মালদহের নাট্যকার সুব্রত রায়ের নাট্য বিজড়িত দিনগুলোর ৪৩ তম পর্ব।। - Newsbazar24
বিনোদন

মালদহের নাট্যকার সুব্রত রায়ের নাট্য বিজড়িত দিনগুলোর ৪৩ তম পর্ব।।

মালদহের নাট্যকার সুব্রত রায়ের নাট্য বিজড়িত দিনগুলোর  ৪৩ তম পর্ব।।

 আমার নাট‍্য স্মৃতি বিজড়িত দিন গুলি,।।  সুব্রত রায়   পর্ব-৪৩,                        বর্তমানে মালদা জেলার পুরনো নাট‍্য ইতিহাস খুঁজে পাওয়া বড় কঠিন কাজ। তবু ও এক দায়বদ্ধতা থেকে এই কাজ টি করছি। আমার এই নাট‍্য ইতিহাস টা,হয়তো আগামী তে কোন ছাত্র ছাত্রী বা কোন থিয়েটার কর্মী র, প্রয়োজন হতে পারে। এখন এই সময়ে মালদা জেলার অনেক নাট‍্য স্মৃতি হারিয়ে যাচ্ছে। তবু কিছুটা ধরে রাখতে চেষ্টা করছি মাত্র। একটা সময় কয়েকটি পাড়া নিয়ে ছিল, আমাদের এই মালদা শহর। এই শহরে র এক সাইড দিয়ে,বয়ে গেছে মহানন্দা নদী এই নদীর ধারে তখন ছিল বি,দে,হল।আর একটু এগিয়ে গিয়ে দেখা যেত, মালদা জেলার সবচাইতে পুরনো সিনেমা হল। নাম ছিল তার লছমী সিনেমা ঘর। আজ আর এই হল টি নেই, ভাঙ্গা হয়ে গেছে। শুনেছি প্রোমোটারি র কাজ হবে। ষাট সত্তর দশকের ছবি সেই বি,দে হলে নাট‍্য চর্চা চলতো। তখন মালদার নাট‍্য কর্মী যা মাঝে মাঝে ঐ লছমী সিনেমা হলে ও থিয়েটার করতে ন। তখন মোকদুমপুর, সিঙ্গাতলা,গোলাপটি, পুড়াটুলি, পিরোজপুর, এই নিয়ে ছিল মালদা শহর। বাঙলা দেশ থেকে তখন অনেক মানুষ জন মালদায় এসে ছিলেন। ওনাদের সৃষ্টি সংস্কৃতি ছিল অনেক উন্নত। এই মানুষেরা তখন মালদায় থিয়েটারের সৃষ্টি করেছিলেন। সাথে ছিল মাল দা জেলার আদি কিছু মানুষ জন। তখন মানুষ জনের অর্থ নৈতিক একটা সমস্যা ছিল। তবু ও আমি শুনেছি, তখন এই নাট‍্য শিল্প টা কে ভালো বেশে মানুষ, থিয়েটারের কাজ টি করতো। সেই সময় এর ইতিহাস পুড়াটুলি ড্রামা লীগ, ড্রামা টিক, শিল্পী পরিষদ,লোকতীরথ,নাট‍্যপরিষদ,আলোক তীর্থ,এই দলগুলো বিগত দিনে থিয়েটারের কাজ করে ন। এছাড়া ও বেশকিছু স্থানীয় ক্লাব, প্রতিবছর নাটক করতে ন। তখন মালদায় হ‍্যাচাক,লড়ির হেড লাইট ও লন্ঠন জ্বালিয়ে থিয়েটারের আলোর কাজ করা হতো। যাইহোক নদীর স্রোত বয়ে গেছে,আজ আমরা অতি আধুনিক যুগে এসেছি। এখন মালদায় কিছু নতুন ছেলে মেয়ে থিয়েটারের কাজ করছে, আমার বেশ ভালো লাগছে।

NewsDesk - 3

aappublication@gmail.com

Newsbazar24 Reporter

Post your comments about this news