ফের উত্তপ্ত গৌড়বঙ্গ বিশ্ববিদ্যালয়৷ উপাচার্য ও রেজিস্ট্রার ঘেরাও ছাত্রছাত্রীদের - Newsbazar24
মালদা

ফের উত্তপ্ত গৌড়বঙ্গ বিশ্ববিদ্যালয়৷ উপাচার্য ও রেজিস্ট্রার ঘেরাও ছাত্রছাত্রীদের

ফের উত্তপ্ত গৌড়বঙ্গ বিশ্ববিদ্যালয়৷ উপাচার্য ও  রেজিস্ট্রার ঘেরাও ছাত্রছাত্রীদের

মালদা,১৪ই সেপ্টেম্বরঃ ছাত্র আন্দোলনে ফের উত্তপ্ত হয়ে উঠল গৌড়বঙ্গ বিশ্ববিদ্যালয়৷ উপাচার্য ও ভারপ্রাপ্ত রেজিস্ট্রারে বিরুদ্ধে একগুচ্ছ অভিযোগ এনে গতকাল সন্ধে থেকে দু'জনকেই উপাচার্যের কক্ষে ঘেরাও করে রাখেন ছাত্রছাত্রীরা৷ তাঁরা উপাচার্যের ঘরে বিক্ষোভ দেখাতে থাকেন৷ পড়ুয়াদের ঘেরাও আন্দোলন গভীর রাত পর্যন্ত চলে৷ যদিও উপাচার্য জানান, কেন তাঁদের এভাবে ঘেরাও করা হয়েছে তা তাঁরা জানেন না৷ আন্দোলনকারীরা এনিয়ে তাঁদের কিছুই জানাচ্ছে না৷ পরিস্থিতি যাতে নিয়ন্ত্রণের বাইরে না চলে যায় তার জন্য বিশ্ববিদ্যালয়ে মাঝরাত পর্যন্ত ছিল ইংরেজবাজার থানার পুলিশবাহিনী৷ আগাম কিছু না জানিয়েই গতকাল সন্ধে সাড়ে ৫টা নাগাদ উপাচার্যের ঘরে ঢুকে পড়েন ৭০-৮০ জন পড়ুয়া৷ তাঁরা উপাচার্যের ঘরে বসে পড়েন৷ বিভিন্ন দাবিতে স্লোগান দিতে থাকেন৷ তাঁদের দাবি, উপাচার্য ও ভারপ্রাপ্ত রেজিস্ট্রারকে অপসারণ করতে হবে৷ এপ্রসঙ্গে বিশ্ববিদ্যালয়ের বাংলা বিভাগের দ্বিতীয় সেমেস্টারের ছাত্রী নন্দিতা প্রামাণিক বলেন, তাঁদের শিক্ষাবর্ষ অন্যান্য বিশ্ববিদ্যালয়ের থেকে অনেক পিছিয়ে চলছে৷ আমাদের বিশ্ববিদ্যালয়ে এমএ সেকেন্ড সেমেস্টারের মাত্র ৩ মাস হল ক্লাস শুরু হয়েছে৷ অথচ উপাচার্য বলছেন, তিনি পরীক্ষা নেবেন৷ ৬ মাসের পাঠ্যক্রম আমরা ৩ মাসে শেষ হবে কীভাবে? অন্যদিকে তিনি ফুড অ্যান্ড নিউট্রিশন বিভাগে এক বছর পর প্রথম সেমেস্টারের পরীক্ষা নিচ্ছেন৷ একই বিশ্ববিদ্যালয়ে দুটি বিভাগের জন্য দুটি নিয়ম হয় কীভাবে? উপাচার্যের উপর তাঁদের আর আস্থা নেই৷ তাঁরা উপাচার্য এবং রেজিস্ট্রারের পদত্যাগ চান৷ পড়ুয়াদের এই আন্দোলন প্রসঙ্গে গতকাল গভীর রাতে উপাচার্য স্বাগত সেন বলেন, পড়ুয়ারা তাঁদের কাছে নিজেদের কোনও দাবির কথা বলেননি৷ তাঁদের কী অভিযোগ কিংবা দাবি রয়েছে তা নিয়ে তিনি অন্ধকারে৷ হঠাৎ ঘেরাও করে শিক্ষকদের বেরোতে না দেওয়াটা তাঁরা সমীচীন মনে করেছেন৷ এটা যদি সভ্যতার নিদর্শন হয় তবে তাঁরা সেটাই করছেন৷ উল্লেখ্য, মাস তিনেক আগে একই ইশ্যুতে শুরু হওয়া পড়ুয়াদের ঘেরাও আন্দোলনে অসুস্থ হয়ে পড়েছিলেন উপাচার্য৷ পড়ুয়াদের বিরুদ্ধে রেজিস্ট্রারকে নিগ্রহ করার অভিযোগও উঠেছিল৷ সেই সময় পরিস্থিতি মোকাবিলায় হস্তক্ষেপ করতে হয় খোদ শিক্ষামন্ত্রী পার্থ চট্টোপাধ্যায়কে৷ এবার পড়ুয়াদের আন্দোলন কোন দিকে গড়াবে, সেটা সময়ই বলবে৷ (ছাত্রীর বক্তব্য ও

উপাচার্যের বক্তব্য শুনুন )

NewsDesk - 3

aappublication@gmail.com

Newsbazar24 Reporter

Post your comments about this news