নান শেষে বসন পাল্টে স্নান ঘাটে শুকিয়ে নিচ্ছেন। এ উপলক্ষে বসেছিল মেলাও। এলাকার মানুষ যেন এ দিনটির অপেক্ষায় থাকে। হিন্দু মুসলামান উভয় ধর্মের মানুষ এ মেলায় আসেন যা সম্প্রীতির চিহ্ন বহন করে। মাটির তৈরি খেলনা এ মেলার বিশেষ আকর্ষণ হলেও ঘোল, জিলাপি, বিভিন্ন ধরণের খেলনা, খাবার, দা বটি, হস্তশিল্পজাত দ্রব্যাদী পাওয়া যায় এ মেলায়।

ওপার বাংলার মির্জাপুর গ্রামের পুরোহিত শ্রী গোপাল চক্রবর্ত্তী (৪৫) জানান, মূলত পাপ মোচনের উদ্দেশ্যে গঙ্গা স্নান করে থাকেন হিন্দু সম্প্রদায়ের মানুষেরা। শিশু কিশোর যুবক যুবতী বৃদ্ধ বৃদ্ধাসহ নানা শ্রেণী পেশার মানুষ বছরের শেষ ভাগে এসে একসাথে গঙ্গা স্নানের মাধ্যমে নিজেদের ধুয়ে মুছে ফেলেন। কলকাতার খিদিরপুরের পুরোহিত নরেশ চক্রবর্ত্তী জানান, কালী পূজার আনুষ্ঠানিকতার পর এখানকার হিন্দু সম্প্রদায়ের মানুষ গঙ্গা স্নান করে থাকেন। মালদার সউদুল্লাপুরের পূণ্যার্থী মন্টুনাথ রায় জানান, প্রতিবছর এখানে স্নান হয়ে থাকে। আমরা বিশ্বাস করি এসময়ে এখানে স্নানের ফলে আমাদের পাপগুলো মোচন হবে। মালদা সদরের বালুচর মহল্লার নিতাই গৌড় মন্দিরের পুরোহিত শ্রী সুকুমার বাগচী বলেন, “মধু কৃষ্ণা ত্রয়োদসী তিথিতে করকোলায় গঙ্গা স্নান অনুষ্ঠিত হয়।

NewsDesk - 2

aappublication@gmail.com

Newsbazar24 Reporter

Post your comments about this news