রস্ত্রপুঞ্জে নালিশ জানিয়ে হতাশ ইমরান: ইসলামিক দেশ গুলোকেও পাশে পেলনা পাকিস্তান - Newsbazar24
বিশ্ব

রস্ত্রপুঞ্জে নালিশ জানিয়ে হতাশ ইমরান: ইসলামিক দেশ গুলোকেও পাশে পেলনা পাকিস্তান

রস্ত্রপুঞ্জে নালিশ জানিয়ে হতাশ ইমরান: ইসলামিক দেশ গুলোকেও পাশে পেলনা পাকিস্তান

প্রতিবেদন: সোজা থাপ্পড় খেলো পাকিস্তান।জম্মু কাশ্মীরের অনুচ্ছেদ ৩৭০ বিলোপ নিয়ে আন্তর্জাতিক মঞ্চে নিরাশ হয়ে ই  ফিরতে হল পাকিস্তানকে।

  এমন কি, রাষ্ট্র সংঘের পর রাশিয়াও জানিয়ে দিল, দেশের সংবিধান মেনেই সিদ্ধান্ত নিয়েছে ভারত। মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রও এব্যাপারে কোনও মন্তব্য বা অভিমত দেননি। সোজা কথা রাষ্ট্রসঙ্ঘেও ধাক্কা খেয়েছে ইসলামাবাদ। এমনকি পাকিস্তানের পরম বন্ধু চিনও পাশে নেই ইমরান খানের সাথে। হাস্যকর ব্যাপার, সৌদি আরব ও সংযুক্ত আরব আমিরশাহির মতো ইসলামিক দেশকেও পাশে পেলনা পাকিস্তান। চোরের মায়ের বড় গলার মত,  ভারতের বিরুদ্ধে জোরালো প্রতিক্রিয়ার আশায় এত চেষ্টা করেও ফল পেলেন না ইমরান খান। সব জায়গা থেকে খালি হাত। উল্লেখ্য,          

জম্মু-কাশ্মীর থেকে অনুচ্ছেদ ৩৭০ প্রত্যাহারের পর থেকে ফুঁসছে ইসলামাবাদ। ইমরান খান চেয়েছিলেন রাষ্ট্রসঙ্ঘ ও আন্তর্জাতিক মহলের হস্তক্ষেপ চেয়ে ভারতের উপরে চাপ বাড়াতে। কিন্তু চূড়ান্ত ব্যর্থ হলেন পাক প্রধানমন্ত্রী। কোনও সমর্থনই জোটাতে পারল না পাকিস্তান। শুক্রবারই কাশ্মীর ইস্যুতে মধ্যস্থতার প্রশ্ন উড়িয়ে দিয়েছে রাষ্ট্রসঙ্ঘ। রাষ্ট্রসঙ্ঘের হস্তক্ষেপ চেয়ে পাক-প্রধানমন্ত্রীর অনুরোধ খারিজ করে দেন মহাসচিব অ্যান্তেনিও গুতেরেস। স্পষ্ট জানান, কাশ্মীর দ্বিপাক্ষিক বিষয়। ১৯৭২ সালের সিমলা চুক্তিতে ঠিক সেটাই লেখা আছে।

রাশিয়া বরাবরই ভারতের বন্ধু রাষ্ট্র। এর পাশাপাশি ভ্লাদিমির পুতিনের সঙ্গে অত্যন্ত সুসম্পর্ক নরেন্দ্র মোদীর। প্রত্যাশিতভাবেই ভারতের পাশে দাঁড়িয়েছে রাশিয়া।শনিবার রুশ বিদেশমন্ত্রক বিবৃতি জারি করে জানিয়েছে, দেশের সংবিধান মেনে জম্মু ও কাশ্মীরে পরিবর্তন করেছে ভারত সরকার। দ্বিপাক্ষিক আলাপ আলোচনার মধ্যে দিয়েই ভারত ও পাকিস্তানের দ্বন্দ্ব মিটিয়ে নেওয়া সম্ভব।

মার্কিন স্বরাষ্ট্র মন্ত্রকের তরফে বিবৃতি দিয়েছেন দফতরের মুখপাত্র মরগান ওরতেগাস। ওই বিবৃতিতে বলা হয়েছে, ‘জম্মু ও কাশ্মীরে যা হচ্ছে তা নজরে রাখছি আমরা। জম্মু ও কাশ্মীরকে ভাগ করা ও তাদের সাংবিধানিক অধিকার বিলোপ করার বিষয়টি নজরে রয়েছে।’ মার্কিন সেনেটের বৈদেশিক সম্পর্ক সংক্রান্ত কমিটির সদস্য রবার্ট মেনেন্দেজ এবং হাউসের বিদেশ বিষয়ক কমিটির চেয়ারম্যান ইলিয়ট এঞ্জেলের যৌথ বিবৃতিতে বলা হয়েছে, ভারতের বিরুদ্ধে যে কোনও ধরনের আগ্রাসন থেকে পাকিস্তানের দূরে থাকা উচিত। এর মধ্যে জঙ্গি অনুপ্রবেশে মদত দেওয়া বন্ধ করা এবং দেশের মাটিতে সন্ত্রাসবাদীদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা গ্রহণ-দুটি বিষয়ই রয়েছে। 

মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে বাণিজ্যযুদ্ধে কোণঠাসা চিনও আর ভারতের সঙ্গে শত্রুতা বাড়াতে চায় না। ভারতের বড় বাজারের দিকে চেয়েই ইমরানের পাশে দাঁড়ায়নি চিন। এক কথায় গোটা বিশ্ব মুখে যায় বলুক না কেনো, ভারতের ভালো কোনো দিনই দেখতে পারেনা পাকিস্তান। আর জঙ্গী কার্যকলাপে পাকিস্তান বিশ্ব সেরা।তাই ভালো দেশের পাশেই দাড়িয়েছে বিশ্ব।

 

 

NewsDesk - 2

aappublication@gmail.com

Newsbazar24 Reporter

Post your comments about this news