নতুন পিকনিক স্পট :শীতের মরসুমে মালদার গঙ্গার চরে ক্রমশই বাড়ছে পর্যটন ও পিকনিক স্পট হিসেবে গড়ে ওঠার সম্ভাবনা - Newsbazar24
মালদা

নতুন পিকনিক স্পট :শীতের মরসুমে মালদার গঙ্গার চরে ক্রমশই বাড়ছে পর্যটন ও পিকনিক স্পট হিসেবে গড়ে ওঠার সম্ভাবনা

নতুন পিকনিক স্পট :শীতের মরসুমে মালদার গঙ্গার চরে ক্রমশই  বাড়ছে পর্যটন ও পিকনিক স্পট হিসেবে গড়ে ওঠার সম্ভাবনা

ডেস্ক:    শীতের  সকালে  নিরিবিলি  গঙ্গার  চর ক্রমশই পর্যটন ও পিকনিক স্পট হিসেবে গড়ে ওঠার সম্ভাবনা বাড়ছে।এক দিকে  নৌকাবিহার , গঙ্গার জশকেলি , অন্যদিকে শিতের উষ্ণতা নিতে বালুকাতটে  একটু জিরিয়ে নেওয়া । সৌন্দর্য,পরিচ্ছন্নতা  , নিরিবিলি,লোকালয় থেকে  একটু  দুরে বাঙ্গীটোলা  পঞ্চানন্দপুরে গঙ্গার অনতিদূরে   নতুন  নতুন  গজিয়ে ওঠা  চড়  মালদা  জেলায় শ্রষ্ঠ পর্যটন  পিকনিক  স্পট  হিসেবে  গড়ে  ওঠার  সম্ভাবনা  রয়েছে । শীত জাকিয়ে পড়তেই  জেলার  বিভিন্ন প্রান্ত থেকে  প্রতি  দিন  এক একাধিক  দল  গঙ্গার চড়ে  পিকনিক  করতে ছুটে আসছে  ।

ডিসেম্বর  জানুয়ারির ভরা মরসুমে  এই জেলা তথা রাজ্যের  মানুষের  কাছে  পিকনিক স্পট ও পর্যটন  ক্ষেত্র হিসেবে গড়ে ওঠার। সমস্ত  উপকরণ রয়েছে । মালদা জেলার  গঙ্গার ধার বরাবর মানিকচক  থেকে পঞ্চানন্দপুরের  বিস্তীর্ণ এলাকা  ও চর এলাকায়  নেই শুধু সরকারি  পরিকল্পনা ও স্হানীয়  গ্রাম পঞ্চায়েত পঞ্চায়েত পঞ্চায়েত সমিতির কোনো  উদ্যোগ  ।এই মুহূর্তে  গঙ্গা  যেন  শান্ত নিলাম্বরি অগভীর  সমুদ্রের  মতো । গঙ্গার মাঝে মধ্যেই গজিয়ে উঠেছে  ছোটো  ছোটো  চর । চরগুলি বালুকাতটের মতো। এই সময়  ঘাসফুলের  সৌন্দর্যে অপরুপ শোভা  এই চরগুলিতে । মাঝেমধ্যে  পাল পাল গরু মোষ চরের বিভিন্ন প্রান্তে ঘুরে বেরাতে দেখা যায়।মোষের পিঠে ঘুমিয়ে পড়া রাখাল বালক দেখে মনে পরে যেতে বাধ্য রবীন্দ্রনাথের লেখা যে কোনো  গ্রাম  বাংলার  উপন্যাসের  কথা ।  তার উপর হালকা  হাওয়ায়  গঙ্গার  ছোটো  ছোটো  ঢেউ আপনাকে  বার বার মনে করিয়ে  দেবে পুরী কিম্বা  দীঘার কথা । মালদা  শহর থেকে  22/23 কিমি দুরে বাঙ্গীটোলা  বা পঞ্চানন্দপুর। পাগলী মন্দির এলাকা  থেকে মহাদেবপুর ,সকুল্লাপুর,  পাগলাঘাট সহ যে কোন ঘাটেই একটা ছোট নৌকা পাওয়া যায়  । 1000/1200 টাকায় একটি নৌকা  পাওয়া যাবে  । একটি ছোট নৌকায় 20/25  চাপা  যাবে। নৌকার মাঝি আপনাকে  নদীর মাঝে  আপনার পছন্দ মত গঙ্গার চর  নিয়ে  যাবে।  গঙ্গার স্হির শান্ত জলে  নৌকা  ভ্রমণ যে কোনো  মানুষ কে অনাবিল  আনন্দ  এনে  দিবে ।আর মাঝিকে বললে আপনাকে  গঙ্গার  মাঝে নিয়ে  যাবে  ছোটো  ছোটো একাধিক  চর  ঘুরিয়ে ফিরিয়ে  দেখাবে ।  বেশ কিছু  পিকনিক পার্টি  চরে  ব্যাট মিন্টন , বা ভলিবল  নিয়ে  খেলছে কেউ  বা কবাডি।দিন ভর মস্তি করে অবশেষে সূর্যর অস্ত যাওয়ায়  সঙ্গে  সঙ্গে  আবার  নৌকা  চেপে ফেরা । বিকেলে নৌকা তে ফিরতে ফিরতে  গঙ্গার নীল জলের দিগন্তরেখায় সূর্যের  অস্ত যাওয়ায়  দৃশ্য অপরুপ।মালদা শহর থেকে  22/23 কিমি দুরে বাঙ্গীটোলা  বা পঞ্চানন্দপুর। পাগলী মন্দির  এলাকা থেকে মহাদেবপুর   ,সকুল্লাপুর,  পাগলাঘাট সহ যে কোন ঘাটেই একটা ছোট নৌকা পাওয়া যায়। 1000/1200 টাকায় একটি নৌকা  পাওয়া যাবে  ।একটি ছোট নৌকায় 20/25জন  চাপা যাবে। নৌকার মাঝি আপনাকে  নদীর মাঝে  আপনার  পছন্দ মত  গঙ্গার চর  নিয়ে যাবে।  গঙ্গার স্হির শান্ত জলে  নৌকা ভ্রমণ যে কোনো  মানুষ কে  অনাবিল  আনন্দ এনে দিবে ।  আর মাঝিকে বললে আপনাকে  গঙ্গার  মাঝে একাধিক  চর দেখতে  পাওয়া যাবে ।সঙ্গে নদী বক্ষে রঙবেরঙের  পাখি উপরি পাওনা ।  সম্প্রতি  মালদা  শহর থেকে বেশ কিছু  লোক চরে ঘুরে এসেছে। এরকমই  কয়েক জন লোকের  সঙ্গে  কথা বললে তারা উত্তর বঙ্গ সংবাদ কে নানা অভিজ্ঞতার কথা  জানিয়েছেন  । মালদা শহর থেকে 25-30 জনের একটি চিকিৎসক দল গড়ে পিকনিক করতে যায় এই চিকিৎসক দলের দুই প্রতিনিধি চিকিৎসক ডাক্তার মলয় সরকার জানিয়েছেন আমরা শহরে প্রতিদিন একই ধরনের কাজ করতে করতে একঘেয়ে হয়ে পড়ি একঘেয়েমি কাটাতে গোটা উত্তরবঙ্গের শ্রেষ্ঠ জায়গা গুলির মধ্যে এই গঙ্গার চর এলাকা।  এর জন্য দরকার একটু প্রশাসনিক নজরদারি ।আমরা চিকিৎসক হলেও আমাদের আমাদের কথা কেউ শুনবে না, তবুও উত্তরবঙ্গ সংবাদ মারফত আমরা জেলা প্রশাসনকে বলতে চাই মালদার গর্ব এই গঙ্গার চর এলাকা। এই জায়গাটিকে নিয়ে প্রশাসনিক উদ্যোগ দেখা দিলে সব দিক দিয়ে সবারই নজর হবে সরকারের রাজস্ব আদায় হবে, এত সুন্দর মনোরম পরিষ্কার-পরিচ্ছন্ন মানুষের মন ভরিয়ে তোলে।

