সভাধিপতি চালু করেছিল ভুটনি ব্রিজে যান চলাচল ! তাই কি চালু হবার পরেই বন্ধ ? - Newsbazar24
মালদা

সভাধিপতি চালু করেছিল ভুটনি ব্রিজে যান চলাচল ! তাই কি চালু হবার পরেই বন্ধ ?

সভাধিপতি চালু করেছিল ভুটনি ব্রিজে যান চলাচল ! তাই কি চালু হবার পরেই বন্ধ ?

News Bazar24 : হটাৎ বন্ধ হয়ে গেলো ভূতনি ব্রিজে যান চলাচল।গত দুইদিন আগেই স্বাধীনতা দিবসের দিন হালকা যান চলাচলের অনুমতি দেন ব্রিজ কর্তৃপক্ষ।রবিবার সকাল থেকে বিজ্ঞপ্তি দিয়ে যান চলাচলে নিষেধাক্কা জারি করে পিডব্লুডি কর্তৃপক্ষ।চালুর পর হঠাৎ করে বন্ধ হয়ে যাওয়ায় ক্ষোভে ফুঁসছে ভূতনি চড়ের মানুষ।

কাজ সম্পন্ন না হওয়া সত্ত্বেও ৭৩ তম স্বাধীনতা দিবস উপলক্ষে মালদার ভূতনি ব্রিজে হালকা যান চলাচলের অনুমতি দেয় পিডাব্লুডি দপ্তর।ভূতনীর মানুষ ব্রিজের ওপর দিয়ে চলাচল করতে পেয়ে নতুন স্বাধীনতার আনন্দে মেতে ওঠে।কিন্তু হঠাৎ করে পুনরায় যান চলাচল বন্ধ করে পিডাব্লুডি দপ্তর।শনিবার বিকেলে ব্রিজ নির্মাণকারী সংস্থার তরফে মাইকিং করে জানান হয় ব্রিজে যান চলাচল বন্ধের।এদিন সকাল থেকে পিডাব্লুডি দপ্তরের  জারি করা বিজ্ঞপ্তি টাঙিয়ে দেওয়া হয় নির্মাণকারী সংস্থার তরফে।যাতে লেখা ব্রিজের কাজ চলার কারণে বন্ধ করা হয়েছে যান চলাচল।আর এতেই ক্ষুব্ধ ভূতনি বাসী।এদিন সকালে ব্রিজের নিরাপত্তার দায়িত্বে থাকা কর্মীদের ঘিরে সামান্য ক্ষোভ প্রকাশ করে স্থানীয়রা !

স্থানীয়দের অভিযোগ,ব্রিজের কাজ যখন শেষ হয়নি তাহলে কেন দুদিন আগেই মোটর বাইক, সাইকেল চলাচলের অনুমতি দেওয়া হয় কেন ? 

 যদিও সাধারন মানুষ এর মধ্যে শাসক দলের গোষ্ঠী দ্বন্দ র গন্ধ পাচ্ছে। অনেকের অভিমত জেলাপরিষদের সভাধিপতি গৌর চন্দ্র মন্ডল , যানচলাচল শুরু করেন। যা জেলার নেতারা সহ্য করতে পারেন নি। তাই পি ডব্লিউ ডী কে দিয়ে নোটিশ করিয়ে ফের বন্ধ করে দেওয়া হয়। তবে সত্যি কথা বলতে, ভুটনির মানুষের মনোভাব নিয়ে খেলা করা হচ্ছে। গ্রামবাসীদের দাবি , আমরা চাই মোটর বাইক সাইকেল চলাচলের অনুমতি দেওয়া হোক।নইলে আমরা আগামী দিনে আন্দোলনে নামতে বাধ্য হবো।মালদা জেলার মানিকচক ব্লকের অন্তর্গত ভুতনী চর । যার চার দিকে গঙ্গা ও ফুলহর নদী দিয়ে ঘেরা ।  ভুতনী চরে তিনটি গ্রাম পঞ্চায়েতের অন্তর্গত লাক্ষাধিক মানুষের বসবাস।ভূতনি বাসীকে নিত্য প্রয়োজনীয় কাজে জন্য ফুলাহার নদী নৌকা মাধ্যমে পারাপার করে মানিকচকে আসতে হত।স্বাধীনতার পর থেকে ভুতনী চরের মানুষের একটায় দাবী ছিল ভুতনী চরকে মূল ভুখন্ড যুক্ত করার জন্য ফুলহর নদীর উপর পাকা সেতুর।বারবার বিভিন্ন ভাবে আন্দোলন করেও কোন লাভ পাইনি চর বাসী।অবশেষ তৃণমূল ক্ষমতায় আশার পর প্রতিশ্রুত অনুযায়ী ভুতনী সেতুর কাজের ২০১৪ সালে শিলান্যাস  করে তৎকালীন উত্তরবঙ্গ উন্নয়ন মন্ত্রী গৌতম দেব ও মন্ত্রী সাবিত্রি মিত্র।সেতুটি লম্বাই ১৭৬০ মিটার।এখন পর্যন্ত ১৩১ কোটি টাকা বরাদ্দ হয়েছে।সেতু নির্মাণের কাজ প্রায় ৯৫ শতাংশ শেষ হয়েছে। 

তবে এদিন সকাল থেকে হালকা যান চলাচল বন্ধ করে দেওয়ায় পুনরায় সমস্যায় ভুগতে বাধ্য ভূতনি চড়ের মানুষ।

 

NewsDesk - 2

aappublication@gmail.com

Newsbazar24 Reporter

Post your comments about this news