ব্রেন স্ট্রোক এর ঝুকি কমাতে নিয়মিত গান শুনতে ‘মিউজিক থেরাপি’র পরামর্শ দিচ্ছে উন্নত চিকিৎসা পদ্ধতি - Newsbazar24
লাইফ স্টাইল

ব্রেন স্ট্রোক এর ঝুকি কমাতে নিয়মিত গান শুনতে ‘মিউজিক থেরাপি’র পরামর্শ দিচ্ছে উন্নত চিকিৎসা পদ্ধতি

ব্রেন স্ট্রোক এর ঝুকি কমাতে নিয়মিত গান শুনতে ‘মিউজিক থেরাপি’র পরামর্শ দিচ্ছে উন্নত চিকিৎসা পদ্ধতি

প্রিয়া চক্রবর্তী (news bazar24)

আপনি যদি নিয়মিত অল্প সময়ের জন্য হলেও একটু করে আপনার পছন্দের গানগুলি শোনেন তবে অনেকটাই মানসিক স্ট্রেস থেকে মুক্তি পাবেন। মস্তিষ্কে রক্ত সঞ্চালন ভালো হবার কারনে স্মৃতি শক্তি যেমন বাড়বে, তেমনই ব্রেনস্ট্রোক ধরণের ঝুকিও অনেকটাই কমবে , একটি গবেষণায় উঠে এসেছে এমনই এক তথ্য। বিদেশের অনেক উন্নত দেশে তাই বিভিন্ন হাসপাতালেও রুগীদের ঘরে চালানো হচ্ছে সফট মিউজিক ।গবেষণায় বলা হচ্ছে,গন্ধের ঠিক  পরেই সংগীত হলো দ্বিতীয় শক্তিশালী উপাদান যা আমাদের মস্তিষ্ককে প্রভাবিত করেবৈজ্ঞানিক দ্বারা প্রমাণিত যে সঙ্গীতের একটি শক্তিশালী প্রভাব আছে মস্তিষ্কের উপর       

সঙ্গীত মানসিক চাপ রাস করে, তেমনই মস্তিষ্কের ক্ষত উপশম করে,রক্তনালীর কর্মক্ষমতা বৃদ্ধি করে জ্ঞান সমন্বয় ক্ষমতার উন্নতি ঘটায় সঙ্গীত মস্তিষ্কে প্রবেশ করেই মস্তিষ্কের অনুরজন  কেন্দ্রগুলোকে উদ্দীপিত করে,জাদ্দার ডোপামিন নামক একটি স্নায়ু সঞ্চালক নিঃসৃত হয়,যা আপনাকে সুধীর করে তোলে

এখন দৃষ্টিপাত করা যাক মানব মস্তিষ্কের ক্ষত নিরাময়ে সংগীতের অবদান গুলির উপর -

১)  ব্যথা উপশম২০১৪ সালের সমীক্ষা অনুযায়ী রোগী তার পছন্দের সংগীত শুনে ব্যথার উপশম এবং ক্রিয়ামূলক গতিশীলতার উন্নতি ঘটাতে পারে

গবেষকদের বিশ্বাস সংগীত শ্রাবণের মাধ্যমে মানুষের শরীরে অপিয়ড উদ্দীপিত হয়,যা একটি প্রাকৃতিক ব্যথা উপশমকারী উপাদান

একটি গবেষণায় দেখা গেছে যে সাত হাজারেরও বেশি রোগী যারা প্রত্যেকদিন সংগীত শ্রবণ করেন ফলে তাদের ব্যথা উপশমের জন্য খুব কমসংখ্যক ওষুধ প্রয়োগের দরকার পরে

২)  মানসিক অবসাদ-  গবেষণায় দেখা গেছে যে মানসিক অবসাদ লঘুকরণে সঙ্গীতের একটি অভূতপূর্ণ ভূমিকা আছে২০১৩ সালে হওয়া এক সমীক্ষায় দেখা গেছে যে যেসব রোগী প্রত্যেকদিন সংগীত শোনেন তাদের মানসিক অবসাদের পরিমাণ খুবই কম

৩) প্রণোদনা - শরীরচর্চা করা কালীন কিছু মানুষ সংগীত শ্রবণ করে থাকেনকারণ গবেষকদের মতে দ্রুত এবং গতিময় সংগীত মানুষকে আরো বেশি পরিশ্রম করতে সাহায্য করে উল্লেখ্য, সংগীতের মাধ্যমে  মানুষের মস্তিষ্কে ডোপামিন নিঃসৃত হয় যা মানুষকে প্রেরণা যোগায় বর্তমানে কর্মীদের প্রেরণা জোগানোর জন্য এই সঙ্গীত চিকিৎসা খুবই কার্যকারী বলে মেনে নেওয়া হয়েছে।

৪) স্মৃতিশক্তি -ফ্ল্যাশবেন্ডরের অনুযায়ী স্মৃতি শক্তির ওপর সঙ্গীতের একটি শক্তিশালী প্রভাব দেখা যায় বেশিরভাগ ছাত্র ছাত্রীরা পড়াশোনা সময়ে সংগীত শোনা পছন্দ করেন, কিন্তু এটা কি ফলদায়ক?

গবেষকদের মধ্যে এটা নির্ভর করে বিভিন্ন উপাদানের উপর যেমন কোন ধরনের সঙ্গীত শ্রবণ করা হচ্ছে এবং সেটি শ্রোতার পছন্দের ধরণের কিনা ইত্যাদি সমীক্ষা অনুযায়ী সংগীত অ্যালজাইমার এবং ডিমেনশিয়া রোগীদের উপর খুবই কার্যকরীযেমন কেও  সফট রোমান্টিক গান শুনতে ভালবাসে কিন্তু তার কাছে ঝঙ্কার বিটের ড্যান্সের গান চালিয়ে দিলে সে বিরক্তি ফিল করবে। একসময় ক্ষিপ্ত হয়ে উঠবে। তাই যে যেমন ধরণের গান ভালবাসে তাকে তেমনই শোনাতে বা শুনতে হবে।

৫)  বিষন্নতা লঘুকরণ - গবেষকদের মতে বিষণ্ণতা গো কারণে সংগীত চিকিৎসার একটি অভূতপূর্ণ ভূমিকা আছে সমীক্ষা অনুযায়ী সংগীত চিকিৎসা একটি নিরাপদ পদ্ধতি যার দারা খুব সহজে কোন মানুষের বিষন্নতা কমানো সম্ভবডিমেনশিয়া, স্ট্রোক এবং  প্যানকিনশন রোগীদের পক্ষে এই  চিকিৎসা পদ্ধতি অনেক দেশে  খুবই ব্যবহার হচ্ছে

NewsDesk - 2

aappublication@gmail.com

Newsbazar24 Reporter

Post your comments about this news