মালদা  শহরের  দুই  শিক্ষক মনোজ ঠাকুর পুস্পন্দু মিশ্র   জানান  ," গঙ্গার চর এলাকা তে আমরা  কয়েকদিন  আগেই পিকনিক  করে এলাম।অপরূপ সৌন্দর্য  সেখানে । আমার  মনে হয়   পয়শা খরচ করে দীঘা বা দুরে পিকনিক করার থেকে পঞ্চানন্দপুরের  চরের পিকনিক  কম খরচে অনেক বেশি আনন্দ হয়েছে  । চড়ের এই প্রাকৃতিক  সৌন্দর্য  কে নিয়ে  জেলা ও স্হানীয় পঞ্চায়েত গুলি উদ্যোগ  নিলে ভবিষ্যতে  এই চর এলাকা  জেলা  তথা রাজ্যের  একটি সেরা পর্যটন  কেন্দ্র  ও পিকনিক স্পট হিসেবে গড়ে ওঠার সম্ভাবনা রয়েছে ।" একই  বক্তব্য   মিঠুন কুমা রে ও । তারা জানিয়েছেন  এই চর নিয়ে  রাজ্য  সরকার  বা স্হানীয়  পঞ্চায়েত গুলির ভূমিকা  সঠিক নায় , যদি সঠিক পরিকল্পনা  নেওয়া হয়  তবে  পঞ্চানন্দপুরের  গঙ্গার চর নদীধার বরাবর খুব ভালো  পিকনিক স্পট হিসেবে গড়ে ওঠার সম্ভাবনা রয়েছে ।" মানিকচক  বাঙ্গীটোলা  এলাকার গৃহবধূ মিঙ্কি ঠাকুর , সোনালি  ঝা র বক্তব্য  , মহিলারাও সেখানে  পিকনিক  করতে যেতে  পারে  । আমরা  সম্প্রতি  গেছিলাম চরে । খুবভালো লেগেছে ।  এদিকে  সকুল্লাপুর  ঘাটে নৌকার মাঝি বাপী মন্ডল জানিয়েছেন , " এখন গঙ্গার  চরে পিকনিকে  বহর বেরে গেছে। প্রশাসনিক আধিকারিক রাও যাচ্ছে । সাধারণ মানুষের পিকনিক  বেড়ে গেছে ।  চরে অনেক সময়  আমাদের দায়িত্ব দিলে আমররাই সব দায়িত্ব  নিয়ে  সব দায়িত্ব ব্যবস্থা করে   দিচ্ছি । এতে গঙ্গা র ধারে যে ছোটো 70/80টা নৌকা  আছে তাদেরও রোজগার বাড়বে । সব মিলিয়ে নতুন বছরে গঙ্গার চর এলাকায় পিকনিক করার হেরেছে বৈকি তবে যারা এখানে আসছে সবারই একটাই অভিযোগ এই জায়গাটিকে নিয়ে প্রশাসনিক উদ্যোগ হলে রাজ্যের সেরা পিকনিক স্পটে পরিণত হতে পারে এই চর এলাকা।

 

NewsDesk - 2

aappublication@gmail.com

Newsbazar24 Reporter

Post your comments about this news